‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্যসংকলন?
A. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
B. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
C. জসীমউদ্দীন
D. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তরঃ
D.
কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation: ‘সঞ্চিতা’ কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যসংকলন। এটি ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। এ গ্রন্হে ৭৮টি কবিতা ও গান রয়েছে। নজরুল তাঁর এ গ্রন্হটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘বিষের বাঁশি’ কাজী নজরুল রচিত একটি-
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে' এ প্রার্থনা করেছে-
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় ইস্রাফিলের শিঙ্গার মহা হুংকার' দ্বারা নিচের কোনটিতে ইঙ্গিত করেছেন?
- 'কুর্নিশ' শব্দটির অর্থ কী?
- কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতায় ‘কালাপাহাড়’- কে স্বরণ করেছেন কেন?
- 'আমি চির দুর্দম দুর্বিনীত, নৃশংস, মহাপ্রলয়ের আমিনটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস।'-কবিতাংশটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টিইঙ্গিত পাওয়া যায়?
- ‘সঞ্চিতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহিদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে। প্রীতিলতাও বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হন। প্রথম নারী সদস্য হিসেবে যোগ দেন সূর্য সেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে এরপর টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইনস দখল অভিযানে যুক্ত ছিলেন। তিনি অংশগ্রহণ করেন জালালাবাদ যুদ্ধেও। ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। 'কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ' এরূপ অবমাননামূলক কথার জন্য ক্লাবটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ ছিল ভারতীয়রা। প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে। ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাৎক্ষণিকভাবে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরও উজ্জীবিত করে তোলে। উদ্দীপকটিতে 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।
- কবি নিজেকে কার ডমরু ত্রিশূল বলেছেন?
- কাজী নজরুল ইসলাম - এর 'বিদ্রোহী' কবিতা প্রকাশিত হয়-
- 'ভাঙা ঘর, ফাঁকা ভিটেতে জমেছে নির্জনতার কালোহে মহামানব, এখানে শুকনো পাতার আগুন জ্বালো ।'উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ পঙক্তি কোনটি?
- কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ কোনটি ?
- বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকেআমি যাই তারি দিন-পঞ্জিকা লিখে,এতো বিদ্রোহ কখনো দেখেনি কেউ,দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ;স্বপ্ন-চূড়ার থেকে নেমে এলো সব-শুনেছ? শুনছ উদ্দাম কলরব?নয়া ইতিহাস লিখছে ধর্মঘট;রক্তে রক্তে আঁকা প্রচ্ছদপট।'প্রত্যহ যারা ঘৃণিত ও পদানত,দেখ আজ তারা সবেগে সমুদ্যত;"উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার স্মারক।" বিচার করো।
- শিউলিমালা কাজী নজরুলের :
- কী জানি কী হলো আজি, জাগিয়া উঠিল প্রাণ-দূর হতে শুনি যেন মহাসাগরের গান।ওরে, চারি দিকে মোর এ কী কারাগার ঘোর-ভাঙ ভাঙ ভাঙ কারা, আঘাতে আঘাত করো।ওরে আজ কী গান গেয়েছে পাখি,এসেছে রবির কর।উদ্দীপকের আত্মজাগরণের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতায় প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলামের জাগরণের তুলনা করো।
- নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা?
- ভারতবর্ষের ইতিহাসে ক্ষুদিরাম, মাস্টার দা সূর্যসেন'ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বিখ্যাত নাম। বৃটিশদের অত্যাচার থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করার মানসে নিজেদের বিপ্লবী হিসেবে গড়ে তোলেন। তাঁরা বৃটিশ শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও বিপ্লবের ঝান্ডা উড়িয়ে তাদের ভিত্তি প্রকম্পিত করেন।'বিদ্রোহী' কবিতায় কাজী নজরুল ইসলামের যে আমি সত্তার পরিচয় পাওয়া যায় তা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। উক্তিটির যথার্থতা উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার আলোকে মূল্যায়ন কর।
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাশরী আর হাতে রণ-তূর্য'- পঙক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- আমি যুগে যুগে । আসি, আসিয়াছি পুনঃমহাবিপ্লব হেতুএই স্রষ্টার শনি মহাকাল ধূমকেতু।সাত সাতশ নরকজ্বালা জ্বলে মম ললাটে।মম ধূম-কুণ্ডলী করেছে শিবের ত্রিনয়ন ঘন ঘোলাটে।আমি স্রষ্টার বুকে সৃষ্টি পাপের অনুতাপ-তাপ হাহাকার আর মর্ত্যে সাহারা-গোবি ছাপ আমি অশিব তিক্ত অভিশাপ।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী ‘ক’ কোন ধরনের বর্ণ?