রুমী চাপা আনন্দ আর উত্তেজনায় ফিসফিস করে বলল, "আম্মা আমরা একটা অ্যাকশন করে এলাম, এই মাত্র সাত আটটা খান সেনা মেরে এসেছি।" আম্মার মুখ হাঁ হয়ে গেল, বলিস কী রে? আনন্দ ডগমগ গলায় কাজী বলল, হা চাচি ১৮ নম্বর রোডে......... মিলিটারির জিপ পিছু নিয়েছিল, তাই দেখে রুমী গাড়ির পেছনের কাছ থেকে গুলি চালায়...... জিপ উল্টে সবগুলো মরেছে।
উদ্দীপকের 'রুমী' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? ব্যাখ্যা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- তালেব মাস্টার অত্যন্ত ভীতু প্রকৃতির একজন মানুষ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের জন্য তার দাদার ফাঁসি হয়। সেই দাদার একজোড়া বুট এখনো তাদের আলমারিতে রক্ষিত আছে। মাঝে মাঝে সে বুটজোড়া পায়ে দেন মাস্টার। শরীরে সাহস সঞ্চার হয়, শরীরে আলাদা একটা উত্তেজনা অনুভব করেন। মুক্তিযোদ্ধারা ব্রিজ-কালভার্ট উড়িয়ে দিয়েছে, মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগসাজশ আছে ভেবে পাকিস্তানিরা তাকে গ্রেফতার করে। তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চলে। কিন্তু পায়ে থাকা দাদার বুটজোড়া তাকে সাহসী করে তোলে। দেশপ্রেম তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। তাঁর মুখ থেকে একটি শব্দও বের করতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তানি সেনারা।" 'রেইনকোট' গল্পে মুক্তিযোদ্ধা মিন্টুর রেইনকোট কোট আর উদ্দীপকে তালেব মাস্টারের দাদার বুটজোড়া অপরিসীম সাহস ও দেশপ্রেমকে প্রতিকায়িত করেছে।"- বিশ্লেষণ কর।
- 'টুপির তেজ কী পানিতেও লাগল নাকি?' ব্যাখ্যা করো।
- কোনটিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ রয়েছে?
- "চকচকে রোদ। সড়কের উত্তরে রাইফেল রেঞ্জের মধ্যে গামছা-পরা এক কিশোর তিন চারটে গরু খেদিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তার মাথায় ছালা বোঝাই ঘাস। কাঁধে লাঙল-জোয়াল। সম্ভবত সে মাঠ থেকে বাড়ি ফিরছে। 'মুক্তি। মুক্তি!' একজন সৈনিক চিৎকার করে ওঠে।'কাঁহা? কাঁহা?- অপরেরা প্রশ্ন করে।'ডাহনা তরফ দেখো।'কলিমুদ্দি দফাদার সবিনয়ে বলতে চায়, 'মুক্তি নেহি ক্যাপ্টেন সাব, উয়ো রাখাল হ্যায়, মেরা চেনাজানা হ্যায়।' 'চুপরাও সালে কাফের কা বাচ্চা কাফের। মুক্তি, আলবৎ মুক্তি।' বলেই সকলে একসঙ্গে গুলি ছোড়ে। এলাকা কেঁপে ওঠে। ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে স্বাধীনতাযুদ্ধে এদেশের জনসাধারণের অবস্থা আলোচনা করো।
- এক কথায় প্রকাশ কর- বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে যে-
- "বাজারে মিলিটারি ঢোকার পর থেকেই কলিমদ্দি দফাদারের ওপর বোর্ড অফিস খোলার ভার পড়েছে। অপেক্ষাকৃত কমবয়স্ক চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান মিলিটারির ভয়ে পারতপক্ষে এদিকে আসেন না। মেম্বারগণও আত্মগোপন করেছেন। কিন্তু বোর্ড অফিস নিয়মিত খোলা রাখার হুকুম জারি আছে। কলিমদ্দি এ কাজ করার জন্য বাজারে আসে। খান সেনারা ওকেই ওদের অভিযানে সঙ্গী করে নেয়। সে সরকারি লোক, নিয়মিত নামাজ পড়ে এবং যা হুকুম তা পালন করে। সুতরাং সন্দেহের কারণ নেই।" তাই এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পাক-ক্যাম্পের খবর মুক্তি বাহিনীর নিকট সরবরাহ করাসহ পাকিস্তানি হানাদারদের বিপথে চালিত করতে পারে কলিমদ্দি। 'রেইনকোট' গল্পে বর্ণিত কলেজের পরিস্থিতির সাথে উদ্দীপকের বোর্ড অফিসের পরিস্থিতির তুলনা করো।
- ‘সৃষ্টি’-র বিপরীত শব্দ-
- ‘রেইনকোট’ গল্পের কথক-
- রেডিও-টিভিতে বিখ্যাত ও পদস্থ ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে প্রোগ্রাম করিয়েও কর্তাদের তেমন সুবিধা হচ্ছে না বোধ হয়। তাই এখন বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীদের ধরে ধরে তাদের দিয়ে খবরের কাগজে বিবৃতি দেওয়ানের কূটকৌশল শুরু হয়েছে। আজকের কাগজে ৫৫ জন বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীর নাম দিয়ে এক বিবৃতি বেরিয়েছে। এঁদের মধ্যে কেউ কেউ সানন্দে ও সাগ্রহে সই দিলেও বেশির ভাগ বুদ্ধিজীবী ও শিল্পী যে বেয়নেটের মুখে সই দিতে বাধ্য হয়েছেন, তাতে আমার কোনো সন্দেহ নেই।"উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের একটি খন্ডচিত্র মাত্র।"- উক্তিটির সত্যতা যাচাই করো।
- ‘একটা জিপ উড়াইয়া দিছে, কমপক্ষে পাঁচটা খানসেনাখতম।' তথ্যটি 'রেইনকোট গল্পের কোন চরিত্রেরমাধ্যমে জানা যায়?
- ’অপচয়’ শব্দটির বিপরীত শব্দ কোনটি?
- সাদবীন একটি স্কুলে মালীর কাজ করে। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজমান। হঠাৎ রাতে তার বাড়িতে আশ্রয় নেয় দূরসম্পর্কের এক আত্মীয়। পরে জানতে পারে সে ছিল একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা। ভুলক্রমে তার একটি অস্ত্র ফেলে ভোররাতে সে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রটি হাতে নিলে সাদবীনের ভিতরে দ্রোহের ভাব লক্ষ করে। কাউকে কিছু না জানিয়ে সে যুদ্ধে চলে যায় দেশ স্বাধীন করার জন্য।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- মেডিকেলের সামনে দিয়ে প্রতিদিনের মতো কর্মস্থলেযাচ্ছিল সদাগরি অফিসের কনিষ্ঠ কেরানি মঞ্জু; হঠাৎ মিছিলআর গুলির শব্দ। ভাষা আন্দোলনকারীদের সাথে মঞ্জুরওপরও বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পুলিশ বাহিনী। তারপরথেকে মঞ্জুও হয়ে ওঠে ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী |উদ্দীপকের মঞ্জু ও 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদার চারিত্রিক ঐক্য—
- অযুত প্রাণের অগ্নিশিখায় সূর্য-কুঁড়িফৌজের হাঁকে কাঁপে থরথর দস্যুপুরী,নিমেষে ছড়ায়-তারই আওয়াজ দিগন্তরেমনে কি পড়ে?অযুত প্রাণের অগ্নিশিখার সূর্য-কুঁড়ি বলতে কী বোঝানো হয়েছে? 'রেইনকোট' গল্পের আঙ্গিকে আলোচনা করো।
- ১০ মার্চ, ১৯৭১। রাস্তায় রাস্তায় পাকিস্তানি মিলিটারি। গুয়াতলী গ্রামের হিন্দু জনগোষ্ঠী ভয়ে ভারতে পাড়ি জমায়। শুধু ভিটে আঁকড়ে পড়ে থাকে কেষ্টবাবু। পাশের গ্রামে, ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প। স্থানীয় রাজাকার কাশেম মোড়ল কেষ্টবাবুকে সন্দেহের চোখে দেখে। সে মনে করে কেষ্টবাবু মুক্তি বাহিনীর লোক। এক বৃষ্টিমুখর দিনে গুয়াতলী গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করে এবং কাশেম মোড়লের ইশারায় হানাদার বাহিনী তাকে ধরে নিয়ে পার্শ্ববর্তী রাস্তার পাশে জীবন্ত পুঁতে রেখে চলে যায়।উদ্দীপকের কেষ্টবাবু 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রকে স্মরণ করিয়ে দেয়? বুঝিয়ে দাও।
- ‘রেইনকোট' গল্পে রেইনকোটটি কীসের প্রতীক?
- সাদবীন একটি স্কুলে মালীর কাজ করে। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজমান। হঠাৎ রাতে তার বাড়িতে আশ্রয় নেয় দূরসম্পর্কের এক আত্মীয়। পরে জানতে পারে সে ছিল একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা। ভুলক্রমে তার একটি অস্ত্র ফেলে ভোররাতে সে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রটি হাতে নিলে সাদবীনের ভিতরে দ্রোহের ভাব লক্ষ করে। কাউকে কিছু না জানিয়ে সে যুদ্ধে চলে যায় দেশ স্বাধীন করার জন্য।'সাদবীনদের 'দ্রোহ চেতনা স্বাধীনতা অর্জনের অন্যতম কারণ।'- উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- কোন বানানটি শুদ্ধ নয়?
- কোন শব্দগুচ্ছে অশুদ্ধ বানান আছে?
- "রেইনকোট" গল্পের প্রেক্ষাপট কী?