‘নেমেসিস’ নাটকে নূরুল মোমেন কোন বিষয়কে তুলে ধরেছেন?
A. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
B. ঊনপঞ্চাশের মন্বন্তর
C. বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
D. একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ
সঠিক উত্তরঃ
B.
ঊনপঞ্চাশের মন্বন্তর
Explanation: বিশিষ্ট নাট্যকার নূরুল মোমেন (১৯০৬-১৯৮৯) তার কর্মজীবনে সমাজের নানা সমস্যা তার সাহিত্যকর্মে তুলে ধরেছেন। সামাজিক সংকটের পটভূমিকায় অন্তর্দ্বন্দ্বমূলক নাট্য-চরিত্র অংকন করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। ‘নেমেসিস’ (১৯৪৮), ‘রূপান্তর’ (১৯৪৭), ‘আলোছায়া’ (১৯৬২) ইত্যাদি তার এরূপ কিছু নাটক। ‘নেমেসিস’ নাটকে তিনি ঊনপঞ্চাশের মন্বন্তরকে বাস্তবতার নিরিখে ফুটিয়ে তুলেছেন।
Related Questions (Any University/Year)
- ১৯৭১ সালে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ আর লাখো শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের পথ চলায় পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী ছাড়াও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল এদেশীয় রাজাকার শ্রেণি। গণহত্যা, লুট, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ নানা ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডে শামিল হয় তারা। কিন্তু এদেশের স্বাধীনতার জয়যাত্রায় কোনোভাবেই তারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এদেশের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এদেশে স্বাধীন হয়েছে।"বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ রাজাকারদের বিরুদ্ধে জেগে উঠলেও সিরাজউদ্দৌলার প্রজারা মীরজাফরদের বিরুদ্ধে জেগে ওঠেনি"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'শুভকাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।' ব্যাখ্যা কর।
- বোঝা যত দূর্বহই হোক , তা একাই বইবার চেষ্টা করিব - উক্তিটি কার?
- সৈয়দপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তার নিকটাত্মীয় মনির একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। কেউই মনিরকে বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে নিতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে একদিন মনির রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে ধরিয়ে দেয় পাক বাহিনীর হাতে।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ওয়ালি খানের "বাঙালি কাপুরুষ নয়" সংলাপে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- সিরাজের কোন অমাত্য নিরীশ্বরবাদী জৈন ধর্মেরঅনুসারী ছিলেন?
- মিরমর্দান ছিলেন—
- আকবর সাহেবের কুপুত্র তানভীরকে পারিবারিক ব্যাবসারভাগ না দিয়ে আকমল সাহেবের ছেলে ইমরানকে ব্যাবসারএকচ্ছত্র কর্ণধার করে যান দাদা আশরাফউদ্দিন। এ নিয়েইআকবর সাহেব ভ্রাতুষ্পুত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন ।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে দিকের সাথেসঙ্গতিপূর্ণ—
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার পূর্ণ নাম কী?
- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশীয় দোসরদের সহায়তায় আমাদের দেশে ব্যাপক নির্যাতনচালায় । অসংখ্য মানুষের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। মা-বোনদেরসম্মানহানি করে এবং ব্যাপক গণহত্যা চালায় ।হানাদার বাহিনীর অত্যাচার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- শোনা যায়, তিস্তাপাড়ে এখন আর ফসলি জমি নেই। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জমিতে মেশিন বসিয়ে উত্তোলন করে নিচ্ছে ভূগর্ভস্থ পাথর। এই অঞ্চলে ফসলের তুলনায় পাথরের মূল্য বেশি। দিনে দিনে মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলাকার সচেতন জনগোষ্ঠী দেশের স্বার্থে এতে বাধা দিলে তারা সাময়িকভাবে পাথর উত্তোলন-বদ্ধ রাখে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তিনটি মেশিন বসানোর অনুমতি নিয়ে বাস্তবে তিনশত মেশিন বসিয়ে আবার পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এতে যেমন ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন, তেমনি নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ব্যবসায়ীদের তাতে কিছু যায়-আসে না, অধিক মুনাফা অর্জনই যেন তাদের লক্ষ্য। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো শোনা যাবে, মাটির নিচে তলিয়ে গেছে তিস্তাপাড়ের বিশাল জনপদ।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের অসাধু ব্যবসায়ী আর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজ বেনিয়াদের চরিত্র অভিন্ন"- এই বিষয়ে তোমার অভিমত আলোচনা করো।
- রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া মিঠুকে এনে নিজের সন্তানের মতোলেখাপড়া শেখান নিয়াজের মা। বিয়ে দিয়ে সংসারও সাজিয়েদেন তিনি। অথচ ব্যাবসা-সংক্রান্ত বিষয়ে সামান্য কথাকাটাকাটির জের ধরে নিয়াজকে নিমর্মভাবে হত্যা করে মিঠু। উদ্দীপকে মিঠু চরিত্রটি নিচের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্বকরে?
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- 'আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই'- উক্তিটি কে, কখন এবং কাকে করেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার পিতার নাম-
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম সংলাপটি কার?
- ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা’ - সংলাপটি কার?
- নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন শকুন নেমে আসে এই সোনার বাংলায়নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমার দেশ ছেয়ে যায় দালালেরই আলখাল্লায়; নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমার স্বপ্ন লুট হয়ে যায়;নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমার কণ্ঠ বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়;নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়।যখন আমারই দেশে আমার এ দেহ থেকে রক্ত ঝরে যায়ইতিহাসে, প্রতিটি পৃষ্ঠায়।(নূরলদীনের কতা মনে পড়ে যায়- সৈয়দ শামসুল হক)"উদ্দীপকের 'দেশ ছেয়ে যায় দালালেরই আলখাল্লায়' কথাটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্ষেত্রেও নির্মম সত্য হয়ে দেখা দিয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘উই হ্যাভ কাম টু আর্ন মানি অ্যান্ড নট টু গেট ইন টু পলিটিক্স ।’ সিরাজউদ্দৌলা নাটকের এই সংলাপ উচ্চারণ করেছে-
- 'এতক্ষণে-অরিন্দম কহিলা বিষাদে-'জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিলরক্ষঃপুরে। হায়, তাত, উচিত কি তবএ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভকুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী।নিজ গৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?'উদ্দীপকের 'তাত' চরিত্রের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সমগোত্রীয় চরিত্রের সাদৃশ্য বিচার করো।