রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পগুলো বেশির ভাগ কোথায় রচিত?
A. উত্তরবঙ্গ
B. দক্ষিণবঙ্গ
C. পূর্ববঙ্গ
D. পশ্চিমবঙ্গ
সঠিক উত্তরঃ
C.
পূর্ববঙ্গ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘আমি এ কথা, এ ব্যথা, সুখব্যাকুলতা কাহার চরণতলে দিব নিছনি’– রবীন্দ্রনাথের এ গানে ‘নিছনি’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ‘তবে চলুন আপনাদের গাড়ি বলিয়া দিই'— উক্তিটিতেপ্রকাশ পেয়েছে শম্ভুনাথ বাবুর-
- মানাকে অনুপম তার ভাগ্য দেবতার এজেন্ট বলেছিল কেন?
- 'মন্দ নয় হে। খাঁটি সোনা বটে।' কার উক্তি?
- ‘ছিন্নপত্রে’র অধিকাংশ পত্র কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা?
- রতন' চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পের চরিত্র ?
- ‘আমার কন্যার গহনা আমি চুরি করিব এ কথা যারা মনে করে তাদের হাতে আমি কন্যা দিতে পারিনা।’ উক্তিটি কে করেছিলেন?
- বিনুদাদা অনুপমের কেমন ভাই?
- কোনো যৌতুক না চাইলেও বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরার সময় গাড়িবোঝাই উপহার দেখে আজাদ সাহেব অবাক হয়ে গেলেন। তিনি মেয়ের বাবাকে বলেন, আমরা উপহার বা যৌতুক নিতে আসেনি, আমার ছেলের জন্য শুধু আপনার মেয়েকে নিতে এসেছি।উদ্দীপকের আজাদ সাহেবের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের বৈসাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি তুলনা করো।
- 'সে নিজের চারদিকের সকলের চেয়ে অধিক—রজনীগন্ধার শুভ্র মঞ্জরির মতো সরল বৃন্তটির উপরেদাঁড়াইয়া, যে গাছে ফুটিয়াছে সে গাছকে সে একেবারেঅতিক্রম করিয়া উঠিয়াছে'— কে?
- কোন্নগরের অবস্থান কোথায়?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা?
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীকে আশীর্বাদ করতে যায় -
- আর্থিকভাবে সচ্ছল পরিবারের শিক্ষিত ছেলে কৌশিকের মা-বাবা তার মতামত না নিয়েই সুরবালার সঙ্গে বিয়ে ঠিক করে। সুরবালার বাবার অঢেল সম্পদ। গোপনে ঘটকের মধ্যস্থতায় এ বিয়েতে বরপক্ষকে নগদ টাকা, গাড়ি এবং ঢাকার অভিজাত এলাকায় একটি ফ্ল্যাট দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যৌতুকের বিষয়টি জানতে পেরে কৌশিক ও সুরবালা বেঁকে বসে এবং সম্পূর্ণ যৌতুকবিহীনভাবে পরস্পর বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়।উদ্দীপকের কৌশিকের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের তুলনা করো।
- ‘নেকলেস' গল্পে মাদাম লোইসেলের ধার-দেনা পরিশোধ করতে কত বছর লেগেছিল?
- 'রক্ত করবী’--কে রচনা করেন?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিস্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয়ে মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।'উদ্দীপকে বর্ণিত মাতৃস্নেহের আধিক্যে অনুপম চরিত্রের- বিকাশ ব্যাহত হয়েছে ঠিকই কিন্তু গল্পের পরিণতিতে বৃত্তভাঙা ভিন্ন এক ব্যক্তি হিসেবে তাকে পাওয়া যায়।'- মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ যাচাই করো।
- 'ধনীর কন্যা তাঁর পছন্দ নয়।'- কার এবং কেন? ব্যাখ্যা করো।
- তাহার প্রার্থনা শুনিয়া আমি বলিলাম, না না আপনি এক মুহূর্তের জন্যও প্রাণনাশের আশঙ্কা করিবেন না; আপনি এই মুহূর্তে হইতে স্বাধীন; এই বলিয়া পথের স্বরূপ, সহস্র স্বর্ণমুদ্রার একটি থলি তাহার হস্তে দিয়া বলিলাম, আপনি অবিলম্বে প্রস্থান করুন এবং স্নেহাস্পদ পরিবারবর্গের সঙ্গে মিলিত হইয়া সংসার যাত্রা করুন। আপনাকে ছাড়িয়া দিলাম। এ জন্য আমার উপর খলিফার মর্মান্তিক ক্রোধ ও দ্বেষ জন্মিবে, তাহাতে সন্দেহ নাই। কিন্তু যদি আপনার প্রাণ রক্ষা করিতে পারি, তাহা হইলে সে জন্য অণুমাত্র দুঃখিত হইব না। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোন চরিত্র উদ্দীপকের বক্তার বিপরীতধর্মী আচরণ করেছে? তা ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা?