কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা?1
A. চতুরঙ্গ
B. চতুর্দশ
C. চতুষ্কোণ
D. চতুষ্পাঠী
সঠিক উত্তরঃ
A.
চতুরঙ্গ
Explanation: ‘চতুরঙ্গ’ (১৯১৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। এছাড়া রবীন্দ্রনাথের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস : চোখের বালি, ঘরে বাইরে, শেষের কবিতা, চার অধ্যায়, গোরা।
Related Questions (Any University/Year)
- . 'তবু ইহার বিশেষ মূল্য আছে'- এখানে মূল্য বলতে বেঝোনো হয়েছে-
- রবীন্দ্রনাথ কোন সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
- এ বছর রবীন্দ্রনাথের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির কত বছর পূর্ণ হল?
- 'দেখি মেয়ের বিয়ে দেন কেমন করিয়া'- কথাটি কেন বলা হয়েছে?
- 'পদ্মরাগ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সিদ্দিকা। ব্যারিস্টার লতিফ আলমাসের সঙ্গে তার বিয়ের কথা পাকা হয়। লফিতের চাচার ছিল সম্পদের লোভ কিন্তু সিদ্দিকার বড় ভাই সোলেমান তার বোনকে সম্পত্তি লিখে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। তাই চাচা লতিফ আলমাসকে অন্য এক বিত্তশালী বিধবার কন্যার সঙ্গে বিয়ে দেন। অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনার পর সিদ্দিকার সঙ্গে লতিফের যখন দেখা হয় তখন বিপত্নীক লতিফ সিদ্দিকাকে পুনরায় বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সিদ্দিকা সবকিছু জানার পর লতিফকে ক্ষমা করে কিন্তু সংসার করার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। কারণ ততদিনে সে নারী মুক্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত হয়ে জীবনের উদ্দেশ্যকে বদলে ফেলেছে।উদ্দীপকের চাচার সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রটি তুলনীয়?-আলোচনা কর।
- অফিস থেকে ফেরার পথে রাশেদ বাসে দীর্ঘদিন পর দেখতে পেল রাবেয়াকে। মনে পড়ল রাবেয়ার সাথে তার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পর হঠাৎ রাশেদের বাবা মোটা অংকের যৌতুক দাবি করে বসে মেয়ের বাবার কাছে। উচ্চশিক্ষিত সুদর্শন পুত্রের জন্য এটা নাকি তার ন্যায্য দাবি। রাবেয়ার বাবার যথেষ্ট সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তিনি রাজি হলেন না যৌতুক দিতে। ক্ষোভে অপমানে তৎক্ষণাৎ ভেঙে দেন বিয়ে। ক্ষুব্ধ রাবেয়াও সমর্থন করে বাবাকে। বিয়ে ভেঙে গেলেও রাবেয়া থেমে থাকেনি। এক ব্যাংকারকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছে। চাকরি করছে একটা কলেজে।"উদ্দীপকের রাবেয়া 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী চরিত্রকে সম্পূর্ণভাবে ধারণ করে না"- স্বীকার কর কী? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- দিয়ে কল্যাণীয় গহনা পরীক্ষার কারণ- গহনার পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া শম্ভুনাথ সেনের প্রতি অবিশ্বাস গহনা আসল কিনা যাচাই করা নিচের কোনটি সঠিক?
- 'যাহা লয়ে ছিনু ভুলে'- এ চরণে কী ফুটে উঠেছে?
- নাট্যকার হেনরিক ইবসেন তাঁর 'নোরা' নাটকে পুরুষশাসিত সমাজের সাথে নারী ব্যক্তিত্বের সংঘর্ষ তুলে ধরেছেন সুচারুরূপে। এ নাটকে তিনি দেখিয়েছেন ক্ষুদ্র গৃহকোণে অবস্থান করে সংসার করাই নারীর একমাত্র কর্ম নয়। অন্তত তাঁর নায়িকা নোরা চায় বৃহত্তর সমাজজীবনের মধ্যে বিকাশ ও প্রতিষ্ঠা।উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে-
- 'অপরাজিতা' গল্পে কল্যাণীর বাবার নাম কি ?
- বিসর্জন' নাটকটি কে রচনা করেছেন?
- পুরুষতন্ত্রের অমানবিকতার স্ফুরণ ঘটেছে কোন গল্পে?
- ‘অপর্ণা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটকের নায়িকা?
- স্বাতী সুশিক্ষিত ও আত্মনির্ভরশীল নারী। বিয়ের পর শ্বশুরও শাশুড়ির চাপে চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়। শ্বশুর-শাশুড়িরধারণা চাকরিজীবী বউ অহংকারী হয়। তারা সংসারের প্রতিদায়িত্বশীল নয় । উদ্দীপকের শ্বশুর-শাশুড়ির মানসিকতার সাথে'অপরিচিতা' গল্পের কোন উক্তিটির মিল রয়েছে?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শওকতজঙ্গের প্রকৃতি— অকর্মণ্যক্ষমতানির্লিপ্তমদাসক্তনিচের কোনটি সঠিক?
- 'অপরিচিতা' গল্পটি প্রথম প্রকাশ পায় কোন পত্রিকায়?
- 'এককালে ইহাদের বংশে লক্ষ্মীর মঙ্গলঘট ভরা ছিল।' উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- "ধান যার বসুন্ধরা তার " - উক্তিটি কার?
- ‘সঞ্চয়িতা’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- 'একে তো বরের হাট মহার্ঘ, তাহার পরে ধনুক-ভাঙা পণ'- এই কথার অর্থ বুঝিয়ে দাও।