১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাঙামাটির 'বুড়িরঘাট' যুদ্ধে শত্রুপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের কাছাকাছি চলে আসে। সহযোদ্ধাদের অপ্রস্তুতির বিষয়টি টের পেয়ে মুন্সি আবদুর রউফ মেশিনগানের গুলি চালিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে সহযোদ্ধারা প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করার প্রাক্কালে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ। পরাস্ত হয় শত্রুপক্ষ।
উদ্দীপকের বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে যুদ্ধক্ষেত্রে মোহনলালের ভূমিকার তুলনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- স্বার্থপর ক্লডিয়াস রানির সাথে হাত মিলিয়ে রাজা হ্যামলেটকে হত্যা করে।উদ্দীপকটি নিচের কোন চরিত্রের সাথে অধিকতর সাদৃশ্যপূর্ণ?
- প্রাচীন গ্রিস প্রজাতন্ত্রী নগররাষ্ট্র ছিল। 'জুলিয়াস সিজার একজন সফল সেনাপ্রধান ছিলেন। কালক্রমে জুলিয়াস সিজার একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। তাঁর এ নীতির সমর্থন দেন তাঁর স্নেহভাজন ব্রুটাস। পরবর্তীতে সিনেটররা রাষ্ট্রের কল্যাণার্থে সিজারকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেন। ব্রুটাস তখন ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে যোগ দেন। নিরস্ত্র সিজারকে সিনেটররা একের পর এক ছুরিকাঘাত করতে থাকে। যখন ত??ঁর প্রিয় ব্রুটাস তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন তখন সিজার হতবাক হয়ে বলে, Et tu, Brue অর্থ: ও ব্রুটাস তুমিও?উদ্দীপকে জুলিয়াস সিজারের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে এবং কিভাবে? আলোচনা করো।
- "শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়" কে কী প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
- ’কেউ এক চুল নড়লে প্রাণ যাবে।’ সংলাপটি কার?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পটভূমিগত সাদৃশ্য কতটুকু বিশ্লেষণ করো।
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন— এ বড়লজ্জার কথা'— উক্তিটি কার?
- তাই আজ হে স্বদেশ, হে জনতা, হাতিয়ার ধরো। শত্রুর শিবিরে আজ জোট বেঁধে প্রত্যেকেই পদাঘাত করো।উক্ত সাদৃশ্যের অন্তর্নিহিত কারণ- বাঙালির প্রতি সিরাজের আহ্বান ইংরেজদের সাথে যুদ্ধ ঘোষণাইংরেজদের প্রত্যক্ষভাবে হুমকি দেওয়ানিচের কোনটি সঠিক?
- দিল্লির সুলতান ইলতুৎমিশ তাঁর কন্যা রাজিয়া সুলতানাকে প্রাণাধিক ভালোবাসতেন। কোনো প্রয়োজনে যখন সুলতান ইলতুৎমিশকে রাজধানী ছাড়তে হতো, তিনি তখন তার কন্যা দক্ষ সেনাপতি ও প্রশাসক রাজিয়াকে শাসনভার বুঝিয়ে দিয়ে যেতেন। পুত্র বর্তমান থাকা সত্ত্বেও সুলতান তার কন্যা রাজিয়াকে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত করেন। এতে রাজিয়ার ভাইয়েরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বহিরাগত শত্রুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজিয়াকে হত্যা করে।'সুলতানা রাজিয়া ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরিণাম একসূত্রে গাঁথা।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।
- রুনু ও ঝুনু দু'বোন। রুনুর দুই সন্তান। ঝুনুর কোনো সন্তান নেই। তাই ঝুনু রুনুর সন্তানদের মাতৃস্নেহে বড় করে। কিন্তু এ স্নেহ বেশিদিন স্থায়ী লাভ করে না। কারণ রুনু-ঝুনুর বাবা তাঁর সমস্ত সম্পত্তি রুনুর দুই সন্তানকে উইল করে দেন। এতে ঝুনু মনঃকষ্ট নিয়ে বলে, আগে জানলে রুনুর সন্তানদের ছোটবেলায় মেরে ফেলতাম।উদ্দীপকের ঝুনুর সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল আছে? বুঝিয়ে লেখো।
- ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- 'কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলাকে কে হত্যা করেন?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- পারফেক্ট স্কাউন্ডেল বলা হয়েছে কাকে?
- 'শুভকাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।' ব্যাখ্যা কর।
- নেপাল ও গোপাল দুই ভাই। জমি নিয়ে বিরোধ তাদের দীর্ঘদিন। অনেক সালিশ-বিচার করেও কেউ তাদের বিরোধ মেটাতে পারেনি। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এখন জমির ভাগ বণ্টন নিয়ে মামলা চলছে আদালতে। ছোটো ভাই নেপাল বড়ো ভাইকে শায়েস্তা করতে আব্দুল নামে এক মুসলমানের কাছে ভিটের জমির এক অংশ বিক্রি করে। আব্দুল সেখানে বাড়ি বানিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। কোরবানির ঈদে সে নেপালের বাড়ির সামনে গোরু কোরবানি দেয়। এই ঘটনায় নেপালের মন ভেঙে যায়। কিছুদিন পর কাউকে কিছু না বলে জমি-জায়গা ফেলে সপরিবার ভারতে চলে যায় সে।উদ্দীপকের 'নেপাল' চরিত্রের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'মিরজাফর' চরিত্রের তুলনা করো।
- ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোধেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।"উদ্দীপকের শেষ দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক।"- উক্তিটির যথার্থতা প্রতিষ্ঠা করো।
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'শাজাহান।' পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট শাহজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটিকে শ্রেষ্ঠ ট্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট শাহজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'শাজাহান।'বিষয়বস্তুর দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার পূর্ণ নাম কী?