ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণের প্রাক্কালে ইংরেজ
বাহিনী সাদা নিশান উড়ায় কেন?
A.
আক্রমণ তীব্র করার জন্য
B.
যুদ্ধবিরতির জন্য
C.
সন্ধি স্থাপনের জন্য
D.
বিজয় প্রকাশের জন্য
সঠিক উত্তরঃ
C.
সন্ধি স্থাপনের জন্য
Explanation:
পরাজয় আসন্ন জেনে নিজেদের জীবন বাঁচাতে দূর্গ আক্রমণ করার পূর্বেই উমিচাঁদের বুদ্ধি অনুসারে ইংরেজ বাহিনী সাদা নিশান উড়িয়েছিল।
Related Questions (Any University/Year)
- 'তার নবাব হওয়াটাই আমার মস্ত ক্ষতি।'- ঘসেটি বেগমের এ উক্তির কারণ কী?
- 'মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন সেনাপতি'- এখানে সেনাপতির নাম কী?
- একরাতে একদল অচেনা লোক রাহাত সাহেবের বাড়িতেআশ্রয় চায়। রাহাত সাহেব দয়াপরবশ হয়ে তাদের থাকা ওখাওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু মধ্যরাতে সেই অচেনালোকেরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে টাকা-পয়সা ও মূল্যবানজিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায় ।উদ্দীপকের আগন্তুকরা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কাদেরসাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'নেমেসিস' নাটক যে বিষয়ের উপর লেখা সেটি হল-
- 'শুভ কাজে অথবা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়'- উক্তিটি
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।'- উক্তিটি কার?
- 'সিরাজউদ্দৌলা এখন কয়েদি, ওয়ার ক্রিমিনাল'- উক্তিটি কার?
- "এতক্ষণে"-অরিন্দম কহিলা বিষাদেজানিনু কেমনে আমি লক্ষণ পশিলরক্ষঃপুরে হায়, তাত উচিত কি তবএ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভনিতকুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসবাবিজয়ী।নিজগৃহপত্র, আত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আমি রাজার আলয়ে?"উদ্দীপকের তস্কর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- সম্রাট আকবরের সভাসদ ছিলেন আবুল ফজল। সম্রাট সাম্রাজ্য পরিচালনার সব বিষয়েই তার সভাসদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। একবার পারস্য সম্রাট আবুল ফজলকে প্রস্তাব দেন যে, 'সে'যদি ভারতবর্ষের নানা গোপনীয় তথ্য পারস্যে পাচার করে, তাহলে তাকে অনেক ধনসম্পদ দেওয়া হবে। আবুল ফজল ঘৃণাভরে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, আমি আমৃত্যু ভারত সম্রাটের হয়ে কাজ করব।উদ্দীপকের আবুল ফজলের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের অমিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- রক্ত ঝরেঅগ্নির মতো বাঁশের কেল্লা বেদির পরেরক্ত ঝরাই ফাঁসির মঞ্চে দীপান্তরেঝরেছে সকল রক্ত। এখন কখানা হাড়েঝকঝক করে তীব্র তীক্ষ্ণ বর্শা-ফলানতুন দস্যু আসে যদি, দেশ দেবো না তারেইস্পাত হাড়ে গড়েছি বজ্র বহ্নি-জ্বালা।"নতুন দস্যু আসে যদি, দেশ দেবো না তারে"- উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের দেশপ্রেম আলোচনা কর।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' - নাটকে প্রধান গুপ্তচরের নাম কি?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজউদ্দৌলার উপস্থিতিআছে কয়টি দৃশ্যে?
- ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা’ - সংলাপটি কার?
- সিরাজউদ্দৌলাকে কোথায় বন্দি করা হয়?
- 'ভিক্টরি অর ডেথ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- মিরজাফর উমিচাঁদকে কালকেউটে বলেছে কেন?
- সিরাজউদ্দৌলা কাকে কলকাতার দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- শাহীন গ্রামে প্রতিবেশীর বাড়িতে চুরি করে ধরা পড়ে। মা-বাবা সম্মান বাঁচাতে ছেলেকে মামাবাড়ি পাঠিয়ে দেয়। সেখানে কিছুদিন থাকার পর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। মামার ঘরের ছোট ছোট দামি জিনিসপত্র হারাতে থাকে। প্রথমত তারা কাজের মেয়েকেই সন্দেহ করে। কিন্তু মেয়ের জন্মদিনের উপহার হারিয়ে গেলে তা পাওয়া যায় শাহীনের ঘরের আলমারির মধ্যে তালাবদ্ধ অবস্থায়। তখন মুখোশ খুলে যায় শাহীনের। মামাবাড়ি থেকে সে বিতাড়িত হয়।'শাহীন কিংবা লর্ড ক্লাইভের মতো মানুষের অভাব সমাজে নেই'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রকাশকাল কত?
- ধণাঢ্য ব্যাসায়ী ফিরোজ আহমেদ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। শুধু তা-ই নয় প্রাণ হারানোর ভয়ে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের দিয়ে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ফিরোজ আহমেদের স্ত্রী সায়মা স্বামীর এই দুরবস্থার কারণে সব সময় সঙ্গে সঙ্গে থাকেন। শোকে যন্ত্রণায় কাতর ফিরোজ বছর দুই পরেই মৃত্যুবরণ করে। স্বামীর মৃত্যুর পরে সায়মা তার স্মৃতি নিয়ে একাকী জীবন কাটান। ফিরোজ আহমেদর চাচাতো ভাই ফরিদ সায়মাকে বিয়ে করার অনেক চেষ্টা করেও বিফল হয়।উদ্দীপকের সায়মা, সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে তা আলোচনা করো।