“বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ” গ্রন্হের রচয়িতা কে?
A. বিনয় ঘোষ
B. সুবিনয় ঘোষ
C. বিনয় ভট্টাচার্য
D. বিনয় বর্মণ
সঠিক উত্তরঃ
A.
বিনয় ঘোষ
Explanation: বিনয় ঘোষ বিশ শতকের একজন বাঙালি সমাজবিজ্ঞানী, সাহিত্য সমালোচক, সাহিত্যিক, লোকসংস্কৃতি সাধক, চিন্তাবিদ ও গবেষক। ইতিহাস ও রাজনীতি সম্পর্কিত পর্যালোচনায় বিশেষ কৃতিত্বের অধিকারী। তিনি “বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ” গ্রন্হটির রচয়িতা। এ গ্রন্হটি ৩টি খণ্ডে প্রকাশিত হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- 'চমকে উঠে উভয়েই তাকালাম ওর দিকে।' বাক্যটির রচয়িতা
- নয়নপুর গ্রামের ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকরা পূর্বে একবেলামাঠে কাজ করত, একবেলা রিকশা চালাত। এখন তারাএক বেলা অটোকিশা চালায়, আরেক বেলা চায়েরদোকানে আড্ডা দেয়। তাদের বাহ্যিক আচরণ দেখেউন্নত মনে হলেও গ্রামের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থাপূর্বের মতোই শোচনীয় রয়ে গেছে। গ্রাম্য মাতব্বরজব্বার মিয়া বিষয়টি সবাইকে বুঝালেন। উদ্দীপকের জব্বার মিয়া 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।"উদ্দীপকে বিধৃত 'কীত্তনখোলা' নাটকে নাট্যকারের যে কীর্তি তা-ই অন্বিষ্ট ছিল 'ঐকতান' কবিতার কবির।"- আলোচনা করো।
- দীপ্ত সম্প্রতি তার বড়ো ভাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দর্শন করে আসে। জাদুঘরে গিয়ে সে প্রচুর আনন্দ লাভ করে। জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থেকে জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে অনেক জ্ঞান অর্জন করে। সভ্যতা বিকাশের নানা নিদর্শন ও তথ্যচিত্র দেখে সে চমৎকৃত হয়। এতে সে মানসিক শক্তি অর্জনের প্রেরণা খুঁজে পায়। জাদুঘর দর্শন তার ভেতরে দেশপ্রেম ও জাঁতির প্রতি দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দেয়। এখন সে নিজেকে চিনে ও জানে।উদ্দীপকের দীপ্তর অনুভূতির সঙ্গে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিকটির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
- 'এবার ফিরাও মোরে' কবিতায় রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিসত্তাকে আহ্বান করেছিলেন দারিদ্রপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের শক্তির উদ্বোধন ঘটাবার জন্য। তিনি এতে বলেছেন, যারা দরিদ্র, তারা বংশ পরম্পরায় দারিদ্র্যের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে। তাদের মুখের অন্ন কেউ কেড়ে নিলেও তারা থাকে মুক ও ভীতসন্ত্রস্ত। প্রতিবাদ করা তো দূরের কথা, সবিনয়ে নালিশের ভাষাও যেনো এদের নেই। স্বয়ং বিধাতাও যেনো এদের প্রতি বিমুখ। কবি বলেছেন যে এদের মুখে দিতে হবে ভাষা।উদ্দীপকে বর্ণিত কবির আহ্বান 'ঐকতান' কবিতায় কতটা প্রতিফলিত হয়েছে?
- বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম অগ্রনায়ক কে ছিলেন ?
- “এ সংসারে ক্ষীর, সর, দুগ্ধ, দধি, মৎস্য, মাংসসকলই তোমরা খাইবে” – এখানে'তোমরা' বলা হয়েছে—
- শেখ রাসেলকে নিয়ে শেখ হাসিনার লেখা বই কোনটি?
- সৌদামিনী মালাে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়েছে কোনটিকে?
- কথা না দেয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।' হৈমন্তী গল্পের উক্তিটি কার ?
- দরিদ্র বাবা-মা তাদের প্রথম সন্তানের নাম রাখেন সাজাহান। তাদের স্বপ্ন সাজাহান অনেক বড় হবে। কিন্তু আর্থিক অভাব ও শিক্ষা না থাকায় সাজাহান কিশোর বয়সেই কাজে নেমে পড়ে। পাশের গ্রামের কৃপণ ও ধনী আলম সাহেবের বাড়িতে সাজাহান কাজের লোক হিসেবে নিযুক্ত হয়। প্রতিদিন ঘরে ও বাইরে সমান পরিশ্রম করে সাজাহান। কিন্তু পরিশ্রম অনুযায়ী তাঁর ভাগ্যে খাবার জোটে না। একদিন বাজারের টাকা বাঁচিয়ে সাজাহান লাড্ডু কিনে খায়। কিন্তু টাকার হিসেব দিতে না পারায় আলম সাহেব তাকে নির্দয়ভাবে মারে। মনে ক্ষোভ নিয়েও সাজাহান সব সহ্য করে, কারণ সে জানে, সে গরীব-অসহায়।"উদ্দীপকটি 'বিড়াল' রচনার ভাবসত্যের যেন প্রতীকী রূপ।"- এ মত কতটা গ্রহণযোগ্য? মূল্যায়ন করো।
- আব্দুল মজিদ কাজ করতেন?
- কোন চরিত্রের মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলনের নাম-না-জানা শহীদের প্রতীকী মূর্তি গড়ে উঠেছে?
- ‘জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্য অনুযায়ী যারা প্রেমও সৌন্দর্যের স্পর্শ লাভ করেনি তাদের একমাত্রদেবতা কে?
- ”সাম্যবাদী” কবিতায় মানবের "মহাবেদনার ডাক" দ্বারা প্রকাশ পেয়েছে-
- ‘শিশুরাজ্যে এই মেয়েটি একটি ছোটখাট বর্গির উপদ্রব বলিলেই হয়।’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পের সংলাপ?
- “দুর্দিনের দিনলিপি” স্মৃতিগ্রন্থটি কার লেখা?
- সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের জন্মস্থান কোথায়?
- 'সাত ভায়া'গ্রামের উল্লেখ রয়েছে কোন রচনায়?
- 'বিড়াল' প্রবন্ধে পতিত আত্মা কে ?