‘আগুনের পরশমণি’ উপন্যাসের লেখক কে?
A. আলাউদ্দিন আল আজাদ
B. সেলিনা হােস??ন
C. শওকত ওসমান
D. হুমায়ুন আহমেদ
সঠিক উত্তরঃ
D.
হুমায়ুন আহমেদ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'কোন রোগীর চিকিৎসা করিতে হইলে প্রথমে রোগের অবস্থা জানা আবশ্যক।'- কোন গদ্য রচনার উক্তি ?
- ফরিদপুর জেলার ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে নকশিকাঁথা। কাঁথা সেলাই করে অনেকেই সচ্ছলতার মুখ দেখেছে। নারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে স্ব-উদ্যোগে নকশিকাঁথার দোকান পরিচালনা করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। শহরের অলিগলিতে আজ চোখে পড়ে অসংখ্য হস্তশিল্পের দোকান। দোকানের পণ্যগুলো দেশের বাজার ছাড়িয়ে বিদেশের বাজারেও স্থান করে নিচ্ছে। তাই এখন এ জেলার স্লোগান হচ্ছে। "ফরিদপুরের নকশিকাঁথা, বাংলাদেশের গর্বগাথা"।"চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকা যে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উদ্দীপকে তার সার্থক প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- ’কবর’ কবিতার বৃদ্ধ চাষী তার নাতনিকে বিয়ে দিয়েছিলেন :
- প্রমথ চৌধুরী কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- “সেইখানে শঙ্খচিল পানের বনের মত হাওয়ায় চঞ্চল” কোন কবিতার পঙক্তি?
- ঐকতান কবিতাটি কোন কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে?
- নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিজ-চণ্ডাল,প্রভু, ক্রীতদাস!সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;সমগ্রে প্রকাশ!নমি কৃষি-তন্তুজীবী, স্থপতি, তক্ষককর্ম, চর্মকার!উদ্দীপক ও 'ঐকতান' কবিতার সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'ক্ষুরধারা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- শামসুদদীন আবুল কালামের 'মৌসুম' গল্পটি রচিত হয়েছে তৎকালীন জমিদারদের অধীন জনজীবনকে কেন্দ্র করে। সে সময় জমিদারদের শোষণের বিরুদ্ধে একদল সমাজরূপান্তর ও স্বাধীনতাকামীদের প্রচেষ্টায় কৃষকরা আন্দোলন শুরু করে। গল্পে দেখা যায়, দীর্ঘ খরার পর বৃষ্টির আগমনে কৃষকরা ভালো ফসল পাওয়ার আনন্দে বিভোর হয়। কৃষকদের মনের এই আনন্দ জমিদারের পছন্দ হয় না। চাল মজুদ করে দাম বাড়িয়ে কৃষকদের বেকায়দায় ফেলে দেয় জমিদার।উদ্দীপকে বর্ণিত কৃষকদের অবস্থার সাথে 'বিড়াল' রচনার বিড়ালের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- হে সুন্দরী বসুন্ধরে, তোমা পানে চেয়েকতবার প্রাণ, মোর উঠিয়াছে গেয়েপ্রকান্ড উল্লাস ভরে, ইচ্ছা করিয়াছেসবলে আঁকড়ি ধরি এ বক্ষের কাছেসমুদ্র মেখলা পরা তব কটিদেশ;প্রভাত রৌদ্রের মতো অনন্ত অশেষব্যপ্ত হয়ে দিকে দিকে অরণ্যে ভূধরেকম্পমান পল্লবের হিল্লোলের পরেকরি নৃত্য সারাবেলা;উদ্দীপকের বর্ণনার সাথে 'ঐকতান' কবিতার যে দিকের মিল দেখা যায় তা বিশ্লেষণ করো।
- সে সাঁতারাতে জানে না -
- কোন গদ্যে ‘ওয়াটারলু' যুদ্ধের কথা বলা হয়েছে?
- 'ধন্যবাদ' কবিতার সর্বশেষ চরণ -
- "মন্দভাগ্যের কথা মানা যায় কিন্তু সহ্য করা যায় না" উক্তিটি কোন বচনার?
- আল মাহমুদের কবিতার বিষয় বস্তু-?
- একদিন, কমলাকান্ত নেশায় বুঁদ হয়ে কোন যুদ্ধেরকথা ভাবছিলেন?
- 'বিজ্ঞ লোকের মত এই যে, যখন বিচারে পরাস্ত হইবে, তখন গম্ভীরভাবে উপদেশ প্রদান করিবে।' - পঙক্তিটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- ‘আমার পূর্ব বাংলা' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- "তরুতলে বসে পান্থ শ্রান্তি করে দূরফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুরবিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙে লয়,তরু তবু অকাতর, কিছু নাহি কয়।দুর্লভ মানব জন্ম পেয়েছো যখনতরুর আদর্শ কর জীবনে গ্রহণপরার্থে আপন সুখ দিয়ে বিসর্জনতুমিও হওগো ধন্য তরুর মতন।"'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বিকাশ ও দানের কথা বর্ণিত হলেও উদ্দীপকে শুধুই ত্যাগের মহিমা কীর্তন করা হয়েছে।- বিশ্লেষণ কর।
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।"উদ্দীপকের শহীদুলের 'ব্রত' এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের 'বৃক্ষের সাধনা' একই সূত্রে গাঁথা।"- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।