'যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' - বাক্যটির মর্মার্থ হলো—
A.
বেশি স্পর্ধা
B.
ওজনহীন কথা
C.
গুরুত্বহীন কথা
D.
অনর্থক কথা
সঠিক উত্তরঃ
A.
বেশি স্পর্ধা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- রাস্তায় বসে ছোট্ট শিশু আমিনকে কাঁদতে দেখে তাকে বাড়িতে নিয়ে এলেন প্রফেসর মধুসূদন রায়। পরম মমতায়, সন্তান স্নেহে বড়ো করে তোলেন তাকে। শিক্ষা-দীক্ষা, ধন-সম্পদ কোনো কিছুরই অভাব রাখেননি তিনি। কিন্তু একদিন আমিনই ষড়যন্ত্র করে মধুসূদন বাবুর সমস্ত সম্পত্তি জোর করে দখল করে নিয়ে বাড়ি থেকে সস্ত্রীক মধুসূদন বাবুকে বের করে দিলো। সম্পদের প্রচণ্ড লোভের কাছে পরাজিত হন মধুসূদন বাবুর দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।"উদ্দীপকের আমিন ও 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগম একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।"- মন্তব্যটির সত্যতা নিরূপণ করো।
- হলওয়েল কে? 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে তার পরিচয় দাও।
- বিত্তশালী আশিক চৌধুরী তার একমাত্র সন্তান জামিলচৌধুরী ও সম্পদের দেখাশোনার জন্য নাসির মিয়াকেপরিবারের একজনের মতোই স্থান দেন। কিন্তু চৌধুরীসাহেবের মৃত্যুর পরে নাসির মিয়া সম্পদের লোভে ঘুমন্তজামিল চৌধুরীকে হত্যা করে।উদ্দীপকের নাসির মিয়ার সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে-
- স্বার্থের কারণে তমাল সাহেবের জীবনের চরম বিপর্যয়ের সময়স্ত্রী-পুত্র-কন্যা দূরে সরে গেল, অথচ বিশ্বস্ত ভৃত্য আনোয়ারজীবন দিয়ে হলেও তমাল সাহেবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারশপথ নেয়।উদ্দীপকের আনোয়ার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের অনুরূপ ?
- ঘসেটি বেগম সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন কেন?
- নরওয়েতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন ভিদকুন কুইজলিং। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি জার্মান শাসক হিটলারের সাথে গোপন আঁতাত করেন। হিটলার নরওয়ে আক্রমণ করলে কুইজলিং রাজধানী থেকে ৫০ কি.মি. দূরে ঘাঁটি গড়েন এবং নরওয়ে সরকার পরাজিত হয়ে পালিয়েছে- এ মর্মে অপপ্রচার চালাতে থাকেন। অতঃপর হিটলার নরওয়ে জয় করার পর কুইজলিংকে সরকার প্রধানের দায়িত্ব দেয়।'কুইজলিংরা থাকে বলেই যুগে যুগে হিটলাররা নরওয়ে জয় করে।'-উক্তিটির আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনি বিশ্লেষণ করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব কোথায় গিয়ে বন্দিদেরবিচার করবেন?
- পলাশি যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে কত হাজার সৈন্য ছিল?
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কতটি দৃশ্য রয়েছে?
- লাল পলাশের ভস্মস্তূপে কিসের জ্বালাস্তব্ধ অধীর বজ্রগর্ভ মেঘের মতো?শিবির-সীমায় মনের ছায়ায় ইতস্ততছড়ায় সে তার কূট-মন্ত্রণা ঘৃণায় ঢালাদুই শতকের সেই একদিন মনে কি পড়ে?মিরজাফরের গুলির শিখায়, সমুদ্ধতনিভল তোমার দিনের সূর্য দিগন্তরেদূর গোধূলীর সেই একদিন মনে পড়েমনে কি পড়ে?নাটকের কোন দৃশ্যগুলোর ঘটনাসমূহ উদ্দীপকের ৩য় ও ৪র্থ চরণের সাথে বিশেষভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ, পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। তখন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন মোনায়েম খাঁ। বাঙালি হয়েও তিনি স্বদেশ ও স্বজাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। তার সাথে নানা অপতৎপরতায় যুক্ত হয় এ দেশের কিছু দালাল-দোসর। মোনায়েম খাঁ ও তার সহযোগী কুলাঙ্গারদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় হানাদার বাহিনী লাখ লাখ দেশপ্রেমিক বাঙালিকে হত্যা করে।উদ্দীপকের মোনায়েম খাঁ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়। চরিত্রটি কার এবং কেন? ব্যাখ্যা কর।
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।'- উক্তিটি কার?
- ঘসেটি বেগম কোন প্রাসাদে থাকতেন?
- 'ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষেসবই সম্ভব, লুৎফা।'- উক্তিটি কার? -
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- কার উক্তি?
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পটভূমিগত সাদৃশ্য কতটুকু বিশ্লেষণ করো।
- রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া মিঠুকে এনে নিজের সন্তানের মতোলেখাপড়া শেখান নিয়াজের মা। বিয়ে দিয়ে সংসারও সাজিয়েদেন তিনি। অথচ ব্যাবসা-সংক্রান্ত বিষয়ে সামান্য কথাকাটাকাটির জের ধরে নিয়াজকে নিমর্মভাবে হত্যা করে মিঠু।উল্লিখিত প্রতিনিধিত্বের কারণ কী?
- গঙ্গাজল ছুঁয়ে ঈশ্বরের নামে শপথ করেছিল কে?
- সিরাজউদ্দৌলাকে কোথায় বন্দি করা হয়?
- 'আমার এতদিনের ভুল সংশোধন করার এই শেষ সুযোগ আমাকে নিতে হবে।'-ব্যাখ্যা করো।