’ক্রিয়ার কাল’ ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
A. বাক্যতত্ত্ব
B. অর্থতত্ত্ব
C. রূপতত্ত্ব
D. ধ্বনিতত্ত্ব
সঠিক উত্তরঃ
C.
রূপতত্ত্ব
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'Existentialism'-এর মূলকথা কী?
- একটি রাষ্ট্রের বৃহত্তর দায়িত্ব কোনটি?
- 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধে আবুল ফজল চেয়েছেন—
- 'লড়াই' মূলত কোন শব্দ ?
- ধনাঢ্য জামাল সাহেব এলাকার গরিব-দুঃখী মানুষদের প্রচুর দানখয়রাত করেন। ছবি তুলে তিনি এসব দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার করেন। এলাকায় তিনি জনদরদি হিসেবে পরিচিত।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টি উঠে এসেছে? আলোচনা করো।
- 'ষোড়শ' এর সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- 'আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- বাংলা ভাষার দন্তমূলীয় মূ্র্ধণ্য বর্ণ হলো-
- জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনার প্রতীক কোনটি?
- কোনটি খাঁটি বাংলা স্বরসন্ধির উদাহরণ?
- প্রাবন্ধিক আবুল ফজল ছাত্র জীবনে কোন আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন?
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।
- 'সর্বজীবের হীত'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- কোন ঐতিহসিক ঘটনা সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়?
- র্যাশনাল শব্দের অর্থ কী?
- রূপক কবিতার ভাববস্তুর কয়টি দিক থাকে?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে উপরের হাত' মানে কী?
- মতি গাজী একজন লেখক। তিনি সর্বদা মানবতাকে উচ্চ মর্যাদায় স্থান দিতে চেষ্টা করেন। ভিক্ষাবৃত্তিকে তিনি চরম অপছন্দ করেন। কারণ, এতে মানবতার মূল্যায়ন হয় না। এক মুষ্টি ভিক্ষা সাময়িক দাক্ষিণ্য হলেও প্রকৃত মানব-কল্যাণের চিন্তা সৃজন হয় না।"উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটির সমগ্র ভাবের ধারক নয়।"-এ ক্ষেত্রে তুমি কী মনে কর তা প্রবন্ধের আলোকে লেখো।
- 'আমাদের বিশ্বাস মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথেই কল্যাণম?? পৃথিবী রচনা সম্ভব।'- ব্যাখ্যা করো।
- রফিক ও শফিক দুই ভাই অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল। তবে প্রতিবছর ইদে জাকাত দেওয়া নিয়ে দুইজনের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। রফিকের মতে জাকাতের টাকায় একাধিক শাড়ি, লুঙ্গি কিনে গরিবদের মাঝে বিতরণ করলে তাদের বস্ত্র চাহিদা লাঘব হবে এবং সে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলেও জনগণও তা অনুসরণ করবে। কিন্তু শফিক চায় এলাকার বস্তিতে কয়েকজন মহিলাকে সেলাই মেশিন কিনে দিলে বরং তারা কিছু আয় রোজগার করতে পারবে। আর এজন্য তিনি সব রকম সামাজিক প্রচারণার বিরোধী।উদ্দীপকের শফিকের উদ্যোগটি সমাজে পরিবর্তন আনার জন্য কতটুকু যুক্তিযুক্ত? 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।