‘ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে,উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালিই পড়ে’- এ উক্তিটি করেছেন?
A. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
B. জহির রায়হান
C. মাইকেল মধুসূধন দত্ত
D. প্রমথ চৌধুরী
E. মুহাম্মদ আব্দুল হাই
DUUnit-Cবাংলা সাহিত্যবাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদনবাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
প্রমথ চৌধুরী
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- নিচের কোন গ্রন্থসমূহ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত নয়?
- রত্না আক্তারের মানসিকতায় ফুটে উঠা 'পল্লি সাহিত্য' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয় হলোi. বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যপ্রীতিii. নতুন প্রজন্মকে সঠিক পথ নির্দেশiii. আধুনিকতার স্রোতে গা ভাসানোনিচের কোনটি সঠিক?
- 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' রচনার শুরুতে লেখক কীসের জন্য লিখতে নিষেধ করেছেন?
- মানুষের মঙ্গল অথবা সৌন্দর্য সৃষ্টি ব্যতিরেকে যারা অন্য উদ্দেশ্যে লিখে থাকেন, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে তারা কাদের সঙ্গে তুলনীয়?
- লেখক প্রমথ চৌধুরী শখ হিসেবে বাঙালি জাতিকে বই পড়ার পরামর্শ দিতে চান না কেন?
- 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' -এই উক্তিটি কার?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং 1-4 নং প্রশ্নের উত্তর দাও: সূর্য যেন গনগনে চুল্লি । মাটি ফাটছে, শুকিয়ে আসছে জল। আকাশের অনন্ত থেকে ঝরে পড়ছে আগুনের হলকা। আবার ঝড়ের তাণ্ডবে খড়ের কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে সমস্ত উষ্ণতা। রুদ্র বৈশাখ। ‘ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল। তারই কাছে অনেকের প্রার্থনা, ‘এই প্রথম দিবসে রঙে রূপে জমে ওঠে আড়ং ও উৎসব।‘ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল।'- উক্তিটির রচয়িতা?
- অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে।' উক্তিটির লেখক কে?
- কারও মনোরঞ্জন করা সাহিত্যের কাজ না এ মন্তব্য করেছেণ-
- শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করার সময় বলেন, সাহিত্য ভাব ও আনন্দের ব্যাপার, শিক্ষা জ্ঞানের ব্যাপার। যিনি সাহিত্য থেকে লাভ চান, তার কাছে সাহিত্যের মূল্য নেই। - সাহিত্যে খেলা প্রবন্ধ অনুসারে কোন বক্তব্য উদ্দীপককে সমর্থন করে?
- বই কেনা গল্পে সৈয়দ মুজতবা আলী যে অভিমত ব্যক্ত করেছেন থদনুযায়ী ভেবে চিন্তে অগ্র-পশ্চাৎ বিবেচনা করে বই কেনে-
- সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারাে মনােরঞ্জন করা বক্তব্যটি কার?
- 'বিংশ শতাব্দীর সভ্যতা -ছাপাখানাই সৃষ্টি'-উক্তিটি কার?
- 'এদের প্রধান দেবতা অহংকার'। কোন শ্রেণির মানুষের প্রতি এই উক্তি করা হয়েছে?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং 1-4 নং প্রশ্নের উত্তর দাও: সূর্য যেন গনগনে চুল্লি । মাটি ফাটছে, শুকিয়ে আসছে জল। আকাশের অনন্ত থেকে ঝরে পড়ছে আগুনের হলকা। আবার ঝড়ের তাণ্ডবে খড়ের কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে সমস্ত উষ্ণতা। রুদ্র বৈশাখ। ‘ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল। তারই কাছে অনেকের প্রার্থনা, ‘এই প্রথম দিবসে রঙে রূপে জমে ওঠে আড়ং ও উৎসব।‘আড়ং' শব্দের অর্থ কী?
- 'অর্থলোভের আশায় লিখলে' কি ঘটে?
- ‘মনুষ্যত্বের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গেই দেবতার উপলব্ধি........ হতে থাকে, অন্তত হওয়া উচিত। হয় না যে তার কারণ, ...... সব কিছুকেই আমরা নিত্য বলে ধরে নিয়েছি। ভুলে যাই যে, ধর্মের .... আদর্শকে শ্রদ্ধা করি বলেই ধর্মমতকেও নিত্য বলে স্বীকার করতে হবে এমন কথা বলা চলে না।' শূন্যস্থানে কোন শব্দগুচ্ছ স্থাপন করলে সুস্পষ্ট অর্থ তৈরি হবে?
- তরুলতা যেমন বৃষ্টির সাহায্যে প্রার্থী মেঘ ও সেইরূপ তরুর সাহায্যে চায় উক্তিটি রচয়িতা
- প্রমথ চৌধুরীর মতে সাহিত্যের উদ্দেশ্য -
- “কাব্যরস নামক অমৃতে যে আমাদের অরুচি জন্মেছে, তার জন্য দায়ী। যুগের স্কুল এবং তার মাস্টার।”- এ মন্তব্য করেছেন?