মজিদ কার ভয়ে শঙ্কিত হয়?
A.
আক্কাসের
B.
আওয়ালপুরের পিরের
C.
জমিলার
D.
খালেক ব্যাপারীর
সঠিক উত্তরঃ
B.
আওয়ালপুরের পিরের
Explanation:
লালসালু' উপন্যাসে দেখা যায়, আওয়ালপুরে নতুন এক পীরের আগমন হয়। আর তাতে মজিদের জন্য অস্তিত্বের সংকট হয়ে দাঁড়ায়। তাই মজিদ আওয়ালপুরের পীরের ভয়ে শঙ্কিত হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- মহব্বতনগর গ্রামটি মতিগঞ্জ সড়কের কোনদিকে?
- রফিক মিয়া অনেক বছর আগেই তার জন্মভূমি ছেড়ে জীবিকার সন্ধানে এই জয়নগর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায় সম্বলহীন অবস্থা থেকে রফিক মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। আজ যেমন তার সুহায়-সম্পত্তি হয়েছে, তেমনি সমাজের সকল মানুষ তাকে সম্মানও করে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য কোথায় ? আলোচনা করো।
- মজিদের প্রতি রহিমার অচঞ্চল আস্থা যার সঙ্গে তুল্য হয়েছে-
- মজিদের মুখে থুতু ফেলেছিল কে ?
- 'লালসালু' উপন্যাসে কোঁচবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় কে?
- মজিদের ভাষ্যে সে কোন অঞ্চল থেকে মহব্বতনগর গ্রামে গিয়েছিল?
- খুলনা জেলার চুকনগরে রুথিত পির বাবার নাম আঃ লতিফ। চুকনগর হাইস্কুল রোডের একটি ঘরে তার আস্তানা। প্রতিদিন শত শত ভক্ত ও রোগী পানি, তেল, কলার মোচা পড়াসহ নানা তদবির নিতে আসে পির বাবার সান্নিধ্যে। তার আস্তানায় গিয়ে দেখা যায় টেবিলের উপর পানি, তেল ও দুধের বোতল, কলার মোচা, মাটি মাদুনিসহ নানা তদবিরের সামগ্রী। আর বাইরে অসংখ্যা মহিলাদের লাইন। সবার হাতে পানি ও তেলের বোতল। একেক জনকে একেকভাবে চিকিৎসা করছেন তিনি। তার আস্তানায় ৪টি সাইনবোর্ড আছে। যার একটিতে লেখা শিক্ষাগত যোগ্যতা, একটিতে রোগের চিকিৎসা ফি। সাপে কাটা ফি ৫০০ টাকা, কুকুরে কামড়ানো ফি ২৫০ টাকা, বিড়ালে কামড়ানো ফি ১৫০ টাকা, অর্শরোগী ২০০ টাকা, জিনে ধরা ফি ৩০০ টাকা, প্রয়োজনে বারণ ফি ১০০ টাকা, বাড়ি বন্ধ করা ফি ৩০০ টাকা। বহু রোগী তাদের রোগ নিরাময়ের জন্য হুজুরের দরবারে আসে। আশপাশের অনেকেই যুজুরের পানি পড়াতে সুস্থ হয়ে গেছে এই গুজব শুনে এসেছে তারা।উদ্দীপকের আঃ লতিফ এবং লালসালু' উপন্যাসের মজিদ ভিন্ন প্রেক্ষাপট তৈরি করলেও তাদের উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন'- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়ার জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।উদ্দীপকের কোব্বাদ মেম্বারের সাথে মজিদ চরিত্রের মিল ও অমিল দেখাও।
- ‘লালসালু ’ উপন্যাসের পীর সাহেবের কাছ থেকে পানি পড়া এনেছিল কে ?
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই, তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা-চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।"টুনি ও 'লালসালু' উপন্যাসের উদ্দিষ্ট চরিত্র সামাজিক কুসংস্কারের শিকার।" উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে এ উক্তিটির সত্যতা নিরূপণ করো।
- 'কলমা জানো মিঞা?'- মজিদ প্রশ্নটি কাকে করেছে?
- আমেনা বিবি কে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে উল্লিখিত আমেনা বিবি কোন দিন রোজা রাখে?
- দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত কামাল কমলাপুর রেলস্টেশনে আশি টাকার বিনিময়ে একজন যাত্রীর মালামাল মাথায় নিতে দেখেই অন্য কুলিরা তাকে ধাক্কা দিয়ে, ফেলে দেয়। জীবন ও জীবিকার তাগিদেই সে তার অবস্থান সুসংহত করার চেষ্টা করে। এক সময় সে কুলিদের নেতা হয়। শ্রমিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে সে অনেক প্রভাব বিস্তার করে। এর মাধ্যমে সে বিত্তশালী হয়ে ওঠে।'উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের মূল প্রবণতা অস্তিত্ব সংকট এবং তা থেকে উত্তরণ।'- মন্তব্যটি বিচার করো।
- কৃষক কোন মাসে ধান কেটেছিলেন?
- আফজাল মিয়ার স্ত্রী হালিমা পরপর তিনটি কন্যা সন্তান জন্মদেয়। পূত্র সন্তান লাভের আশায় খ্যাতিমান পির জুনাইদ আলীকুতুবশাহীর দরবারে গমন করে। পির কুতুবশাহী এক বোতল'পড়া পানি' দিয়ে বলেন যে, এই 'পড়া পানি' খেয়ে তার যদিপুত্র সন্তান না হয় তবে বুঝতে হবে সে পাপী। হালিমা যথারীতিচতুর্থ কন্যার জন্ম দেয় এবং স্বামীর রোষানলে পড়ে।উদ্দীপকের হালিমার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- হাসুনির মার কাছে তার বাবা কী খেতে চেয়েছিল?
- উদ্দীপকের সংকেত অনুসারে সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করো।
- “লালসালু” উপন্যাসে 'নলি' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- মতিন ও খাইরুনের পাঁচ বছরের সংসার। বিয়ের পর হতেই অনেক চেষ্টার পরেও তাদের সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরের এক গ্রামে হেকমত কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল মতিন দ্রুত স্ত্রীকে সেখানে নিয়ে যায়। হেকমত কবিরাজ অনেকক্ষণ ধরে খাইরুনকে নিরীক্ষণ করার পর বলেন- 'পেটে বেরি পরে বইলাইতো স্ত্রী লোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ, কারো চৌদ্দ।'উদ্দীপকের মতিন ও 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর মধ্যে বিদ্যমান সাদৃশ্য নির্ণয় কর।