'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে 'নাকের দড়ি' শব্দবন্ধ কি অর্থে ব্যবহৃর হয়েছে?
A. নথ নামক অলংকার
B. ঘোড়ার লাগাম
C. নোলক নামক অলংকার
D. নাকাল ও বাধ্য করার অস্ত্র
সঠিক উত্তরঃ
D.
নাকাল ও বাধ্য করার অস্ত্র
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতায় 'কূপমন্ডূক’ শব্দের ব্যঞ্জনাগত অর্থ-
- জীবন-বন্দনা ' কোন কাব্যের কবিতা ?
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' গল্পে কোন রঙের শাড়ি হাওয়ায় দুলছিল ?
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বৃক্ষ কিসের বাণী প্রচার করে ?
- চারদিকে নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন হচ্ছে। উদ্দীপকে ‘সেই অস্ত্র' কবিতার কীসের বিপর্যয়প্রকাশিত হয়েছে?
- ’দুর্ভাগা ওদের; সবে ভরা কলসী কাঁখে আর্দ্র বস্ত্রে নদীর ভাঙ্গুনতি ভেঙ্গে ওপরে উঠে বাড়ির পথ ধরেছে ঠিক সে সময়টাতেই পাঁচজন যমদূতের চোখে পড়ে ওরা - মা মেয়ে।’ এ যমদূত কারা?
- মানুষ মানুষের জন্য/ জীবন জীবনের জন্যএকটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না/ ও বন্ধুমানুষ মানুষকে পণ্য করেমানুষ মানুষকে জীবিকা করেপুরোনো ইতিহাস ফিরে এলেলজ্জা কি তুমি পাবে না?"উদ্দীপকে 'সাম্যবাদী' কবিতার মূলসুর ধ্বনিত হলেও 'সাম্যবাদী' কবি কবিতা বৈচিত্র্যময় তথ্য উপমায় অধিকতর ব্যঞ্জনাসহ হয়েছে"- মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- ‘আনন্দের ধর্ম এই যে তা সংক্রামক’- উদ্ধৃতিটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- ‘সুবচন নির্বাসনে’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- পৃথিবীর প্রথম জাদুঘর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।"উদ্দীপকে বিধৃত 'কীত্তনখোলা' নাটকে নাট্যকারের যে কীর্তি তা-ই অন্বিষ্ট ছিল 'ঐকতান' কবিতার কবির।"- আলোচনা করো।
- “দুর্দিনের দিনলিপি” স্মৃতিগ্রন্থটি কার লেখা?
- 'ঐকতান' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'বিশালাক্ষী দিয়েছিল বর,' কথাটি-দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস কোনটি?
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।"উদ্দীপকের শহীদুলের 'ব্রত' এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের 'বৃক্ষের সাধনা' একই সূত্রে গাঁথা।"- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'অপরাহ্নের গল্পে' হুমায়ন আহমেদ গভীর জলে পড়লেন কেন?
- 'কবর' কবিতায় দাদুর শশুর বাড়ি কোন গায়ে?
- সাব -ইনস্পেক্টরের দ্বিতীয় বউ আমার এক রকম আত্মীয়া। একটি তুলসী গাছের কাহিনী গল্পে এ উক্তিটি করেছেন-
- হৈমন্তীর ষোল বছর বয়সটি ছিল -