'নয়ন তোমার পায়না দেখিতে রয়েছো নয়নে নয়নে হৃদয় তোমায় পায় না জানিতে রয়েছো হৃদয় গোপনে '
নিচের কোন চরণটিতে উদ্দীপকের ভাবের প্রতিফলন লক্ষণীয়
A.
তাহারেই পড়ে মনে ভুলিতে পারি না কোনো মতে
B.
গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে
C.
যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই
D.
রহেনি সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া
সঠিক উত্তরঃ
A.
তাহারেই পড়ে মনে ভুলিতে পারি না কোনো মতে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ভেতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা ঝাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাকভেতরে আমার ভেঙে পড়ে শধু পাড়।উদ্দীপকের কবিতাংশটুকু সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- বসন্তের প্রতি কবি বিমুখ কেন?
- 'আজি এ অবলোয় মনে পড়ে তোমায়হারানো দিনগুলি বারেবারে কাঁদায়।তুমি ছাড়া এজীবন শূন্য মনে হয়ভালোলাগা অনুভূতি আঁধারে ডুবে রয়।'উদ্দীপকের সঙ্গে কবি সুফিয়া কামালের ব্যক্তি জীবনের মিল রয়েছে কীভাবে? উপস্থাপন করো।
- বসন্ত কাকে স্মরণ করে পৃথিবীতে এসেছে?
- প্রকৃতি ও মানব মনের সম্পর্ক তুরে ধরা হয়েছে কোন কবিতায়?
- 'সে ভুলেনিতো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া'- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে আছে তাহার জন্য। উদ্দীপকের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন ভাবের মিল পাওয়া যায়?রিক্ততার হাহাকারদুঃসহ বিষণ্ণতাউদাসীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- কোন্ কবিতায় বিষাদময় রিক্ততার অনুরণন ঘটেছে?
- 'পুস্প শয্যা ভেদ তুলি বিচিত্র বসন" এর পরের লাইন..
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন ফুলের কুঁড়ির কথা উল্লেখ আছে ?
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জল, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সামগ্রিক ভাবনার সবটুকু ধরা পড়েছে বলে তুমি মনে করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়— 'কোথা তব নবপুষ্পসাজ' – উক্তিটি কার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে?
- 'বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি?'— 'তাহারেই পড়েমনে' কবিতার এই চরণ দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে-
- 'ফুটেছে কী আমের মুকুল'? উক্তিটি কার?
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।"উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য থাকলেও বৈপরীত্য কম নয়।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- 'পুষ্পারতি লভেনি কি ঋতুর রাজন?'- চরণটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও পিতা শামসুর রাহমান ও কবিতার কবি উভয়ের অন্তরে রয়েছে তীব্র বেদনা। 'তাহারেই পড়ে মনে' মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'অর্ঘ্য বিচরণ' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি/দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?" - কোন কবিতার চরণ?
- তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় কার আগমনী গাণের কথা বলা হয়েছে?