বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটি কত সালে
প্রকাশিত হয়?
A.
২০১০
B.
২০১১
C.
২০১২
D.
২০১৩
সঠিক উত্তরঃ
C.
২০১২
Explanation:
বন্ধুবান্ধব, সহকর্মী ও সহধর্মিণীর অনুরোধে বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে রাজবন্দি থাকা অবস্থায় আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন। ২০১২ সালে তা 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- 'বায়ান্নর দিনগুলি' কোন ধরনের রচনা?
- ‘আমি যখন জেলে যাই তখন ওর বয়স মাত্র কয়েক মাস’– এখানে ‘ওর’ বলতে শেখ মুজিবুর রহমান কাকে বুঝিয়েছেন?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাটি কোন গ্রন্থে সংকলিত?
- বঙ্গবন্ধুকে ডাবের পানি খাইয়ে দিয়ে অনশন ভাঙান কে?
- ‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'। বাক্যটি কোন রচনার অংশ?
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান বিরচিত 'একুশের গল্প' রচনায় গল্প কথক, তপু ও রাহাত ছিল তিন বন্ধু। তারুণ্যের উদ্দামতা ও এক স্বপ্নিল আশা নিয়ে ভালোভাবেই কেটে যাচ্ছিল। তাদের ছাত্রজীবনের দিনগুলো। কিন্তু বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তাদের ছন্দময় জীবনে অকস্মাৎ ছেদ পড়ে। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে তপু ও তার বন্ধুবান্ধব যোগ দেয় ভাষা আন্দোলনের মিছিলে। মিছিল এগিয়ে চলল মেডিকেল কলেজের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের দিকে। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌছাতেই মিলিটারিরা অতর্কিতে গুলি চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্ধুরা দেখতে পেল হাতে প্ল্যাকার্ডসহ গুলিবিদ্ধ তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার লেখকের ব্যক্তিজীবনের ঘটনাগুলোর প্রতিচ্ছবি নেই"- মন্তব্যটি যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতার নাম কী?
- " মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভূল হতে থাকে "---কার উক্তি?
- পঁচিশে মার্চের সেই কালরাত্রি। তীব্র একাত্তরদানবীয় হত্যা ও লুণ্ঠন অগ্নি হিংসার তাণ্ডবহানাদার হায়েনার পৈশাচিক উল্লাসসেই নগ্ন কালরাত্রে অতর্কিত বন্য হামলায়উজাড় নিঃশেষ আর দগ্ধতার ধু ধু শূন্য ভগ্নস্তূপঝরেছিল প্রাণ অগণন, সাঁদামাটি বাংলার প্রান্তরে…………….…………….…………….…………….অধিকৃত দেশ-মাটি-মানুষের মুক্তির সংগ্রামেবাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে, নাই কোনো ক্ষমা নাইযেকোনো ত্যাগের মূল্যে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা চাইমুক্তিযুদ্ধ দিয়েছে মূল্যে লাল পতাকার অগ্নি অহংকারমুক্তিযুদ্ধ চিরকালই চলমান, কোনো অন্ত বিরতিও নাই।"সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের খণ্ডাংশ মাত্র।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'বোধ হয় আর দু-একদিন বাঁচতে পারি'- শেখ মুজিবুর রহমানের এই বোধ কত তারিখে হয়েছিল?
- একবার মরে ভুলে গেছে আজমৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবীঅবাক তাকিয়ে রয়;জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।উদ্দীপকের শেষ চরণের বক্তব্য 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে বিশেষ দিকটিতে আলোকপাত করেছে তা আলোচনা করো।
- শেখ মুজিবুর রহমান জেল থেকে মুক্তির কয়দিনপরে বাড়ি পৌঁছেছিলিন?
- ১৮৯৬ সালে তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গের মার্কসবাদী চরিত্রগুলোকে নিয়ে শ্রমিকশ্রেণির মুক্তির জন্য 'সংগ্রাম সংঘ' নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠনে ঐক্যবদ্ধ করেন। তার কাজকর্ম ক্রমশই বৃদ্ধি পায়। এই সময় থোর্নটোন কারখানায় শ্রমিকরা ধর্মঘট করে। তৎপর হয় জারের পুলিশ বাহিনী। লেলিনের সাথে সংগঠনের প্রায় সমস্ত নেতাকে গ্রেফতার করা হয়।উদ্দীপকের লেলিন 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন চরিত্রকে প্রতিফলিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে ‘জুলিও কুরি' পদকে ভূষিত হন?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’য় কারাবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান জেল থেকে ছাড়া পেয়ে কয়দিন পর বাড়ি পৌছেছিলেন?
- "সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়" কোন বর্তমান কালের উদাহরণ?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো'তে কীসের কারণে মানুষ অন্ধ হয়ে যায়?
- বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগে অধ্যয়ন করেন?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।উদ্দীপকের ব্রিটিশ শাসকের নির্যাতন এবং 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় পাকিস্তানি শাসকদের নির্যাতনের তুলনা করো।
- "সেইদিন আজো জ্বলজ্বলে স্মৃতি, যেদিন মহানবিজয়ী বীর দূর দেশে থেকে স্বদেশে এলেন ফিরে।শুনেছি সেদিন জয়ঢাক আর জন-উল্লাস;পথে-প্রান্তরে তাঁরই কীর্তন, তিনিই মুক্তিদূত।নিহত এ্যাগামেমনন, কবরে শায়িত আজ।"উদ্দীপকের 'বিজয়ী বীরের' স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সাথে বঙ্গবন্ধুর জেলমুক্তির সম্পর্কে আলোচনা করো।