সেই ভালোবাসার চারিদিকে ভারী একটি স্বাস্থ্যকর হাওয়া বহিত। এ বাক্যটি কোন লেখকের লেখায় পড়েছ/
A. রবীন্দ্রনাথ ঠাকsvু
B. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
C. কাজী নজরুল ইসলাম
D. মনিক বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তরঃ
A.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকsvু
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কোন কবিতার পঙক্তি -'শিবে নত স্নেহ'- আঁখি মঙ্গল দাত্রি'?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকার প্রত্যাশা কি?
- ইব্রাহীম কার্দির স্ত্রীর নাম কি?
- অনুচ্ছেদটির শূণ্যস্থান পূরণ করঃ
- আমি জনক জননীর প্রথম সন্তান' উক্তিটি কোন গল্পের/ কবিতার?
- কেহ মরে বিল ছেঁচে , কেহ খায় কই' উক্তিটি কোন গল্পের / কবিতার ?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকা দারিদ্র্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে কোনটি নির্দেষ করেছেন?
- Theological lecture' কথাটি কোন রচনায় ব্যবহৃত হয়েছে?
- জয়নুল সংগ্রহশালা কোন জেলায় অবস্থিত?
- জীবনে জীবনে যোগ করা না হলে কৃত্রিম পণ্যে ব্যর্থ হয় ..........।' শূন্যস্থানে বসবে-
- \আমি সেই ______অস্ত্রের প্রত্যাশী\- চরণটির শূন্যস্থানে কোন শব্দটি বসবে?
- “উষ্ণ উষ্ণ পাবত তহিঁ সবই সরবী বালী। মোরাঙ্গ পীছ পরিহাণ সরবী গীবত গুঞ্জরী মালী”॥- পদটির পদকর্তা-
- কিণাঙ্ক শব্দটির অর্থ কী?
- সাম্যবাদী' কবিতায় উল্লিখিত 'চার্বাক' দর্শনের উৎস কোথায়?
- ঐকতান' শব্দের অর্থ কী?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।বক্তিয়ার খিলজিকে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- চার্বাক কে ছিলেন?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে কৃষক কন্যার নাম কি?
- নানা কবি ____ গান নানা দিক হাতে' - চরণটির শূন্যস্থানে কোন শব্দটি বসবে?