বাংলাদেশের White gold কোনটি?
A. ইলিশ
B. পাট
C. রূপা
D. চিংড়ি
সঠিক উত্তরঃ
D.
চিংড়ি
Explanation: বাংলাদেশে অপ্রচলিত পণ্যের মধ্যে চিংড়ি মাছ রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এ জন্য বাংলাদেশের চিংড়ি সম্পদকে ‘White gold’ বলা হয়। চিংড়ি আশির দশক (১৯৭৬) থেকে রপ্তানী পণ্যে পরিণত হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়-
- বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
- বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয়?
- বাংলাদেশে বার্ষিক চা উৎপাদনের পরিমাণ হচ্ছে প্রায়-
- ‘অগ্নিশ্বর’, ‘কানাইবাঁসি’, ‘মোহনবাঁশী’ ও ‘বীটজবা’ কি জাতীয় ফলের নাম?
- ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
- নিচের কোনটি জলজ উদ্ভিদ নয়?
- ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কী?
- বাংলাদেশের কৃষি কোন প্রকার?
- নিচের কোনটি পাললিক শিলা?
- বাগদা চিংড়ি কোন দশক থেকে রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান করে নেয়?
- ‘ইরাটম’ কি?
- বাংলাদেশে সম্প্রতি এই জেলায় চা বাগান করা হয় -
- সোনালী আঁশের দেশ কোনটি?
- বাংলাদেশের কোন গ্যাসক্ষেত্রটি আগুন লেগে সর্বাপেক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে?
- বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে?
- পাখি ছাড়া ‘বলাকা’ও ‘দোয়েল’ নামে পরিচিত হচ্ছে-
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প কোথায় অবস্থিত?
- বাংলাদেশে প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারী প্রতিষ্ঠান-
- বাংলাদেশে প্রথম চায়ের চাষ আরম্ভ হয়-