পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা
করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয় লতিফ। দেশকে স্বাধীন
করে তবেই ঘরে ফিরবে এই প্রত্যয় নিয়ে যুদ্ধ করে যায়
লতিফ। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ, বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতার
দ্বারপ্রান্তে ঠিক সে সময় উজিরপুরের পাকিস্তানি ক্যাম্পে,
অপারেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল লতিফরা। তথ্যটি রাজাকার
নিজামুদ্দীন হানাদার বাহিনীকে জানিয়ে দিলে পাকিস্তানি
বাহিনীর অতর্কিত হামলায় লতিফরা শহিদ হয় ।
উদ্দীপকের নিজামুদ্দীন 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ'
কবিতাংশের কোন চরিত্রের প্রতিরূপ?
A.
বিভীষণ
B.
রামচন্দ্র
C.
লক্ষ্মণ
D.
কুম্ভকৰ্ণ
সঠিক উত্তরঃ
A.
বিভীষণ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ কোন ধরনের কাব্য?
- . কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক নয়?
- 'সনেট' কাব্যাঙ্গিক কোনটি?
- সনেটের ক’টি অংশ?
- গুণবান পরজন অপেক্ষা নির্গুণ স্বজন শ্রেয় কেন?
- এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে’- এখানে ’বিষাদে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- কোন কবি গান রচনা করেননি?
- একসময় ঈশা খাঁর ??ঙ্গে মানসিংহের যুদ্ধ হয়। রণনিপুণ ঈশা খাঁর তরবারির আঘাতে মানসিংহের তরবারি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মানসিংহ অসহায় হয়ে পড়েন। ঈশা খাঁ চাইলে এই অবস্থায় মানসিংহকে হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু, বীরযোদ্ধা ঈশা খাঁ তা না করে নিজের কোষ থেকে একখানি ভালো, তলোয়ার বের করে মানসিংহকে উপহার দিয়ে পুনরায় যুদ্ধে আহবান জানালেন। মানসিংহ ঈশা খাঁর এই মহানুভবতা, ঔদার্য ও বীরধর্মের আদর্শ দেখে মুগ্ধ হলেন এবং যুদ্ধের পরিবর্তে সন্ধি স্থাপনে এগিয়ে এলেন।উদ্দীপকের ঈশা খাঁ ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার লক্ষ্মণের আদর্শগত বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- জীবনযাপনের সমস্ত সুবিধা নিশ্চিত থাকার পরও কেবলঅসৎসঙ্গের কারণে নেশা ও সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয়ইকবাল ।উদ্দীপকটি ভাবগত দিক থেকে 'বিভীষণের প্রতিমেঘনাদ' কবিতার কোন অংশকে ধারণ করে?
- অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলতে বোঝায়-
- 'চতুর্দশপদী কবিতাবলি'র রচয়িতা কে?
- 'চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে'- পঙক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- 'নিকষা' কার মা?
- পরশুরামের অস্ত্র কী?
- জীবনযাপনের সমস্ত সুবিধা নিশ্চিত থাকার পরও কেবলঅসৎসঙ্গের কারণে নেশা ও সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয়ইকবাল ।উদ্দীপকের ইকবাল 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ'কবিতার কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়?
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল যাদের বিশ্বাসঘাতকতায় তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান সেনাপতি মীরজাফর। প্রধান সেনাপতি হয়েও তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। শুধু মীরজাফরই নয় রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ, জগৎশেঠও যুদ্ধে চরম অসহযোগিতা করেছে। কিন্তু মোহনলাল ও মীরমর্দান বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে নি। দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন এবং জীবন দিয়েছেন। পক্ষান্তরে মীরজাফর এবং তার দোসররা বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং বাঙালি জাতিকে প্রায় ২০০ বছর ইংরেজদের গোলামি করতে বাধ্য করেছে।"উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আংশিক রূপায়ণ মাত্র"- তোমার মতামতসহ উক্তিটি বিচার করো।
- নিকষা কে?
- বাংলা সাহিত্যে প্রথম পত্রকাব্য রচয়িতা কে?
- ‘মেঘনাদবধ’ কাব্যটিতে সর্গ সংখ্যা কয়টি?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত হিন্দু কলেজের কোন শ্রেণিতে ভর্তি হন?