'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই যে চোখ।' এ বাক্যে কোন ধরণের অলঙ্কার প্রয়োগ হয়েছে?
A. অনুপ্রাস
B. রূপক
C. সন্দেহ
D. উপমা
E. উৎপ্রেক্ষা
সঠিক উত্তরঃ
E.
উৎপ্রেক্ষা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- গোয়ালার সুন্দরী কন্যা রাবেয়া স্বামীর অসচ্ছলতারকারণে অত্যন্ত অসন্তুষ্ট।— উদ্দীপকের রাবেয়ারসাথে নিচের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- 'নেকলেস' গল্পে কোন নৃত্যানুষ্ঠানের উল্লেখ আছে?
- ‘নেকলেস’ গল্পের অনুবাদক পূর্ণেন্দু দস্তিদার মৃত্যুবরণ করেন-
- মোপাসাঁ নামের কোন ইংরেজি বানানটি শুদ্ধ ?
- ‘নেকলেস' গল্পে কোন নদীর নাম পাওয়া যায়?
- মন্ত্রিসভার সব সদস্যের মাদাম লোইসেলের সংজ্ঞা কোন নৃত্য করতে ইচ্ছে হচ্ছিল?
- নেকলেস গল্পের নকল হারটির দাম কত ছিলো ?
- মাদাম লোইসেল তার সহপাঠিনীর সাথে দেখা করেফিরে এসে কষ্টে থাকতেন কারণ—বান্ধবী ধনী হওয়ায়বান্ধবীর আচরণে কষ্ট পেয়েনিজের আর্থিক অবস্থার কথা ভেবেনিচের কোনটি সঠিক?
- বড়লোক আত্মীয় বাড়িতে যাওয়ার জন্য তাহমিদ বন্ধুরদামি মোটরসাইকেল ধার করে নেয়। রাতে গাড়িটি চুরিহয়ে যায়। সে বিষয়টি বন্ধুকে জানালে বন্ধু বলে, 'কীআর করার। যা হবার সে তো হয়েছে।উদ্দীপকের তাহমিদ 'নেকলেস' গল্পের কোন চরিত্রেরপ্রতিনিধিত্ব করে?
- 'নেকলেস' গল্পটির ভাববস্তুর সঙ্গে প্রধানত যুক্ত কোনটি?
- 'ওই দুঃখজনক দেনা শোধ করা প্রয়োজন।' মাতিলদারএমন ভাবনা কীসের পরিচায়ক?
- রফিকের সংস???রে সচ্ছলতা না থাকলেও শান্তিতেই ছিল তারা। কিন্তু লোভে পড়ে উপরি পাওনার আশায় কোম্পানির মাল পাচারে সহযোগিতার দায়ে দারোয়ানের চাকরিটা চলে যায় তার। সংসারে নেমে আসে চরম দারিদ্র্য। বাধ্য হয়ে রফিকের স্ত্রী কল্পনাকে পরের বাড়িতে ঝি-এর কাজ করতে হয়। রাত অবধি হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে সে ঘরে ফেরে। তার চেহারায় মলিনতার ছাপ দেখতে পেয়ে কষ্ট পায় রফিক। তবে মুখ ফুটে কিছুই বলতে পারে না। কারণ সে জানে তার এ শাস্তি আত্মকৃত। কাউকে সে দোষ দিতে পারে না।উদ্দীপক ও 'নেকলেস' গল্প একই বৃক্ষের দুটি ফল- মূল্যায়ন করো।
- মি. লোইসেল ও তার স্ত্রী ঋণ শোধের জন্য কত বছর কষ্ট করেছিলেন?
- ফরাসি ভাষায় 'নেকলেস' গল্পটির না কী?
- 'নেকলেস'' গল্পে শিশু নিয়ে চামপ্স-এলিসিস-এ ঘুরে বেরাচ্ছিল-
- স্বামীর ধনৈশ্বর্যে মুগ্ধ নিরক্ষর ও সুন্দরী সালমা নিয়ত নতুনস্বপ্নের জাল বোনে। স্বামীর কাছে তার বায়নার শেষ নেই।এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী মানসিকভাবে পঙ্গুত্ববরণকরলে শিশু সন্তানসহ সালমা দিশেহারা হয়ে যায় । উদ্দীপকের সালমার সঙ্গে 'নেকলেস' গল্পের মাতিলদারবৈসাদৃশ্যপূর্ণ দিক কোনটি?
- কবি আলাওল কোন শতকের কবি?
- পিতার অভাবের সংসারে রেবেকা অতিকষ্টে মানুষ হয়েছে। জীবনে কত ছোটখাটো ইচ্ছাই তাকে নীরবে বিসর্জন দিতে হয়েছে! শিক্ষিত ও সুশ্রী হওয়া সত্ত্বেও বৈবাহিক জীবনে ভালো সংসার জোটেনি। কিন্তু নিজের অবস্থাকে সে ভাগ্য হিসেবে মেনে নিয়েছে এবং গৃহশিক্ষক স্বামীর সামান্য আয়ে সুন্দরভাবে সংসার পরিচালনা করছে। মেনে নেওয়া এই জীবনে তার কোনো বিড়ম্বনা নেই।"মেনে নেওয়া এই জীবনে কোনো বিড়ম্বনা নেই'- রেবেকার এই জীবন সত্যই 'নেকলেস' গল্পের মূলভাব।"- এই মতের পক্ষে তোমার বক্তব্য উপস্থাপন করো।
- ‘নেকলেস’ গল্পে উল্লিখিত ‘স্যাটিন’ কী?
- সালাম ও সালমার সংসারে সচ্ছলতা কিংবা বিলাসিতা না থাকলেও শান্তি এবং ভালোবাসার অভাব ছিল না। কিন্তু লোভে পড়ে বাড়তি পাওয়ার আশায় দুর্নীতির দায়ে অফিস সহকারীর চাকরিটা হারায় সালাম। তাদের সংসারে বাসা বাঁধে চরম দারিদ্র্য আর হতাশা। অগত্যা সালামের স্ত্রী সালমা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ নেয়। সকাল-সন্ধ্যায় বর্ণনাতীত পরিশ্রম করে ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফেরে সে। সালমার ক্লান্ত ও মলিন চেহারা দেখে সালাম মনে মনে খুব কষ্ট পায়। অথচ মুখ ফুটে সে কথা বলতে পারে না সে। কারণ সে ভালো করেই জানে যে, এই কষ্টের জন্য সে নিজেই দায়ী।উদ্দীপকের সালমার সাথে 'নেকলেস' গল্পের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।