পঁচিশে মার্চের সেই কালরাত্রি। তীব্র একাত্তর
দানবীয় হত্যা ও লুণ্ঠন অগ্নি হিংসার তাণ্ডব
হানাদার হায়েনার পৈশাচিক উল্লাস
সেই নগ্ন কালরাত্রে অতর্কিত বন্য হামলায়
উজাড় নিঃশেষ আর দগ্ধতার ধু ধু শূন্য ভগ্নস্তূপ
ঝরেছিল প্রাণ অগণন, সাঁদামাটি বাংলার প্রান্তরে
…………….…………….…………….…………….
অধিকৃত দেশ-মাটি-মানুষের মুক্তির সংগ্রামে
বাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে, নাই কোনো ক্ষমা নাই
যেকোনো ত্যাগের মূল্যে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা চাই
মুক্তিযুদ্ধ দিয়েছে মূল্যে লাল পতাকার অগ্নি অহংকার
মুক্তিযুদ্ধ চিরকালই চলমান, কোনো অন্ত বিরতিও নাই।
উদ্দীপকের ঘটনা 'রেইনকোট' গল্পের সাথে কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ?
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' রচনা করেন?
- 'মুসলিম লীগ সরকার কত বড়ো অপরিমাণমদর্শিতার কাজ করল।'- কোন প্রসঙ্গে লেখক এ কথা বলেছিলেন?
- " অসমাপ্ত আত্মজীবনী " কার রচিত ?
- আমারে তোমার বুকে টেনে লও রাজাআমি হিন্দু না- আমি না মোছলমানযাবজ্জীবন কারাবাসসহ সাজাদেশাত্তরের খাঁটি নিষ্পাপ প্রাণ। (সত্যগুহ)উদ্দীপকে যাবজ্জীবন কারাবাস্ত্রে সাথে শেখ মুজিবের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায় তা আলোচনা করো।
- মালিক পক্ষের নিপীড়ন আর শোষণ-বঞ্চনা বন্ধের দাবিতে'হাওলাদার কটন মিল'-এর শ্রমিকগণ আমরণ অনশন-ধর্মঘট শুরু করে। তাদের কথা— অত্যাচার ও শোষণেরঅবসান না হলে আমৃত্যু অনশন চালিয়ে যাবে ।উদ্দীপকের মূলভাব 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোনবাক্যে প্রতিফলিত হয়েছে?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গোপনে কয়েদিকে দিয়ে কাগজ আনালেন কেন?
- "সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়" কোন বর্তমান কালের উদাহরণ?
- যার যাবে প্রাণ তাহেপ্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি শুনাব শাহানশাহে।উদ্দীপকে ‘বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে ভাব প্রকাশিতহয়েছে— আত্মম্ভরিতা আত্মমর্যাদানিৰ্ভীকতানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘মন দিয়া কর সবে বিদ্যা উপার্জন’ বাক্যে নিম্নরেখাঙ্কিত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- বন্ধু, তোমার ছাড়ো উ???্বেগ, সুতীক্ষ্ণ করো চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দূর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোতে রুখে, তন্দ্রাকে করো ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোলো ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে, গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়ান্তে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় প্রতিবাদের ভাষার যে বৈসাদৃশ্য ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখো।
- অপারেশন স্যাটেলাইট এর পরিকল্পনাকারী কে?
- ‘সে মরাতেও শান্তি আছে' – লেখক শেখ মুজিবুররহমান কোন মৃত্যুতে শান্তির কথা বলেছেন?
- "বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায় "- বুঝিয়ে লেখো।
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের লেখক -
- মুক্তির মন্দির সোপানতলেকত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলেকত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,বন্দিশালার ওই শিকল ভাঙাতাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে,যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।উদ্দীপকটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বয়সে ‘অতসীমামী’ গল্প লিখেছেন?
- 'এসব হলো পাকিস্তানের ইনটার্নাল অ্যাফেয়ার।'- কে বলেছে?
- 'ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না'- কেন?
- 'এভাবে মৃত্যু বরণ করে কী লাভ হবে?' –'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় উক্তিটি কার?