মৃত্যু-ক্ষুধা' উপন্যাসটি কার লেখা?
A. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
B. শওকত ওসমান
C. কাজী নজরুল ইসলাম
D. সৈয়দ মুজতবা আলী
সঠিক উত্তরঃ
C.
কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: 'মৃত্যু-ক্ষুধা' উপন্যাসটি 'কাজী নজরুল ইসলাম' এর লেখা। অপশন বিশ্লেষণ: A. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ: ভুল, এটি সঠিক নয়, 'মৃত্যু-ক্ষুধা' উপন্যাসের লেখক নন। B. শওকত ওসমান: ভুল, এটি সঠিক নয়। C. কাজী নজরুল ইসলাম: সঠিক, 'মৃত্যু-ক্ষুধা' উপন্যাসটির লেখক কাজী নজরুল ইসলাম। D. সৈয়দ মুজতবা আলী: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: 'মৃত্যু-ক্ষুধা' একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যা নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের গুরুত্ব তুলে ধরে।
Related Questions (Any University/Year)
- কাজী নজরুল ইসলাম 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' দিয়ে কত দিন কারাগারে অনশন করেন?
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- আমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো গড়িয়া লইব। বাক্যটির রচয়িতা কে?
- 'বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি' - এই উক্তি কোন লেখকের?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, কীসের মধ্য দিয়ে সত্যকে পাওয়া যায়?
- ’খোদা হাত দিয়াছেন বেহেশত ও বেহেশতি চিজ অর্জন করিবার জন্য,’কার কথা?
- "আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে" - উক্তিটি কার?
- গীতগোবিন্দ' রচিত হয় কোন আমলে?
- আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। কার উক্তি?
- ‘ ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়ে তবেই সত্যকে পাওয়া যায় । ‘ কোন রচনার পাঠ্যাংশ?
- নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত উপন্যাস?
- ইহাই- হউক' তরুণের সাধনা। এই বাক্যটি কোন রচনার শেষবাক্য?
- বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে মিথ্যাকে মৃত্যুক আকড়িয়া পড়িয়া থাকে। উক্তিটি যে প্রবন্ধের অংশ তার লেখক
- “ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।- কীভাবে?
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।' কথাটি কোন রচনার?
- 'যৌবনের গান ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম 'তরুণের সাধনা' বলতে বুঝিয়েছেন -
- অনেক সময় খুব বেশি বিনয়ী দেখাতে গিয়ে নিজের ......... অস্বীকার করে ফেলা হয়।' শূণ্যস্থানের যথার্থ শব্দ কোনটি?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' উক্তিটি করেছেন-
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?