'ধন-ধান্য পুষ্পে ভরা' গানটির রচয়িতা কে?
A. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
B. অতুলপ্রসাদ সেন
C. কাজী নজরুল ইসলাম
D. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তরঃ
A.
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কাজী নজরুল ইসলাম সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন কত সালে ?
- সত্য নিজের শক্তিতে বলীয়ান। সেজন্য সত্য কখনো অন্যের ওপর নির্ভরশীল নয়। সত্যের শক্তি না থাকলে পৃথিবী এতদিন টিকে থাকত না। সমাজের পরতে পরতে যে অসত্য লুকিয়ে আছে তার চিত্র বাস্তবায়িত হতো। বাস্তব জীবনে সত্যের সাধনা জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করে তোলে। তাই সত্যের শক্তি সার্বজনীন।উদ্দীপকে যে প্রাণশক্তি প্রকাশিত হয়েছে তা 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে মূল্যায়ন করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাকে লেখক সালাম জানিয়েছেন?
- নিচের কোনটি কাব্য নয়?
- 'আত্মকে চেনা, নিজের সত্যকে বড়ো মনে করার দম্ভ' -সম্পর্কে কোনটি গ্রহণযোগ্য— এ দম্ভ শির উঁচু করে মতে একটা ‘ডোন্ট কেয়ার' ভাব আনেঅসাম্প্রদায়িক চেতনা জাগ্রত করেনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের সাথে কোন নামটি যুক্ত?
- 'সুপরিকল্পিত পথে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে জীবন পরিচালনা করতে না পারলে সে জীবন ব্যর্থ হয়ে যায়- এ বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার যে চরণে প্রকাশিত হয়েছে-
- 'সবচেয়ে বড় দাসত্ব' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইলামের 'বিদ্রোহী' কবিতার ক্ষেত্রে নিচের কোন তথ্যটি ঠিক?
- ‘আমার পথ’ গল্পটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
- ভারতবাসীকে নিজের উপর অটুট বিশ্বাস রাখতে শিখিয়েছিলেন কে?
- আমি জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অন্তরে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছি। কত রাত্রি অনুশোচনায় ঘুম হয় নাই। এখন ভুল বুঝতে পেরেছি। এখন সোজা এই বুঝেছি যে, আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব, বলে বেড়াব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোট হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মনির্যাতন ভোগ করব না।উদ্দীপকটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধটির আংশিক দিক প্রতিফলিত হয়েছে- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে কে মিথ্যাকে ভয় করে?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা নয়?
- মিজান সাহেব একজন সাদা মনের মানুষ। সারাটা জীবন আলোকিত মানুষ গড়েছেন। চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণের পর নিজের নেতৃত্বে পরিচালনা করেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান 'সেবাসংঘ'। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, বাল্যবিবাহরোধ, দুর্নীতি দমন অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে তিনি এলাকার মাতবরদের ভন্ডামির প্রতিবাদ করেন। মিথ্যা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ছিলেন সদা সোচ্চার। অনেকেই তাঁর কাজের প্রশংসা করলেও কেউ কেউ নিন্দা ও কটূক্তি করতেও ছাড়ে না। তাই বলে তিনি সমালোচনাকারীদের ভয়ে দমে যান না। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন 'সত্য ও ন্যায়ের পথই সহজ ও সঠিক পথ।' তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন-'মনেরে আজ কহ যেভালো মন্দ যাহাই আসুকসত্যরে লও সহজে।'উদ্দীপকের মিজান সাহেবের মাধ্যমে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে বাণী উচ্চারিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।"উদ্দীপকের যে মূলভাব, তারই বিস্তৃত পরিণতি 'আমার পথ'-এ পরিলক্ষিত।"- মন্তব্যের সত্যাসত্য বিচার করো।
- লেখক নিজ সত্যকে সালাম জানিয়েছেন কেন?