‘অবিদিত’ শব্দের অর্থ-
A. জানা
B. অজানা
C. বেদনা
D. অস্থির
সঠিক উত্তরঃ
B.
অজানা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘রেইনকোট' গল্পে নুরুল হুদার কাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে ইচ্ছা করল?
- রেইনকোট' গল্পের রেইনকোট কিসের প্রতীক?
- "বর্ষাকালেই তো জুৎ" -কথাটির রেইনকোট গল্পে কতবার বলা হয় ?
- ‘রেইনকোট’ গল্পে ব্যবহৃত রেইনকোটটি কার?
- 'এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।'- কথাটি বুঝিয়ে বলো।
- "রাশিয়ার ছিল জেনারেল উইনটার, আর আমাদের জেনারেল..."
- 'রেইনকোট' গল্পের উর্দুর প্রফেসরের নাম কী?
- হয়তোবা ইতিহাসে তোমাদের নাম লেখা রবে নাবড়ো বড়ো লোকেদের ভিড়ে জ্ঞানী আর গুণীদের আসরেতোমাদের কথা কেউ কবে না, তবু এই বিজয়ী বীর মুক্তিসেনাতোমাদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হবে না।উদ্দীপকের মুক্তিসেনা যেন 'রেইনকোট' গল্পের মিন্টুকে মনে করিয়ে দেয়"- বর্ণনা করো।
- বর্গি এল খাজনা নিতেমারল মানুষ কত।পুড়ল শহর পুড়ল শ্যামলগ্রাম যে শত শত।হানাদারের সঙ্গে জোরেলড়ে মুক্তি সেনাতাদের কথা দেশের মানুষকখনো ভুলবে না।"হানাদারদের সঙ্গে জোরে লড়ে মুক্তি সেনা- উদ্দীপকের এই বক্তব্যের মতো 'রেইনকোট' গল্পেও প্রতিরোধের চিত্র রয়েছে"- তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- ‘দুধেভাতে উৎপাত’ গল্পগ্রন্থের রচয়িতা–
- 'অন্য ঘরে অন্য স্বর' কে লিখেছেন?
- ‘যে গাছে বিস্তার ছায়া হয়’ এর এককথায় প্রকাশ কী?
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত 'রেইনকোট গল্পটি কোন প্রেক্ষাপটে রচিত?
- "চকচকে রোদ। সড়কের উত্তরে রাইফেল রেঞ্জের মধ্যে গামছা-পরা এক কিশোর তিন চারটে গরু খেদিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তার মাথায় ছালা বোঝাই ঘাস। কাঁধে লাঙল-জোয়াল। সম্ভবত সে মাঠ থেকে বাড়ি ফিরছে। 'মুক্তি। মুক্তি!' একজন সৈনিক চিৎকার করে ওঠে।'কাঁহা? কাঁহা?- অপরেরা প্রশ্ন করে।'ডাহনা তরফ দেখো।'কলিমুদ্দি দফাদার সবিনয়ে বলতে চায়, 'মুক্তি নেহি ক্যাপ্টেন সাব, উয়ো রাখাল হ্যায়, মেরা চেনাজানা হ্যায়।' 'চুপরাও সালে কাফের কা বাচ্চা কাফের। মুক্তি, আলবৎ মুক্তি।' বলেই সকলে একসঙ্গে গুলি ছোড়ে। এলাকা কেঁপে ওঠে। ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- 'এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।'- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি সঠিক বানান?
- দেশমাতৃকার মুক্তির শপথ নিয়ে মুক্তি বাহিনীতে যোগ দেয় হুমায়ূন সাহেবের পাঁচ ছেলে। রাজাকারের মাধ্যমে এই খবর জানতে পেরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী হুমায়ুন সাহেবের ঘর- বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। অবশেষে ক্যাম্পে ধরেও নিয়ে যায় তাকে, বারবার জানতে চায় তাঁর -ছেলেদের ঠিকানা। হুমায়ুন সাহেব চুপ করে করে থাকলে তাঁর পিঠের ওপর প্রচন্ড জোরে চাবুকের আঘাত করে। যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়েন তিনি। রক্তাক্ত ও ক্ষত-বিক্ষত হয় তাঁর শরীর। তবু তিনি মুক্তিবাহিনীর কোনো খবর দেননা হানাদার বাহিনীকে।উদ্দীপকের হুমায়ুন সাহেবের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র কোনটি? আলোচনা করো।
- ১৯ শে অক্টোবর ১৯৭১ সালে ঢাকার মতিঝিল এলাকায় একটি ব্যাংকের সম্মুখে পাকিস্তানি জঙ্গী সরকারের তাঁবেদারদের একটি মোটরগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। আমাদের দুঃসাহসিক বীর তরুণরা প্রকাশ্যে টহলরত হানাদার সৈন্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে উক্ত গাড়ির আসনের নিচে একটা 'টাইম বোমা' বসিয়ে দেয়। এরপর তাঁবেদাররা ব্যাংক লুট করে মোটরে আসনে গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র এলাকা প্রকম্পিত করে বোমাটি বিস্ফোরিত হলে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য গাড়িও একসঙ্গে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ফলে ঘটনাস্থলে ৫ জন তাঁবেদার খতম এবং কয়েকজন মারাত্মক আহত হয়। গেরিলা যোদ্ধাদের এরকম কর্মকাণ্ড অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তোলে এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রেরণা জোগায়।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- ১০ মার্চ, ১৯৭১। রাস্তায় রাস্তায় পাকিস্তানি মিলিটারি। গুয়াতলী গ্রামের হিন্দু জনগোষ্ঠী ভয়ে ভারতে পাড়ি জমায়। শুধু ভিটে আঁকড়ে পড়ে থাকে কেষ্টবাবু। পাশের গ্রামে, ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প। স্থানীয় রাজাকার কাশেম মোড়ল কেষ্টবাবুকে সন্দেহের চোখে দেখে। সে মনে করে কেষ্টবাবু মুক্তি বাহিনীর লোক। এক বৃষ্টিমুখর দিনে গুয়াতলী গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করে এবং কাশেম মোড়লের ইশারায় হানাদার বাহিনী তাকে ধরে নিয়ে পার্শ্ববর্তী রাস্তার পাশে জীবন্ত পুঁতে রেখে চলে যায়।"উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের একটি খণ্ডচিত্র মাত্র।"-উক্তিটির সত্যতা যাচাই করো।
- হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে ক্যাম্পাসে বাজারেবিষাক্ত গ্যাসের মতো বীভৎস গন্ধ দিয়েছে ছড়িয়েআমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না কামনা।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কীভা??ে সাদৃশ্যপূর্ণ- ব্যাখ্যা করো।