‘আনোয়ারা’ উপন্যাসের রচয়িতার নাম-
A. সৈয়দ মুজতবা আলী
B. কাজী আবদুল ওদুদ
C. নজিবর রহমান
D. রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন
সঠিক উত্তরঃ
C.
নজিবর রহমান
Explanation: আনোয়ারা (১৯১৪) বাঙ্গালী ঔপন্যাসিক মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। এটি তাঁর রচিত প্রথম ও সর্বাধিক সার্থক উপন্যাস। ‘সতীর সর্বস্ব পতি, সতী শুধু পতিময়, বিধাতার প্রেমরাজ্যে সতত সতীর জয়।’ এটাই উপন্যাসের মূল বক্তব্য। আনোয়ারা, নুরল এসলাম ছাড়াও খাদেম, আজিমুল্লা, গোলাপ জান ইত্যাদি এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র।
Related Questions (Any University/Year)
- জসীম উদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি?
- ‘নীলদর্পণ’ নাটকটি কার লেখা?
- "তরুতলে বসে পান্থ শ্রান্তি করে দূরফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুর।বিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙে লয়,তবু তবু অকাতর, কিছু নাহি কয়।দুর্লভ মানব জন্ম পেয়েছো যখনতরুর আদর্শ কর জীবনে গ্রহণপরার্থে আপন সুখ দিয়ে বিসর্জনতুমিও হওগো ধন্য তরুর মতন।""জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বিকাশ ও দানের কথা বর্ণিত হলেও উদ্দীপকে শুধুই ত্যাগের মহিমা কীর্তন করা হয়েছে।"- বিশ্লেষণ কর।
- “যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন- বাক্যটি কোন রচনার অন্তর্ভুক্ত
- আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের এমএ ক্লাসের ছাত্র। সমাজের কল্যাণ করতে সে পছন্দ করে। একবার তার এলাকায় ব্যাপক বন্যা দেখা দেয়। গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। খাদ্য আর চিকিৎসার অভাবে সাধারণ মানুষ নানা রকম দুর্ভোগে পড়ে। সাধারণ মানুষের কষ্টে আজিজের প্রাণ কেঁদে উঠে। মানুষের এমন পরিণতি সে মেনে নিতে পারেনি। তাই সে বন্ধুদের নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।উদ্দীপকটির ভাবের সাথে 'বিড়াল' রচনার আংশিক দিক প্রতিফলিত হয়েছে। আলোচনা কর।
- মানুষ মানুষের জন্য/ জীবন জীবনের জন্যএকটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না/ ও বন্ধুমানুষ মানুষকে পণ্য করেমানুষ মানুষকে জীবিকা করেপুরোনো ইতিহাস ফিরে এলেলজ্জা কি তুমি পাবে না?"উদ্দীপকে 'সাম্যবাদী' কবিতার মূলসুর ধ্বনিত হলেও 'সাম্যবাদী' কবি কবিতা বৈচিত্র্যময় তথ্য উপমায় অধিকতর ব্যঞ্জনাসহ হয়েছে"- মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- কোন পঙক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের 'সাম্যবাদী' কবিতার অন্তর্গত ?
- ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ প্রথম কোন সালে প্রকাশিত হয়?
- "গ্রন্থসাহেব" কোন সম্প্রদায়ের ধর্মগ্রন্থ?
- ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ কাব্যগ্রন্হের কবি কে?
- 'কলিমদ্দি দফাদার’ গল্পের মূল বিষয়বস্তু কী?
- "জীবন ও বৃক্ষ” প্রবন্ধে কোন চক্ষুকে বড় করে তুলতে বলা হয়েছে?
- মুহূর্তের অগ্ন্যুৎপাত' দ্বারা 'সেই অস্ত্র' কবিতায়ইঙ্গিত করা হয়েছে—
- 'কামাল পাশা' ও 'আনোয়ার পাশা' গ্রন্থ দুটির রচয়িতা কে?
- “বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি” কোন কবিতার চরণ?
- মানুষ ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম। হিন্দু-মুসলমানদের মিলনের অন্তরায় বা ফাঁকি কোনখানে তা দেখিয়ে দিয়ে এর গলদ দূর করা এর অন্যতম উদ্দেশ্য। মানুষে মানুষে যেখানে প্রাণের মিল, আদত সত্যের মিল, সেখানে ধর্মের বৈষম্য কোনো হিংসার দুশমনীয় ভাব আনে না। যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।উদ্দীপকের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতার সাদৃশ্য আলোচনা কর।
- সন্ধ্যার বাতাসে ঘরে ফেরার মধ্য দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- আজ উদ্যান লতা সৌন্দর্য গুণে বনলতার নিকট পরাজিত হইল।' এ বাক্যটি কোন লেখকের ?
- 'মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও।'- ব্যাখ্যা করো।
- সাগর সাহেবের বাসায় কাজ করে আয়না বিবি। মাস শেষে বেতন পেলেও ঠিকমতো খাবার পায় না সে। ক্ষুধার যন্ত্রণায় মাঝে মাঝে চুরি করে খাবার খায় আয়না। একদিন খাবার চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লে শাস্তি হিসেবে প্রহার করে তাকে তাড়িয়ে দেয়। আয়না বলে, "পেটে ক্ষুধা থাকলে চুরি না করে উপায় কী?"উদ্দীপকের আয়না বিবি এবং 'বিড়াল' রচনার বিড়াল অভিন্ন চেতনার ধারক।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।