‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'– বলতে বোঝানো
হয়েছে—
A.
অধিকার আদায়ে রক্তদান
B.
স্বাধীনতার জন্য রক্তদান
C.
দেশের জন্য রক্তদান
D.
শুভ কল্যাণ ও সুন্দরের জন্য রক্তদান
সঠিক উত্তরঃ
D.
শুভ কল্যাণ ও সুন্দরের জন্য রক্তদান
Explanation:
দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য যুগে যুগে আঠারো বছর বয়সের মানুষই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি। দেশ ও জনগণের মুক্তি ও কল্যাণের জন্য প্রাণ দিতেও দ্বিধাবোধ করেনি। উল্লিখিত উত্তি দ্বারা এ বয়স সুন্দর, শুভ ও কল্যাণের জন্য রক্তমূল্য দিতে জানে বোঝানো হয়েছে।
Related Questions (Any University/Year)
- ঋতু প্রিয়জনের মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন। জীবন-জগতের কোনো সৌন্দর্য তাকে আকৃষ্ট করে না। যে চাঁদের আলো দেখে একসময় তার মনে আনন্দে ভরে উঠত, সেই আলো এখন তার কাছে আঁধারের অধিক।ঋতুর মন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন প্রতীককে ধারণ করেছে?
- " আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা" -কারণ এই বয়সে মানুষ
- দেশ ও জাতির কল্যাণে তারুণ্যশক্তি এগিয়ে যায় কেন?
- ফ্যাসিবাদবিরোধী কাব্যগ্রন্থ ‘আকাল’ সম্পাদনা করেন কে?
- এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে। কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি এই প্রত্যাশা করেছেন?
- প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের আর নিছক কৌতূহলের বশে 'ব্লু হোয়েল' নামক অনলাইন গেমের মরণজালে জড়িয়ে সোনালি তার জীবন বিপন্ন করে তোলে। অথচ শমী হাসান মায়ের মৃত্যুর পর শোককে শক্তিতে পরিণত করে দরিদ্র হরিজন পল্লিতে সেবামূলক কাজ শুরু করে। পানিবাহিত রোগের কারণে যেন কারো মৃত্যু না ঘটে সেই বিষয়ে কাজ করে শমী আন্তর্জাতিক সেবা সংস্থা গ্লোবাল সিটিজেনের নিরাপদ পানি, সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক তরুণ মুখপাত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।উদ্দীপকের সোনালি চরিত্রের মধ্য দিয়ে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- 'আঠারো বছর বয়স' বিপদের মুখে কী?
- 'আমি দলে যাই যত বন্ধন, যত নিয়মকানুন শৃঙ্খল' -এই পঙক্তির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে—
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।রক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করে।পুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচাআয় দূরন্ত আয় রে আমার কাঁচা।"উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত বিষয়ের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
- রফিক মার্চের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। গ্রামে এসে সে সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাবে। পরিবারের উদ্দেশ্যে চিরকুট লিখে সবাই রাতের আঁধারে ঘর ছাড়ে।'তরুণ মানেই দেশমাতৃকার দুঃসময়ের শক্তি।'- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও কবিতার আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটির রচয়িতা কে?
- 'একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রং' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- 'দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য আমৃত্যু কোন পত্রিকার সম্পাদকছিলেন?
- কত বছর বয়সে কবি সুকান্তের মৃত্যু হয়েছিল?
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন রবিন স্বৈরাচারী শাসকের নিপীড়ন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে জীবন যেতে পারে জেনেও সুন্দর আগামীর ভবিষ্যতে এগিয়ে যায়.।উদ্দীপকের রবিনের মনোভাবটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন চরণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় 'আঠারো' শব্দটি কতবার ব্যবহৃত?
- বহুতল ভবন দয়াল টাওয়ারে আগুন লাগার পর কালো ধোঁয়ায় চারদিকে ছেয়ে যায়। উৎসুক মানুষের ভিড়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সগুলো ঠিকমতো চলাচল করতে পারছিল না। ঠিক তখনই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। হাতে হাত ধরে যান চলাচল ও অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছিল তারা।'আত্মত্যাগ ও মানবতা তারুণ্যের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।' উদ্দীপকে ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি পর্যালোচনা করো।
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।'উদ্দীপকটির বক্তব্য 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বক্তব্যের সাথে কি সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- ‘আমাদের তরুণরাই দেশ ও জাতির চালিকাশক্তিহয়ে দাঁড়াক।'- এ প্রত্যাশার প্রতিফলন 'আঠারোবছর বয়স' কবিতার কোন চরণটিতে ঘটেছে?