“আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়, কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝ্ঝুম নিরালায়”! পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
A. মোজাম্মেল হক
B. গোলাম মোস্তফা
C. সুফিয়া কামাল
D. জসীমউদদীন
সঠিক উত্তরঃ
D.
জসীমউদদীন
Explanation: পঙক্তিটি জসীমউদ্দীনের ‘কবর’ কবিতার অংশবিশেষ। এই কবিতাটি কবির ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত কবিতাটিতে ১১৮টি লাইন রয়েছে।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘বৃথা ত্রাসে প্রলয়ের সিন্ধু ও দেয়া-ভার, ঐ হল পুণ্যের যাত্রীরা খেয়া পার।’ – এই উদ্ধৃাতাংশটি কোন কবির রচনা?
- ‘কালের বিবর্তনে আমরা এখন আর tribe বা গোষ্ঠীবদ্ধ জীব নই- বৃহত্তর মানবতার অংশ।' উক্তিটি কোন লেখকের?
- "মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ "এ উক্তিটি কার?
- “পাহাড় সমান ফেটিয়ের বুকে নৌকা আমার ভাসে মেঘ-মুকুলের পাহাড় থেকে ঝড়ের ঝাপটা আসে।”এই কবিতাংশটুকু কোন কবির রচনা?
- 'আমি কমবক্তার দলে।'– উক্তিটি করেছেন?
- “আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।”-পঙক্তিটির রিচয়িতা কে?
- 'সাহিত্যের উদ্দেশ্য মানুষের মনকে জাগানো'- কার উক্তি?
- 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন' উক্তিটি কার?
- “বউ কথা কও, বউ কথা কও কও কথা অভিমানিনী। সেধে সেধে কেদেঁ কেদেঁ যাবে কত যামিনী।”-এই কবিতাংশটুকুর কবি কে?
- ‘ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে’, বলেছেন-
- ‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল’ পঙ্ক্তির রচয়িতা কে?
- ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ এই চরণদ্বয়ের লেখক-
- “নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বে, আসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। " কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’-উক্তিটি কার?
- ‘নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বে, ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।’ কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- "মিথ্যা শুনিনি ভাই, এই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির-কাবা নাই।” উদ্ধৃতিটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার অংশ?
- ‘মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর’- এই পংক্তিটি কার রচনা?
- গাহি তাহাদের গান- ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান।– পঙ্গক্তিটি কোন কবির রচনা?
- "কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক,কে বলে তা বহুদূর? মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক মানুষেতে সুরাসুর." উক্তিটি কার?
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' পক্তিটি কার লেখা?