"নমি আমি প্রতিজনে, আদ্বিত্য-চন্ডাল
প্রভু, ক্রীতদাস!
সিন্ধুমূলে জলবিন্দু, বিশ্বমূলে অণু;
সমগ্রে প্রকাশ!
নমি কৃষি-তন্তজীবী, স্থপতি, তক্ষক,
কর্ম চর্মকার! কত
রাজ্য কত রাজ গড়িছ নীরবে
হে পূজ্য, হে প্রিয়!
একত্বে বরেণ্য তুমি, শরণ্য এককে-
আত্মার আত্মীয়।"
উদ্দীপকের শেষ পংক্তি দুটি 'ঐকতান' কবিতার মূলসুরকে ধ্বনিত করে তোলে- বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও।'- ব্যাখ্যা করো।
- "রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি" উক্তিটি কার?
- 'বিশাল বিশ্বের আয়োজন' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘সেই অস্ত্র’ কবিতায় বর্ণিত নগরটির নাম কী?
- ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ গ্রন্থটির প্রণেতা–
- "তাহাদের রূপের ছটা দেখিয়া, অনেক মার্জার কবি হইয়া পড়ে'- কার, কেন?
- ‘বিড়াল’ প্রবন্ধে 'নিমীলিতলোচনে' শব্দটির অর্থ কী?
- মার্জার' এর অর্থ কি ?
- কাজী আবদুল ওদুদ রচিত অভিধান কোনটি?
- দীপ্ত সম্প্রতি তার বড়ো ভাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দর্শন করে আসে। জাদুঘরে গিয়ে সে প্রচুর আনন্দ লাভ করে। জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থেকে জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে অনেক জ্ঞান অর্জন করে। সভ্যতা বিকাশের নানা নিদর্শন ও তথ্যচিত্র দেখে সে চমৎকৃত হয়। এতে সে মানসিক শক্তি অর্জনের প্রেরণা খুঁজে পায়। জাদুঘর দর্শন তার ভেতরে দেশপ্রেম ও জাঁতির প্রতি দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দেয়। এখন সে নিজেকে চিনে ও জানে।উদ্দীপকের দীপ্তর অনুভূতির সঙ্গে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিকটির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
- 'ঐকতান' কবিতাটি কার লেখা?
- 'বিড়াল' রচনায় বিড়ালের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবেনিচের কোনটি প্রযোজ্য?
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক 'কীত্তনখোলা।' এ নাটকের চরিত্র হিসেবে পাই কৃষক, খুদে ব্যবসায়ী, যাত্রাপালার কলা-কুশলীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। এরা সকলেই সমাজের নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধি। এসব মানুষের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার আড়ালে জীবনের যে অপ্রাপ্তি আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা তারই বিশ্বস্ত চিত্র উপস্থাপন। করেছেন নাট্যকার। নাটকে প্রাধান্য পেয়েছে চরিত্রগুলোর সচেতন ও অবচেতন মনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো। 'কীত্তনখোলা' হয়ে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের কৃত্রিম-অকৃত্রিম আচরণের ধারা বর্ণনা।"উদ্দীপকে বিধৃত 'কীত্তনখোলা' নাটকে নাট্যকারের যে কীর্তি তা-ই অন্বিষ্ট ছিল 'ঐকতান' কবিতার কবির।"- আলোচনা করো।
- ওই যে দাঁড়ায়ে নতশিরমুক সবে, ম্লান মুখে লেখা শুধু শত শতাব্দীরবেদনার করুণ কাহিনী; স্কন্ধে যত চাপে ভারবহি চলে মন্দগতি যতক্ষণ থাকে প্রাণ তার-তার পরে সন্তানেরে দিয়ে যায় বংশ বংশ ধরি,নাহি ভর্ৎসে অদৃষ্টেরে, নাহি নিন্দে দেবতারে, স্মরি,মানবেরে নাহি দেয় দোষ, নাহি জানে অভিমান,শুধু দুটি অন্নখুঁটি কোনমতে কষ্টক্লিষ্ট প্রাণরেখে দেয় বাঁচাইয়া।উদ্দীপকের আলোকে 'ঐকতান' কবিতার শ্রমজীবী মানুষের জীবনচিত্র বর্ণনা কর।
- অপুর কেমন মনে হয় নিশ্চিন্দিপুরের সেই অপূর্ব মায়ারূপ এখানকার কিছুতেই নাই। কোথায় সে নিবিড় পুষ্পিত ছাতিম বন, ডালে ডালে সোনার সিঁদুর ছড়ানো সন্ধ্যা? আজ কতদিন সে নিশ্চিন্দিপুর দেখে নাই- তিন বৎসর! কত কাল! সে জানে নিশ্চিন্দিপুর তাহাকে দিনে-রাতে সবসময় ডাকে। বাঁশবনটা ডাক দেয়, দেবী বিশালাক্ষী ডাক দেন। এতদিনে তাহাদের সেখানে ইছামতিতে বর্ষার ঢল নামিয়াছে। ঝোপে ঝোপে নাটা কাঁটা, বনকলমীর ফুল ধরিয়াছে। বন অপরাজিতার নীল ফুলে বনের মাথা ছাওয়া।"উদ্দীপকের অন্তলীন দেশপ্রেম 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায়ও ফুটে উঠেছে।”- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।
- “শয়ন কুৎসিত বীরের ভোজন বিটকাল, গ্রাসগুলি তোলে যেন তে আটিয়া তাল”, কবিতাংশটির রচয়িতা,
- ‘জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্য অনুযায়ী যারা প্রেমও সৌন্দর্যের স্পর্শ লাভ করেনি তাদের একমাত্রদেবতা কে?
- বাঘ-ময়ুর-সিংহ ও সাপের কথা উল্লেখ আছে কোন কবিতায়?
- ‘অতএব পুরুষের মতো আচরণ করাই বিধেয়।'-কথাটিতে কী প্রকাশিত হয়েছে?
- পালিলাম আজ্ঞা সুখে; পাইলাম কালে' কে পেয়েছিলেন ?