মজিদের মুখে থু থু দিয়েছিল কে?
A. রহিমা
B. আমেনা বিবি
C. জমিলা
D. হাসুনির মা
সঠিক উত্তরঃ
C.
জমিলা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা। সময়ে অসময়ে মিথ্যা কথা না বললে নয়- এ কথার মধ্যে মজিদ চরিত্রের যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে তা হলো-অনুশোচনাবোধঅস্তিত্ব রক্ষার প্রয়াসআত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টানিচের কোনটি সঠিক?
- 'লালসালু' উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- 'জমিলা যেন ঠাঁটাপড়া মানুষের মতো হয় গেছে।'- ব্যাখ্যা করো।
- মজিদ সবাইকে কী বলে সম্বোধন করে থাকেন?
- 'নাফরমানি করিও না। খোদার ওপর তোয়াক্কল রাখো।' ব্যাখ্যা করো।
- কালু মিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী কারা তার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে?
- "এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়”- 'লালসালু'উপন্যাসের এ বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে মজিদের—
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি,' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- দরিদ্র বালক সবুজের তিন কুলে কেউ নেই। পেটের দায়ে লঞ্চঘাটে গিয়ে পাঁচ টাকার বিনিময়ে একজনের ব্যাগ মাথায় নিতেই পুরোনো কুলিরা তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। সবুজ দমে না গিয়ে সেখানে শেকড় গাড়ার চেষ্টা করে। একসময় সে কুলিদের সর্দার হয়। তাতেও সে নিশ্চিন্ত হতে পারে না। বিশাল এ দুনিয়ায় সে অর্থবিত্ত অর্জনের পাশাপাশি প্রভাব, প্রতিপত্তি ও আধিপত্যের নেশায় মেতে ওঠে। পরবর্তীতে তার সব হয়। এখন আর কেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে পারে না।উদ্দীপকের সবুজ 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?- আলোচনা কর।
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়ার জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।উদ্দীপকের কোব্বাদ মেম্বারের সাথে মজিদ চরিত্রের মিল ও অমিল দেখাও।
- 'তোমার দাড়ি কই মিঞা?' উক্তিটি কার?
- একসময় পরম অনাদর ও অব্যবস্থা থেকে ওঠা আলেয়া গ্রামবাসীর কাছে হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এলাকায় পীর হিসেবে পরিচিত ওদুদের দ্বিতীয় স্ত্রীর মর্যাদা পাওয়ায় তার এ কদর। দূরদূরান্তে থেকে লোকজন প্রতিদিন তার কাছে নানা তদবির নিয়ে আসে.। আলেয়া তাদের আবদার হাসিমুখে মেনে নেয়।স্বামীর প্রভাব-প্রতিপত্তিই মূলত আলেয়ার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার কারণ'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- দিন কাটিয়া যায়। জীবন অতিবাহিত হয়। ঋতু চক্রে পাক খায়। পদ্মার ভাঙন ধরা তীরে মাটি ধসিতে থাকে, পদ্মার বুকে জল ভেদ করিয়া জাগিয়া উঠে চর। অর্ধ শতাব্দীর বিস্তীর্ণ চর পদ্মার জলে আবার বিলীন হইয়া যায়। জেলেপাড়ার শিশুর ক্রন্দন কোনদিন বন্ধ হয় না। ক্ষুধা-তৃষ্ণার দেবতা, হাসি-কান্নার দেবতা,অন্ধকার আত্মার দেবতা ইহাদের পুজো কোনদিন সাঙ্গ হয় না।"উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের। মন্তব্যটির মূল্যায়ন কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'পরগাছা মুরব্বি' কে?
- সুমি একজন স্বাধীনতাপ্রিয় নারী। অন্যের অধীনতা তার একেবারেই পছন্দ না। তার চালচলন ও সমাজপতিদের মনে আঘাত হানে। কিন্তু বিষয়টি মোটেও তোয়াক্কো করে না সুমি।উদ্দীপকের সুমি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতীক?
- কত বছর বয়সে আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল?
- অন্ন চাই, প্রাণ চাই, আলো চাই, চাই মুক্ত বায়ুচাই বল, চাই স্বাস্থ্য, আনন্দ-উজ্জ্বল পরমায়ু’সাহস বিস্তৃত বক্ষপট। এ দৈন্য-মাঝারে কবি,একবার নিয়ে এসো স্বর্গ হতে বিশ্বাসের ছবি। উদ্দীপকের আলোকে ‘লালসালু' উপন্যাসের প্রাণময়ও সাহসী চরিত্র কোনটি?
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই, তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা-চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।উদ্দীপকের টুনির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা করো।
- 'অমন কথা কইওনা বিটি, ঘরে বালা আইসে।'- উক্তিটি কার?