বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন?
A. ১৯১৭
B. ১৯১৬
C. ১৯১৮
D. ১৯১৯
সঠিক উত্তরঃ
A.
১৯১৭
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ কোনটি ?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি নিজেকে কার শিষ্য বলে পরিচয় দিয়েছে?
- 'পাশরি' শব্দের অর্থ কী?
- অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খলতার প্রকাশ 'বিদ্রোহী' কবিতার কোন চরণটি?
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যু দিবস কোনটি?
- বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকেআমি যাই তারি দিন-পঞ্জিকা লিখে,এতো বিদ্রোহ কখনো দেখেনি কেউ,দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ;স্বপ্ন-চূড়ার থেকে নেমে এলো সব-শুনেছ? শুনছ উদ্দাম কলরব?নয়া ইতিহাস লিখছে ধর্মঘট;রক্তে রক্তে আঁকা প্রচ্ছদপট।'প্রত্যহ যারা ঘৃণিত ও পদানত,দেখ আজ তারা সবেগে সমুদ্যত;"উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার স্মারক।" বিচার করো।
- কোনটি কাজী নজরুল রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়?
- 'বিদ্রোহী' কবিতা কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- ‘চির উন্নত মম শির'— কথাটি কীসের পরিচায়ক?
- কবি নিজেকে বেদুইন বলেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহিদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে। প্রীতিলতাও বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হন। প্রথম নারী সদস্য হিসেবে যোগ দেন সূর্য সেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে। এরপর টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইনস দখল অভিযানে যুক্ত ছিলেন। তিনি অংশগ্রহণ করেন জালালাবাদ যুদ্ধেও। ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। 'কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ' এরূপ অবমাননামূলক কথার জন্য ক্লাবটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ ছিল ভারতীয়রা। প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে। ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাৎক্ষণিকভাবে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরও উজ্জীবিত করে তোলে। উদ্দীপকের কোন দিকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- কামাল পাশা কোন বিষয়ে অন্যায় দেখলে মেনে নিতে পারতেন না। জন্ম থেকে তার মধ্যে ছিল বিদ্রোহী সত্তা। দেশের সুলতান অন্য দেশের কাছে অবজ্ঞার পাত্র। কামাল পাশা অন্তরে অনুভব করেন এই অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। শেষ পর্যন্ত তিনি এই পরিবর্তন করতে সক্ষম হন এবং তুরস্ককে একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত করেন।উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- 'হয় ধান নয় প্রাণ' এ শব্দেসারাদেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজমৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয় জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।
- "এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ, মরণে তাহাই তুমি করে গেলে দান"। কে কার উদ্দেশ্যে উক্তিটি করেছিলেন?
- ‘দুর্গমগিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাপারলঙ্ঘিত হবে রাত্রি নিশীথে যাত্রীরা হুঁশিয়ার’উদ্দীপকের কবি এবং সৈয়দ শামসুল হকেরমিল-সংগ্রামী চেতনায়বিরহ বোধে দৃষ্টিভঙ্গিতে নিচের কোনটি সঠিক?
- "মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য; পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ভারতবর্ষের ইতিহাসে ক্ষুদিরাম, মাস্টার দা সূর্যসেন'ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বিখ্যাত নাম। বৃটিশদের অত্যাচার থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করার মানসে নিজেদের বিপ্লবী হিসেবে গড়ে তোলেন। তাঁরা বৃটিশ শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও বিপ্লবের ঝান্ডা উড়িয়ে তাদের ভিত্তি প্রকম্পিত করেন।উদ্দীপকের ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোর সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার যে বিদ্রোহী মনোভাবের পরিচয় পাওয়া যায়- ব্যাখ্যা কর।
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য।' চরণটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- “ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে” কে এই দামাল ছেলে?
- কবি নিজেকে 'অবমানিতের মরম বেদনা' বলেছেন কেন?