১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চিন্তে দেশেই অবস্থান করেছিলেন। তাঁদের ধারণা ছিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনী অকারণে মানুষ হত্যা করবে না। অন্তত যুদ্ধের নিয়ম, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী এমনই হওয়ার কথা। কিন্তু পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর সাহায্যে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। যাদের কেউ আর ফিরে আসেননি; লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবুও বাংলার স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করতে পারেনি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।
উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টিকে উপস্থাপন করেছে? আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- “মিসক্রিয়েন্টরা সব খতম"___এখানে ‘মিসক্রিয়েন্ট’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
- ‘গজদন্ত মিনার’ অর্থ কী?
- আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসে উল্লিখিত সুদীপ্ত শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতের ভয়াবহতায় আতঙ্কগ্রস্ত একজন মানুষ। তাঁর যাপিত জীবন আতঙ্ক আর ভয়ের মধ্য দিয়ে কাটে। কারণ সে রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকার নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সেই হত্যাযজ্ঞ থেকে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন পর্যন্ত রেহাই পায়নি। সুদীপ্ত শাহীন এর মাঝে বেঁচে আছেন এটা বিশ্বাস করতে তাঁর বিস্ময় লাগে। ২৬ মার্চের সূর্যোদয় দেখবার কথা তিনি ভাবতেও পারে না।'রেইনকোট' গল্পের মূলভাব উদ্দীপকে অনেকটাই প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- বৃত্তাকারে দাঁড়ানো মিলিটারির মাঝখানে হাত-পা বাঁধা কালামকে টানতে টানতে এনে দাঁড় করানো হলো। কালামের নাক-মুখ থেকে রক্ত ঝরছে। তাকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, মুক্তিবাহিনী কোথায় পালিয়ে গেছে? তিনি ঠিক করলেন, কিছুই বলবেন না। বন্দুকের নলটা কপালের ঠিক মাঝখানটায় ধরা হলো। তিনি বললেন, 'আমার মতো সাধারণ কালামের মৃত্যুতে কিছু এসে যায় না। কিন্তু মুক্তিফৌজদের জীবনের দাম আছে। মুক্তিফৌজ না বাঁচলে তোমাদের মারবে কে?' গুলিটা কপাল ভেদ করে বেরিয়ে যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত মিলিটারির নিপীড়নের দৃশ্যটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে তুলনা করো।
- "তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা,সখিনা বিবির কপাল ভাঙলো,সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলোদানবের মতো চিৎকার করতে করতেতুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হলো।উদ্দীপকের সঙ্গে 'রেইনকোট'- গল্পটি কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যাখ্যা কর।
- রাশেদ গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিতোলায় শ্রমিকনেতা জামালকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করাহয়। দারুণ অর্থকষ্টে পতিত হলেও জামাল হাল ছাড়ে না।দৃঢ় আত্মপ্রত্যায়ের সাথে শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে দুর্বারআন্দোলন গড়ে তোলে ।উদ্দীপকের জামাল চরিত্রে 'আঠারো বছর বয়স'কবিতার কোন বৈশিষ্ট্যটি বিদ্যামান?
- "চকচকে রোদ। সড়কের উত্তরে রাইফেল রেঞ্জের মধ্যে গামছা-পরা এক কিশোর তিন চারটে গরু খেদিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তার মাথায় ছালা বোঝাই ঘাস। কাঁধে লাঙল-জোয়াল। সম্ভবত সে মাঠ থেকে বাড়ি ফিরছে। 'মুক্তি। মুক্তি!' একজন সৈনিক চিৎকার করে ওঠে।'কাঁহা? কাঁহা?- অপরেরা প্রশ্ন করে।'ডাহনা তরফ দেখো।'কলিমুদ্দি দফাদার সবিনয়ে বলতে চায়, 'মুক্তি নেহি ক্যাপ্টেন সাব, উয়ো রাখাল হ্যায়, মেরা চেনাজানা হ্যায়।' 'চুপরাও সালে কাফের কা বাচ্চা কাফের। মুক্তি, আলবৎ মুক্তি।' বলেই সকলে একসঙ্গে গুলি ছোড়ে। এলাকা কেঁপে ওঠে। ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে স্বাধীনতাযুদ্ধে এদেশের জনসাধারণের অবস্থা আলোচনা করো।
- রেইনকোট' গল্পের রেইনকোট কিসের প্রতীক?
- সন্তানকে রক্ষা করতে নিজের বুকে গুলি পর্যন্ত খেলেন লিপি মণ্ডল। এরপরও শেষ রক্ষা হলো না। ছয় বছরের শিশু পুত্র পরাগ মন্ডলকে দিন দুপুরে অপহরণ করে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা। শিশুটির এখনো কোনো খোঁজ নেই। এ ধরনের একটি ঘটনা তখনই ঘটে যখন আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে জনমনে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে।উদ্দীপকের লিপি মণ্ডলের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা কর।
- 'দূরে কিংবা কখনো খুবই কাছেযাচ্ছে শোনা ফুটফাট গুলির আওয়াজ, ত্রাসেবুক কাঁপে, পারি না শুধোতে কে কোথায় গেল মরে,দম বন্ধ করে চুপ করে পড়ে থাকি ঘরের কবরে।'উদ্দীপকের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের যে প্রসঙ্গটিমিলে যায়—মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীননির্যাতিত বাঙালিমুক্তিযুদ্ধের মানুষের আত্মত্যাগনিচের কোনটি সঠিক?
- “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করিমোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।"উদ্দীপকে 'মোরা' শব্দটি 'রেইনকোট' গল্পের কোনচরিত্রকে প্রতিনিধিত্ব করে?
- কালরাত ঢাকা ছিল প্রেতের নগরীসবাই ফিরেছে ঘরে সাত তাড়াতাড়ি। চতুর্দিকেনিস্তব্ধতা ওঁৎ পেতে থাকে,ছায়ার ভিতরে ছায়া, আতঙ্ক একটিকৃষ্ণাজা চাদরে মুড়ে দিয়েছে শহরটিকে আপাদমস্তক"উদ্দীপকের পরিস্থিতি 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদা শ্যালকের পোশাক পরে 'অবলোকনের কারণেই তার পরিবর্তন ঘটে" মূল্যায়ন করো।
- 'বহু দেখেছে যে' - এক কথায় হবে-
- কলেজ থেকে ঘরে ফেরার পথে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষের মধ্যেপড়ে যায় মাহমুদ। পুলিশের বেধড়ক লাঠিপেটায় সেদিনথেকেই সে হয়ে ওঠে ভাষা আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মী। উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পটিকে যে প্রেক্ষাপট থেকেপ্রতিনিধিত্ব করে তা হলো-
- তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাসাকিনা বিবির কপাল ভাঙলো;সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলো।দানবের মতো চিৎকার করতে করতেতুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হলো। রিকয়েললেস রাইফেলআর মেশিনগান খই ফোটালো যত্রতত্র।উদ্দীপকে বর্ণিত বিশেষ সময়ের ভয়াবহতা 'রেইনকোট' গল্পের সাথে সাদৃশ্যযুক্ত।- মন্তব্যটি বুঝিয়ে দাও।
- "রেইনকোট " গল্পের প্রেক্ষাপট কী?
- ‘রেইনকোট’ গল্পের কথক-
- "বাজারে মিলিটারি ঢোকার পর থেকেই কলিমদ্দি দফাদারের ওপর বোর্ড অফিস খোলার ভার পড়েছে। অপেক্ষাকৃত কমবয়স্ক চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান মিলিটারির ভয়ে পারতপক্ষে এদিকে আসেন না। মেম্বারগণও আত্মগোপন করেছেন। কিন্তু বোর্ড অফিস নিয়মিত খোলা রাখার হুকুম জারি আছে। কলিমদ্দি এ কাজ করার জন্য বাজারে আসে। খান সেনারা ওকেই ওদের অভিযানে সঙ্গী করে নেয়। সে সরকারি লোক, নিয়মিত নামাজ পড়ে এবং যা হুকুম তা পালন করে। সুতরাং সন্দেহের কারণ নেই।" তাই এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পাক-ক্যাম্পের খবর মুক্তি বাহিনীর নিকট সরবরাহ করাসহ পাকিস্তানি হানাদারদের বিপথে চালিত করতে পারে কলিমদ্দি। 'রেইনকোট' গল্পে বর্ণিত কলেজের পরিস্থিতির সাথে উদ্দীপকের বোর্ড অফিসের পরিস্থিতির তুলনা করো।
- 'up-to-date' শব্দের বাংলা পরিভাষা কোনটি?
- ‘রেইনকোট’ গল্পে রেইনকোটটি কার?