‘পালামৌ’ ভ্রমণকাহিনীটি কার রচনা?
A. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
B. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
C. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
D. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তরঃ
C.
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation: ‘পালামৌ’ ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা কথাশিল্পী সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৪-১৮৯১)। তিনি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মধ্যমাগ্রজ। বঙ্গদর্শনে প্রকাশিত ‘পালামৌ’ সঞ্জীবচন্দ্রের শ্রেষ্ঠ রচনা। ‘পালামৌ’ ভ্রমণকাহিনীর রচনাকাল ১৮৮০ থেকে ১৮৮২ সাল। এটি ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায় প্রমথনাথ বসু ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়। বিহারের পালমৌ এলাকার পাহাড়ি অঞ্চলের কোল উপজাতির জীবনাচার এবং তাদের সাথে লেখকের যাপিত জীবনের দিনলিপির একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ রয়েছে এ ভ্রমণকাহিনীতে। এই বইয়ের বিখ্যাত উক্তি ‘বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে’।
Related Questions (Any University/Year)
- 'কাদম্বিনী' অর্থ-
- বৃক্ষের সার্থকতা প্রকাশ কোনটি সমর্থিত?
- ‘কবর’ নাটকটির লেখক-
- কবর কবিতাটি কোন ধরনের রচনা?
- 'যে চাঁদ সাগরে জোয়ার জাগায়, সে হয়ত তাহার শক্তি সম্বন্ধে আজও না ওয়াকিফ।' -এ বাক্যটি কোন রচনার?
- পদ্মানদীর মাঝি ' উপন্যাসটির লেখক কে?
- ছনু মিয়া তার বড়ো পরিবারের ভরণপোষণ করতে না পেরেমিথ্যার আশ্রয় নেয়। একদিন রাতে সে তার বাড়ির সামনেএকটি সাইনবোর্ড টাঙ্গায়। সেখানে লেখা থাকে যে, সেস্বপ্নে অলৌকিক ক্ষমতা পেয়েছে এবং এর দ্বারা যাবতীয়সমস্যার সমাধান করা হয়। এই সাদৃশ্যের কারণ হলো- মিথ্যার আশ্রয়ধর্ম ব্যাবসাযাপিত জীবনের ভার সইতে না পারানিচের কোনটি সঠিক?
- প্রাবন্ধিক মোতাহের হোসেন চৌধুরীর জন্ম কোন জেলায়?
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের মতে সভ্যতার সঙ্গেদারিদ্র্য বৃদ্ধির কারণ কী?
- 'ধন্যবাদ' কবিতার সর্বশেষ চরণ -
- ”কলিমুদ্দি দফাদার” গল্পের ঘটনাকাল ১৯৭১ সালের-
- ধন ধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরাতাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরাও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরাএমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমিসকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি।উদ্দীপকের প্রথম চরণের সাথে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে'-কবিতার সাদৃশ্য নিরূপণ কর।
- শিক্ষকতার দীর্ঘ জীবনে রহিম সাহেবের কাছে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিচয় কখনো বড়ো হয়ে ওঠেনি। জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি আশপাশের মানুষদের মানবতাবাদে দীক্ষিত করা ছিল তাঁর জীবনব্রত। এখন তাঁর অবসর কাটে সামাজিক আর ব্যক্তি মানুষের কল্যাণকর্মে। ধর্মীয় গোঁড়ামি কিংবা অন্ধ সংস্কারের কারণে সমাজে যখন অনাচার দেখা দেয় তখন রহিম সাহেব সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের প্রায়ই চন্ডীদাসের সেই অমর উচ্চারণ মনে করিয়ে দিতেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।""উদ্দীপকটি ভাবগত দিক থেকে 'সাম্যবাদী' কবিতাকে ধারণ করেছে।"- মন্তব্যটি বিচার করো।
- বৃদ্ধির ইশারা ছাড়াও বৃক্ষ আর কীসের ইঙ্গিত?
- 'ঐকতান' কবিতাটি প্রথমে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে?
- 'পদ্মা নদীর মাঝি' কে লিখেছেন?
- বাজারে ভালো দাম না পাওয়ায় রহিম আর তাঁত বোনে না ।তার মেধাবী ছেলেটি লেখাপড়ার ফাঁকে ফাঁকে পত্রিকা বিক্রিকরে আর রাতে খেটে খাওয়া দারিদ্র্যের ইতিবৃত্ত রচনা করে।উদ্দীপকে 'ঐকতান' কবিতার বৈশিষ্ট্য কীভাবেপ্রতিফলিত?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে আলাদাভাবে প্রাণহীন বলা যায় যে প্রাণীকে?
- ছাত্র: বৃক্ষ থেকে আমরা কী শিখতে পারি?শিক্ষক: বৃক্ষ মানুষের পরম বন্ধু ও শিক্ষক। মাটি ফুঁড়েনিজের জন্ম থেকে ফুলে-ফলে বিকশিত হওয়া পর্যন্ত সেমানুষকে শিক্ষা দিয়ে থাকে। উক্তিতে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের নিচের কোন চরণটিরঅধিকতর মিল পাওয়া যায়?
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।উদ্দীপকের ডাক্তার মনিরুলের চেতনার সাথে 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের কোন দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।