শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'জগত্তারিণী' স্বর্ণপদক লাভ করেন?
A. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
B. বিশ্বভারতী
C. যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়
D. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তরঃ
A.
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মৃত্যঞ্জয় কোন ক্লাসে পড়ত?
- 'কাগজতাে ইঁদুরেও আনতে পারে’ ---- বিলাসী গল্পে কথাটা কে বলেছে?
- কোনটি শরন্দ্রের রচনা নয়?
- 'ঘন জঙ্গলের পথ। একটু দেখে পা ফেলে যেয়ো' উক্তিটি কার?
- শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি কয় পর্বে বিভক্ত ?
- স্বামীর মৃত্যুর কতদিন পর বিলাসী আত্মহত্যা করে?
- ‘লালসালু’ উপন্যাসে মজিদের মিথ্যার আশ্রয় নেওয়ার মূল কারণ কী?
- বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র শোভন গাঙ্গুলী তারগ্রামের মানুষের কল্যাণের জন্য তৈরি করেছে বিভিন্নসামাজিক সংগঠন। কিন্তু নিচু জাতের মেয়েকে বিয়েকরেছে বলে এখন সে নিজেই সমাজচ্যুত । উদ্দীপকের শোভনের মতো 'বিলাসী' গল্পের কোনচরিত্রটি একই পরিস্থিতির শিকার ?
- নার্গিস বিদেশে গৃহকর্মীর কাজ করে। বিদেশে কাজকরার বিষয়টি তার এলাকার মানুষ পছন্দ করে না। তিনবছর পর নার্গিস বাড়ি ফিরে এলে গ্রামবাসী তার নামেবিচার বসায় এবং তাকে গ্রামছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেয়।নার্গিস প্রতিবাদী কণ্ঠে বলে ‘অসুস্থ মাকে রেখে কিছুতেইআমি কোথাও যাব না ।'উদ্দীপকের বিষয়টি বিবেচনায় নার্গিস ও বিলাসী উভয়েকেমন প্রকৃতির নারী?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'পথের দাবী' কোন ধরনের রচনা ?
- হুমরাবেদের মেয়ে মহুয়ার প্রেমে পড়ে জমিদারপুত্র নদের চাঁদ। জমিদার বিষয়টি জানতে পেরে রাতের আঁধারে হুমরাবেদের দলকে গ্রামছাড়া করে। নীচু জাত বেদের মেয়ের সাথে তাঁর পুত্র নদের চাঁদের প্রেম তিনি মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু নদের চাঁদ মহুয়াকে পাওয়ার আশায় বাবা-মাকে ছেড়ে যায়। হুমরাবেদে নদের চাঁদকে হত্যার জন্য মহুয়ার হাতে বিষলক্ষার ছুরি তুলে দেয়।উদ্দীপকের নদের চাঁদ চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্র তুলনীয়? ব্যাখ্যা করো।
- ব্রাহ্মণের শিক্ষিত ছেলে সমীর ভালোবেসে বিয়ে করে গ্রামেরজেলে সম্প্রদায়ের শিক্ষিত মেয়ে নীলিমাকে। রাশভারী বাবাউপেন্দ্রনাথ তাতে রাজি না হয়ে সমীরকে সম্পত্তি থেকেবঞ্চিত করে। সমীর ও নীলিমা আত্মনির্ভরশীল হয়ে এখনসুখে আছে।উদ্দীপকের উপেন্দ্রনাথ চরিত্রের মধ্যে 'বিলাসী'গল্পের যে সামাজিক সমস্যাটি নিহিত তা হলো-
- 'দেনাপাওনা' উপন্যাসটি কার?
- করোনাকালীন দুর্যোগে জনাব শিমুল চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। চরম আর্থিক সংকট এবং মানসিক চাপে তিনি শারীরিকভাবেও ভেঙে পড়েন। ফলে দুই সন্তানের লেখাপড়াসহ সংসারের খরচ চালানো তাঁর জন্য কঠিন-হয়ে যায়। এই সময়ে তাঁর স্ত্রী পারুল আক্তার সেলাইয়ের কাজ করে সংসারের হাল ধরেন। পাশাপাশি অসুস্থ স্বামীর সেবা করেন পরম মমতায়।পারুল আক্তারের সঙ্গে বিলাসী চরিত্রের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'কাগজ তো বিড়ালেও আনতে পারে' এ উক্তিটি 'বিলাসী' গল্পে কে বলেছিল?
- উপরের আদালতের হুকুমে' বোঝানো হয়েছে? বলতে কোনটিকে
- কোনটি শরৎচন্দ্রের রচনা নয়?
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'উদ্দীপকের আলেয়া খাতুনের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো।
- "বিলাসী" গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- কার অপর নাম সৌমিত্রি ?