ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।
উদ্দীপকটি কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সার্বিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘শরীর>শরীল’ কোন ধরণের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
- সাইদুর রহমান একজন বিশিষ্ট সমাজসেবক। একদিন এক দরিদ্র ব্যক্তি তাঁর নিকট সাহায্য চাইতে এলো। দরিদ্র ব্যক্তিকে তিনি অর্থ সাহায্যের পরিবর্তে রিকশা কিনে দিলেন।সাইদুর রহমানের মানবকল্যাণ অলৌকিক নয়, তবে একে কী বলে-জাগতিক মানবধর্ম চলমান মানবতা অপূর্ব ত্যাগের মহিমা নিচের কোনটি সঠিক?
- ’আইলা’ ও ‘কিরিচ’ কোন ভাষার শব্দ?
- 'সত্যি এক ইউনিক ব্যাপার ' - বাক্যের 'ইউনিক' শব্দটি
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি লেখকের কোন গ্রন্থ হতেনেওয়া হয়েছে?
- "গবেষণা" শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- সত্যিকার মানব-কল্যাণ কীসের ফসল?
- অক্ষরের মানদন্ডকে কী বলে?
- 'ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ।'- ব্যাখ্যা করো।
- ‘তৃষ্ণার্ত’ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- ভুল সন্ধবিচ্ছেদ
- 'মানুষের ভালো করো, মানুষের কল্যাণ করো, সুখ-শান্তিদান করো মানুষকে।'— এই নির্দেশ কারা দিয়েছেন?
- প্রতিটি মানুষকে কেমন হতে হবে?
- ‘চতুষ্কোন’ এর সন্ধিবিচ্ছেদ-
- মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে 'র্যাশনাল' শব্দের অর্থ কী?
- ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ তাঁর জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁর দেওয়া জমিতে ১৯০২ সালে 'ঢাকা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং' প্রতিষ্ঠিত হয়। এতিম শিশুদের লেখাপড়া নিশ্চিত করার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'নবাব সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা'।উদ্দীপকের বক্তব্য তোমার পাঠ্য কোন রচনার সঙ্গেসাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি কত সালে রচিত?
- নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল;গাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত,বংশী করে নিজস্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মাইয়া, নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরিহিত তরে।"কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিচ্ছবি।"- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- বিদেশি শব্দের বানানের ক্ষেত্রে কোন ধ্বনির ব্যবহারের প্রয়োজন নেই ?
- ‘করিয়া > কইরা > করে' কী জাতীয় ধ্বনির পরিবর্তন?