ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতি এক নতুন সাজে সজ্জিত হয়। শীতের শুষ্কতা কাটিয়ে প্রকৃতি তখন নব যৌবন লাভ করে। গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়, ফুলে ফুলে ভরে যায় অবারিত মাঠ-ঘাট ও বাগান। আমের মুকুল মৌ মৌ গন্ধে তখন চারদিক মুখরিত মুখারিত হয়ে ওঠে। এই ঋতুতে বিরহীদের মন প্রিয়জনের সান্নিধ্য খোঁজে। তাদের কথা বেশি বেশি মনে পড়ে। কারণ, প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রভাব তখন মানব মনে পড়ে। কবি-সাহিত্যিকগণ তখন নতুন নতুন সাহিত্য চর্চায় আত্মনিয়োগ করার অনুপ্রেরণা লাভ করেন।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বর্ণিত বসন্তের রূপচিত্র এবং উদ্দীপকের ঋতুরাজের রূপচিত্র একই অর্থে সমার্থক- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- নববর্ষ পয়লা বৈশাখকে ঘিরে চারদিকে উৎসবের আমেজ। কিছুদিন আগে মাকে হারানো ফারিয়াকে কিছুই স্পর্শ করে না। মায়ের স্মৃতিতেই সে আচ্ছন্ন।উদ্দীপকের 'নববর্ষ' 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন বিষয়ের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- নিচের কোনটি সুফিয়া কামালের গ্রন্থ নয়?
- 'তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় কবির অনুভূতির সাথে কোনটি তুলনীয়?
- বেগম সুফিয়া কামালের 'তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতা প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- "হে কবি, নিরব কেন, ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি রবে নাকি........।
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,তোমার ঝাউয়ের দোলেমর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।উদ্দীপকে বর্ণিত বসন্তের রূপচিত্রের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূল সুর কি?
- 'পুষ্পারতি' শব্দটির অর্থ কী?
- "চলে যায় মরি হায় বসন্তের দিন।দূর শাখে পিক ডাকে বিরাম বিহীন।অধীর সমীর- ভরে উচ্ছ্বসি বকুল ঝরে,গন্ধ সনে হল মন সুদূরে বিলীন।পুলকিত আম্রবীথি ফাল্গুনেরই তাপে,মধুকর গুঞ্জরণে ছায়াতল কাঁপে।কেন আজি অকারণে সারা বেলা আনমনেপরানে বাজায় বীণা কে গো উদাসীন।"উদ্দীপকের মূলসূর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'অর্ঘ্য বিরচন' কথাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া।'- উক্তিটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'কোথা তব নব পুষ্প সাজ?' উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- 'হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়'— এচরণটিতে ‘নীরব কেন' বলতে কবির কেমন অবস্থাবোঝায়?
- সংলাপনির্ভর রচনা-
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি গঠনরীতির দিকদিয়ে-
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জ??, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকের সেঁজুতি জামানের মনোভাব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- তাহারেই পড়ে মনে কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- "শুনি-নাই, রাখিনি সন্ধান।" কবি কিসের সন্ধান রাখেন নি?
- আজ তুমি নেই সাথে ভুলে থাকা ছলনাতেমনে মনে ভাবি শুধু তোমারি কথা।পাওয়া না পাওয়ার মাঝে অচেনার সুর বাজে,সুরভিত বিরহের মরম ব্যথা।"উদ্দীপকের কথকের হৃদয় বেদনা যেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলসুর"- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।উদ্দীপকের সুচিত্রা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির সাদৃশ্য তুলে ধরো।