"মাগো ওরা বলে
সবার কথা কেড়ে নেবে
তোমার কোলে শুয়ে
গল্প শুনতে দেবে না। ”
উদ্দীপকের সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন
বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ?
A.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
B.
১৯৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থান
C.
১৯৭০ এর সাধারণ নির্বাচন
D.
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ
সঠিক উত্তরঃ
A.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ১৯৭১ সালে মাতৃভূমির জন্য অকাতরে জীবন বিসর্জন দেন মতিউর রহমান, মোস্তফা কামাল, মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরসহ লক্ষ লক্ষ মানুষ। তাঁদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। ওই ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের মূলমন্ত্র কী ছিল?
- "অন্তহীন মিছিলের দেশ,সারি সারি মানুষের আকারে হলে মূর্তিময়ীসমস্ত স্বদেশ আজ রাঙা রাজপথে।দিবালোক হয়ে ফোটে প্রাঞ্জল বিপ্লবসাত কোটি মুখ হাসে মৃত্যুর রঙিন তীর হাতে নিয়ে।শ্রেণিবদ্ধ এই ভিড়ে সকলেই সবার আগেএকবার শত্রুকে শেষ দেখা দেখে নিতে চায়।""উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্প ভাষ্য।"- বিশ্লেষণ কর।
- ’খুকি ও কাঠবিড়ালী’ কবিতাটি কার লেখা?
- ‘এ আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরোর মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরেবছর-তিনেক আগে কাক-ডাকা গ্রীষ্মের দুপুরে'।পঙক্তিগুলো কোন কবির রচনা?
- ‘দুঃসময়ের মুখোমুখি’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- রেডিওতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে রূপনগর গ্রামের ছেলে রাসেল ও ফরিদ যুদ্ধে যাবার প্রস্তুতি নেয়। তারা বুঝতে পারে পাকিস্তানিদের দমন করতে না পারলে বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হবে না। মাতৃভূমিকে স্বৈরাচারী শাসকদের কবল থেকে রক্ষার জন্য রাতের আঁধারে তারা পাড়ি জমায় ভারতে। প্রশিক্ষণ নেয়। প্রাণপণে লড়াই করতে করতে দুজনেই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে শত্রুদের গুলির আঘাতে।উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্রদ্বয় 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- "দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে ফোটে ফুল"- বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- 'রক্তদানের পুণ্যে'র কথা উল্লেখ রয়েছে কোন কবিতায় -
- 'উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সাদৃশ্য তুলে ধরো।'
- 'একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং'- এ চরণটি কোন কবিতাভুক্ত?
- ওরা চল্লিশজন কিংবা আরও বেশিযারা প্রাণ দিয়েছে ওখানে-রমনার রৌদ্রদগ্ধকৃষ্ণচূড়ার গাছের তলায়,ভাষার জন্য, মাতৃভাষার জন্য-বাংলার জন্যযারা প্রাণ দিয়েছে ওখানেএকটি দেশের মহান সংস্কৃতির মর্যাদার জন্য।উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্য রয়েছে? তুলে ধরো।
- 'বাস্তবের, বিশাল চত্বরে, হৃদয়ের হরিৎ উপত্যাকায়'- কী হয়?
- "ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯" কবিতায় শামসুর রাহমান বর্ণমালাকে কিসের প্রতীক হিসেবে তুলনা করেছে-
- তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিল। আর তপুর হাতে ছিল একটি মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপরে লাল কালিতে লেখা ছিল 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই'। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছাতেই অকস্মাৎ কিছু বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার। (একুশের গল্প- জহির রায়হান) "উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রাম চেতনার এক. অসাধারণ এক শিল্পভাষ্য।"- মন্তব্যটি তুমি স্বীকার কর কি? তোমার মতামতসহ বিশ্লেষণ করো।
- 'ফুল নয়, ওরা শহিদদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ'- ব্যাখ্যা করো।
- 'ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯' কবিতার বৈশিষ্ট্য কোনটি?
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোন খড়গের!শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি গলায় পরেছি ফাঁসআপস করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।"উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য"- বিশ্লেষণ করো।
- "দেখি নাই যারে, চিনি নাই যারে/শুনি নাই নাম কভু তিনিই আজিকে দেবতা আমার/তিনিই আমার প্রভু!!"শামসুর রাহমানের মতে বিচিত্র শ্রেণি-পেশার মানুষ তথাকথিত 'প্রভু'র বিরুদ্ধে কেন আন্দোলন করে?
- সৈয়দ শামসুল হকের 'নূরলদীনের সারা জীবন' কোন ধরনের রচনা ?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ভাষাশহিদ সালামের নামকতবার উল্লেখ করা হয়েছে?