ওষ্ঠের মধ্যকার ফাঁকের কম-বেশির ভিত্তিতে স্বরধ্বনিকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
A. ২
B. ৩
C. ৪
D. ৫
সঠিক উত্তরঃ
A.
২
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ধ্বনি উৎপাদনের ক্ষেত্র ও উচ্চারণের মূল উপকরণ কোনটি?
- নাসিক্য ধ্বনি তৈরি হয় কীভাবে?
- ফুসফুস থেকে তৈরি বাতাস কিসের মাধ্যমে বের হয়?
- ফুসফুস থেকে বাতাস কী দিয়ে বের হয়ে আসে?
- মুখবিবরের ছাদকে কী বলে?
- ধ্বনি উৎপাদনের ক্ষেত্রে মুখবিবরে উচ্চারণের মূল উপকরণ বা উচ্চারক হলো—
- বাগ্যন্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে সচল ও সক্রিয় প্রত্যঙ্গ কোনটি?
- কোমল তালু ও জিভ মূলের স্পর্শে কোন ধ্বনি উচ্চারিত হয়?
- স্বরযন্ত্রের অবস্থান-
- ধ্বনি উচ্চারণের উৎস হলো-
- মুখগহ্বরের কোমল তালুর পিছনে ঝুলন্ত মাংসপিণ্ডের নাম কী?
- বাপ্রত্যঙ্গের সবচেয়ে বাইরের অংশের নাম কী?
- নাসিক্যধ্বনি তৈরির উৎস হলো-
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের উপভাষাকে বলা হয়-
- আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম-
- দাঁতের সঙ্গে জিভের স্পর্শে কী উৎপন্ন হয়?
- বাগ্যন্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে সচল ও সক্রিয় প্রত্যঙ্গ কোনটি?
- কোন ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভ মুর্ধাকে স্পর্শ করে?
- শক্ত তালু ও উপরের পাটির দাঁতের মধ্যবর্তী ] উত্তল অংশকে কী বলে?
- ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক অঞ্চলের উপভাষা কী নামে পরিচিত?