"ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মিরজাফর নবাব হওয়ার পর ক্লাইভ কোন এলাকারস্থায়ী মালিকানা পায়?
- মাত্র সতেরো জন সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খলজি সুদূর তুরস্ক থেকে এসে বাংলার সিংহাসন দখল করে নিয়েছিল। সামান্য কয়জন ছদ্মবেশী বণিক যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের 'অসামান্য সাহস, শৃঙ্খলা ও চাতুর্য দিয়ে। পক্ষান্তরে লক্ষ্মণ সেনের রাজপ্রাসাদ ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় পরিপূর্ণ ও অরক্ষিত। তার বিশাল বাহিনী যুদ্ধ না করে পালিয়ে গেল। লক্ষ্মণ-সেনও রাজ্য ত্যাগ করতে বাধ্য হলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের তিক্ত অভিজ্ঞতা।"মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিজ্ঞতা।"- এই উক্তি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য"- কথাটির তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী ছিল?
- ১২০৪ সালে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি মাত্র ১৭/১৮ জন সৈন্য নিয়ে নদীয়ার শাসক লক্ষ্মণ সেনের রাজ্য আক্রমণ করেন। বখতিয়ার খিলজির শৃঙ্খলিত ও বিশ্বস্ত সেনবাহিনীর কাছে অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষ্মণ সেনের সেনাবাহিনী যুদ্ধ না করে জীবন বাঁচাতে পলায়ন করে। সেই সাথে লক্ষ্মণ সেনও সেদিন পলায়ন করেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বখতিয়ার খিলজি বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন। আসলে সেদিন সেখানে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি নির্দেশ করে? উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আঙ্গিকে উক্তিটি মূল্যায়ন কর।
- "নিজগৃহপথ, তাত দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?"'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে
- "ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব"- এর তাৎপর্য লেখো।
- সিরাজউদ্দৌলার পিতার নাম-
- উমিচাঁদ কোথাকার অধিবাসী ছিলেন?
- ধর্মপথগামী, হে রাক্ষসরাজানুজ, বিখ্যাত জগতেতুমি; কোন ধর্মমতে, কহ দাসে, শুনি,জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি, এ সকল দিলাজলাজালি? শাস্ত্রে বলে, গুণবান যদি পরজন,গুণহীন-স্বজন, তথাপি নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ পরঃপরঃ সদা।উদ্দীপকের জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জতি- এ সকল দিলা জলাঞ্জলি লাইনটিতে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মর্মার্থই প্রতিধ্বনিত হয়েছে- মূল্যায়ন কর।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ও দেশের কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ পাকহানাদার বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে দেশের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি করেছে। তাদের একজন সোবহান মুন্সী। মানবতাবিরোধী অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার সাক্ষী দবির বলেন, এই সোবহান মুন্সীই পাকহানাদার বাহিনীকে তাদের গ্রামে আনে এবং সে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে।"উদ্দীপকের সোবহান মুন্সী ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মীরজাফর চরিত্র যেন একই সূত্রে গাঁথা।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে 'দি ব্রেভেস্ট সোলজার' আখ্যা দেওয়া হয়েছে-
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- কে নবাব সিরাজউদ্দৌলা'র আত্মীয় ছিলেন?
- 'শোনো, একদিন এই দেশটাতেদানবেরা দেয় হানাশকুনেরা মেলে ডানাপুড়ে ছারখার মাঠের শস্য'মানুষের আস্তানা।'উদ্দীপকের 'দানবেরা', 'শকুনেরা' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।'- বুঝিয়ে দাও।
- 'ফিরে এসেছি রাজধানীতে স্বাধীনতা বজায় রাখবার শেষ চেষ্টা করব বলে।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার স্ত্রীর নাম কী?
- কেউ তো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কী চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়?ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের দ্বিতীয় পঙক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রকে ইঙ্গিত করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কয়টি অঙ্ক রয়েছে?
- রফিক সাহেব নাম-পরিচয়হীন এক অনাথ বালককে আশ্রয় দিয়েছিলেন বিশ বছর আগে। নাম রেখেছিলেন সজল। অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আদর-যত্নে রফিক সাহেবের সন্তান হিসেবেই সে বড়ো হয়। কিন্তু, ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধের সৌরভ তার মধ্যে সৃষ্টি হয়নি। মনের দিক থেকে সে এতই কদর্য ও সংকীর্ণ যে, রফিক সাহেবের বিশাল সম্পত্তির মালিক হয়ে যেতে চায় সে। এলাকায় রফিক সাহেবের যশ-খ্যাতি ও সুনামের যারা প্রতিপক্ষ, তাদের দ্বারা সজল প্রতিনিয়ত প্ররোচিত হয়। সে তার আশ্রয়দাতার সম্পত্তি হস্তগত করার জন্য সুযোগ খোঁজে। একদিন সে অস্ত্রের মুখে সমস্ত সম্পত্তি তার নামে লিখে দিতে রফিক সাহেবকে বাধ্য করে এবং পরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।"উদ্দীপকের রফিক সাহেব ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের পরিণতি এক হলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন।"- আলোচনা করো।