শৈশবে বাবা-মাকে হারিয়ে এক চাচার আশ্রয়ে থাকা আসমার জীবনে ঘটে যায় বাল্যবিবাহ। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার সহযোগিতা না পেলেও দমে যায়নি সে। টিউশন করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় লাভ করে ভালো ফল। আসমা এখন মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্রী।
উদ্দীপকের চাচা ও ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'মাসি-পিসি' গল্পে শেষ পর্যন্ত ঔজ্জ্বল্য লাভ করেছে—
- ‘দিবারাত্রির কাব্য’ কার লেখা?
- সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।উদ্দীপকের সাফিয়া 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির সাথে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'সজাগ রইতে হবে রাতটা'।- 'মাসি-পিসি' গল্পে এই উক্তিটি কার?
- 'বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাই তো।' উক্তিটি কার?
- সাম্যের গান গাই-আমার চক্ষে পুরুষ রমণী কোন ভেদাভেদ নাই।বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর,অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।উদ্দীপকে উল্লিখিত চরণগুলোর সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পে লেখকের মনোভাবের যথেষ্ট মিল পাওয়া যায়- এ বিষয়ে তোমার মতামত দাও।
- এইখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে,বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে,এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিওনা মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের মূলভাব কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? উপযুক্ত যুক্তিসহ তোমার মতামত দাও।
- সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।"মাসি-পিসি' গল্পের 'মাসি-পিসি'র মতো অভিভাবক থাকলে উদ্দীপকের সাফিয়ার পরিণতি এমন হতো না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মাসি-পিসি সন্তর্পণে বিছানা ছাড়ে কেন?
- গার্ড: রেলের প্ল্যাটফর্মে ঘুমিয়ে পরিবেশ নোংরা করছকেন? সরে যাও, না হয় জেলে পাঠাব।সবুরা: 'জেলেরে ভয়ে পাই না, ছেলেমেয়ে সবসহ নিয়েযাও। ওখানে দুমুঠ খেতে দিবা। আগে বাঁচি, তারপর দেখব সুন্দর।উদ্দীপকের সুবরার উক্তির সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পেরকোন বাক্যের মিল আছে?
- কানাই চৌকিদার চরিত্র কোন গল্পের ?
- 'মোরা নয় মরব'। পিসির এ উক্তি কীসের ইঙ্গিত বহনকারী? বুঝিয়ে দাও।
- 'জেলে নয় গেলাম কৈলেশ'- উক্তিটি কার?
- হিরন্ময়ীর স্বামী যখন মারা যায় তখন তার মেয়ে লতার বয়স মাত্র দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। তবু দমে যায়নি হিরন্ময়ী। মানুষের বাড়িতে কাজ। করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে সে। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না যেতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়। লতা তার মায়ের কাছে ফিরে আসে। এবার পুরু হয় মা-মেয়ের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। বাড়ির আশেপাশে শাক-সবজি চাষ করে, বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করে, পরের বাড়িতে ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে। তারা মনে করে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার মধ্যে গৌরব আছে, কাজ করে জীবন নির্বাহ করার মধ্যে সম্মান আছে। তারা যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি এবং উদ্দীপকের হিরন্ময়ী ও লতা- তারা সবাই জীবন-সংগ্রামের বলিষ্ঠ চেতনায় উদ্বুদ্ধ।"- বিশ্লেষণ কর।
- ‘কথায় পটু' কোন ধরনের সমাস ?
- 'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃদত্ত নাম কী?
- ‘দিবারাত্রির কাব্য’ কার লেখা উপন্যাস?
- আমিই সেই মেয়ে।বাসে ট্রেনে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন।যার শাড়ি, কপালের টিপ, কানের দুল আর পায়ের গোড়ালিআপনি রোজ দেখেন। আরআরও অনেক কিছু দেখতে পাবার স্বপ্ন দেখেন।স্বপ্নে যাকে ইচ্ছে মতন দেখেন।"উদ্দীপকটি 'মাসি-পিসি' গল্পের আংশিক রূপায়ণ।"- উক্তিটির যথার্থতা বর্ণনা কর।
- ’উৎ’ উপসর্গটি কোন শব্দে ভিন্নার্থে প্রযুক্ত?