'নিজের সবটুকু সম্বল বিক্রি করে ধুলু মিয়া মেয়ের বিয়ে দিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িটা তার জন্য সুখের হলো না। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে যে শ্বশুরবাড়ির নাম শুনলেই আঁতকে ওঠে।'
উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মূল উপজীব্য হলো-
A.
জীবিকার ধরন
B.
নির্যাতনের স্বরূপ
C.
মমত্ববোধ
D.
অসহায়তা
সঠিক উত্তরঃ
B.
নির্যাতনের স্বরূপ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- শফিক মিয়ার মেয়ে আমেনাকে বিয়ে দেয় অপেক্ষাকৃত দরিদ্র জমিরের সাথে। জমির সৎ, হৃদয়বানব, এবং স্ত্রীকে সে প্রাণাধিক ভালোবাসে কিন্তু আমেনা দরিদ্র জমিরের ঘর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসে।উদ্দীপকের জমিরের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের জগুর বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- পুরুষবাচক শব্দ কোনটি?
- 'শোনো কানাই, এ কিন্তু এর্কি নয় মোটে।'- এ কথাটি কেন বলা হয়েছে?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসি দুজনেরই একমন, একপ্রাণ হওয়ার কারণ কী?
- নিচের কোনগুলো সমাসনিষ্পন্ন শব্দ?
- চায়ের দোকান না কীসের দোকান তা বুঝিছি কৈলাশ' কথাটি দ্বারা যা বোঝানো হয়েছে-দোকানটি আসলে চায়ের দোকান ছিল নাদোকানটি ছিল নেশাজাতীয় দ্রব্যেরদোকানটি ছিল মনোহর জিনিসেরনিচের কোনটি সঠিক?
- উপাচার্য' শব্দটি কোন সমাসসাধিত?
- বকুল যখন স্বামীহারা হয় তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেধ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন-সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগি পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যে কোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।"উদ্দীপকটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'মাসি-পিসি' গল্পের বক্তব্য ধারণ করে- তোমার মতামত দাও।
- শোষকেরা জনমতের বিরুদ্ধে যেতে ভয় পায় কেন?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি ও পিসির একদেহ একমনহয়ে যাওয়ার কারণ কোনটি?দুজনই বিধবাআহ্লাদিকে দেখাশোনানিজেদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম নিচের কোনটি সঠিক?
- দীপ শিখা গার্মেন্টসের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয় গার্মেন্টস কর্মী দম্পতি জলিল ও রাবেয়া। তাদের একমাত্র মেয়ে জোবাইদা অনাথ হয়ে আশ্রয় নেয় বৃদ্ধ নানা-নানির সংসারে। গরিব নানা-নানি তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে তাকে বিয়ে দেয় পাশের গ্রামের আকিবের সাথে। কিন্তু সুখের মুখ দেখা হলো না জোবাইদার। আকিব তাকে মারধর করে এবং সারাদিন কিছু না' খেতে দিয়ে ঘরে আটকে রাখে। স্বামীর এই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সে আবার ফিরে আসে নানা-নানির কাছে। নানা-নানি এতে ভীষণ কষ্ট পায় তবু পরম যত্নে আগলে রাখে অসহায় জোবাইদাকে।"উদ্দীপকের নানা-নানির অবস্থা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি ও পিসির মতোই হৃদয় বিদারক।”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি- কেন?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃদত্ত নাম কোনটি?
- তারাপুর গ্রামের মেয়ে রাবেয়া। শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন সইতেনা পেরে ফুফু সলিমা বেগমের কাছে পালিয়ে আসে । গ্রামেরমাতব্বর নারীলোভী জয়নালের কুদৃষ্টি পড়ে রাবেয়ার ওপর।কিন্তু সলিমা বেগম জননী সাহসিকা। তিনি দৃঢ়প্রত্যয়ী মা-পাখির মতো আগলে রাখেন অনাথ ভাইঝি রাবেয়াকে। সলিমা বেগম 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রেরপ্রতিনিধিত্ব করছেন?
- 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পটির রচয়িতা কে?
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।'- কেন? বুঝিয়ে দাও।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম-
- ১/৪ এর সংখ্যাবাচক শব্দ নয় --
- অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত
- মাসি-পিসি' গল্পে কে 'শুঁড়িখানায় পড়ে থাকে বার মাস'?