‘ন্যায়দণ্ড’ উপন্যাসটি কে রচনা করেন?
A. স্বর্ণকুমারী দেবী
B. জরাসন্ধ
C. রশীদ করিম
D. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সঠিক উত্তরঃ
B.
জরাসন্ধ
Explanation: ‘জরাসন্ধ’ ‘ন্যায়দণ্ড’ উপন্যাসটি রচনা করেন। জরাসন্ধ চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম। তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে-তামসী, মসীরেখা, একুশ বছর, পরশমনি প্রভৃতি।
Related Questions (Any University/Year)
- নিজেকে জানা হচ্ছে শিক্ষার মৌলিক উদ্দেশ্য যার অর্থপ্রকৃত অর্থে মানুষ হয়ে ওঠা। অথচ আজকের দুনিয়ায়শিক্ষিত হয়ে অনেকেই মানবিক গুণ অর্জন করতে ব্যর্থহচ্ছে, ব্যর্থ হচ্ছে শিক্ষা।উদ্দীপকটি কোন বিবেচনায় 'সাম্যবাদী' কবিতারপ্ৰতিফলন ?উদ্দেশ্য সফল না হওয়ামানবিক গুণ অর্জনের ব্যর্থতাচিরকালীন সমাজবাস্তবতানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্য অনুযায়ী যারা প্রেমও সৌন্দর্যের স্পর্শ লাভ করেনি তাদের একমাত্রদেবতা কে?
- কোনটি মীর মশাররফ হােসেনের রচনা নয়?
- ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’ -এর প্রধান বিষয় কী?
- 'জীবন-বন্দনা' কবিতায় কবি নিজেকে কী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন?
- চেতনার অ্যালবাম" প্রবন্ধটিতে চেতনাকে দীর্ঘকালিন ব্যাপার বলা হয়েছে ?
- "ট্যাবু "বলতে বোঝায়-
- অধ্যাপক আহমদ শরীফের মৃত্যুসন কোনটি?
- ’একটি তুলসী গাছের কাহিনী’ গল্পটি-
- কোন নাটকটি সেলিম আল দীনের?
- "নিঃস্বলা মাঠের কৃষক" বইটির রচয়িতা কে?
- ক্ষীরের পুতুল' কার রচনা?
- লর্ড কারমাইকেল আবিষ্কৃত রুমালের জন্মস্থান কোথায়?
- ব্রিটিশ শাসনামলে নীলকর সাহেবরা কৃষকদের অগ্রিম টাকা (দাদন) প্রদান করে নীল চাষ করতে বাধ্য করত। নগদ টাকা পেয়ে কৃষকরা কিছুদিন আরাম আয়েশে কাটাত। উৎপাদিত নীল যখন ইংরেজরা অতি স্বল্প মূল্যে নিয়ে যেতো তখন খাদ্যাভাব প্রকট হয়ে উঠত। ক্ষুধায় কাতর মানুষগুলো আর দাদন নেবে না বলে প্রতিজ্ঞা করলেও নগদ টাকার লোভ সামলাতে পারত না। বাধ্য হয়ে তারা অল্প অল্প জমি বিক্রি করত। ক্রমশ জমি কমতে থাকায় অভাব আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠত। এভাবেই তারা অভাব-চক্রের মাঝে আবর্তিত হত।"উদ্দীপক ও 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উভয়ক্ষেত্রে অভাব চিরায়ত"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার মূল ভাববস্তু হচ্ছে-
- অপুর কেমন মনে হয় নিশ্চিন্দিপুরের সেই অপূর্ব মায়ারূপ এখানকার কিছুতেই নাই। কোথায় সে নিবিড় পুষ্পিত ছাতিম বন, ডালে ডালে সোনার সিঁদুর ছড়ানো সন্ধ্যা? আজ কতদিন সে নিশ্চিন্দিপুর দেখে নাই- তিন বৎসর! কত কাল! সে জানে নিশ্চিন্দিপুর তাহাকে দিনে-রাতে সবসময় ডাকে। বাঁশবনটা ডাক দেয়, দেবী বিশালাক্ষী ডাক দেন। এতদিনে তাহাদের সেখানে ইছামতিতে বর্ষার ঢল নামিয়াছে। ঝোপে ঝোপে নাটা কাঁটা, বনকলমীর ফুল ধরিয়াছে। বন অপরাজিতার নীল ফুলে বনের মাথা ছাওয়া।"উদ্দীপকের অন্তলীন দেশপ্রেম 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায়ও ফুটে উঠেছে।”- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।
- জীবনানন্দ দাশের মায়ের নাম কী?
- একতারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে কোন কবিতায় ?
- ‘কিত্তনখোলা’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- ফার্সী কোন দেশের রাষ্ট্রীয় ভাষা?