জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদ হরনাথ বসু মানুষের অতীত, বর্তমান ও
ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা বলেই সোনাপুর গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করে।
বিপদে-আপদে রোগে-শোকে সোনাপুর গ্রামবাসী অনেক
টাকা খরচ করে ভাগ্য গণনা করিয়ে হরনাথ বসুর নিকট
হতে রত্ন পাথর গ্রহণ করে। গ্রামের রাজীব কিন্তু
হরনাথের এই অলৌকিকতায় বিশ্বাস করে না।
উদ্দীপকের রাজীবের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের
সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র—
A.
মজিদ
B.
দুদুমিয়া
C.
আক্কাস
D.
তাহেরের বাপ
সঠিক উত্তরঃ
C.
আক্কাস
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মজিদকে প্রথম দেখে জমিলার কী মনে হয়েছিল?
- 'লালসালু'-উপন্যাসের প্রতিবাদী চেতনা কীসের বিরুদ্ধে?ধর্মীয় গোঁড়ামিকুসংস্কারঅন্ধবিশ্বাসনিচের কোনটি সঠিক?
- বটতলী গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুংসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের ছেলে মুনির কলেজে লেখাপড়া করে। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষকে শিক্ষিত করতে সে গ্রামে একটি নৈশবিদ্যালয় করতে চায়। এ বিষয়ে গ্রামে সভা বসলে, গ্রামের মাতব্বর এ প্রস্তাবে খুশি হয়ে মুনিরকে সহযোগিতা করতে আশ্বাস দেন।উদ্দীপকের মুনির চরিত্র 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।
- ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা?' সংলাপটি বলেছে—
- মজিদের মুখে কে থু থু দিয়েছিল? কেন?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ফরাসি অনুবাদক কে?
- তাহের আর কাদের মজিদকে প্রথম কোথায় দেখেছিল?
- রফিক মিয়া অনেক বছর আগেই তার জন্মভূমি ছেড়ে জীবিকার সন্ধানে এই জয়নগর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায় সম্বলহীন অবস্থা থেকে রফিক মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। আজ যেমন তার সুহায়-সম্পত্তি হয়েছে, তেমনি সমাজের সকল মানুষ তাকে সম্মানও করে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য কোথায় ? আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'বাহে মুলুকে ' বলতে বোঝায়
- 'যোগসূত্র হচ্ছে রহিমা'-ব্যাখ্যা করো।
- লক্ষ্মীপুর গ্রামের দাহির ও পারুলের আজ সাত বছরের সংসার। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তাদের কোনো সন্তান নেই। এজন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়েই চরম হতাশায় নিমজ্জিত। এমন অবস্থায় তারা শুনতে পায়; পাশের গ্রামের চেয়ারম্যানের বাড়িতে এক কামেল পির সাহেব এসেছে। তাদের মনে যেন আশার আলো, জ্বলে। স্ত্রী পারুলকে সাথে নিয়ে পরদিনই দাহির পির সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ করে। পির সাহেব পারুলকে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করে জানায়, 'পেটে বেড়ি পড়ে বইলাই তো স্ত্রীলোকদের সন্তান হয় না।'"উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের বর্ণিত পির সাহেবের চেয়ে বেশি ক্ষমতাশালী নয়।"-এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'সময়-অসময়ে মিথ্যে কথা না বললে নয়।'- উক্তিটির প্রাসঙ্গিক তা তুলে ধরো।
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় কেমনে'- উক্তিটি কার?
- গৌরিপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে আরিফ হোসেন। এলাকার উন্নয়ন, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষদের সাক্ষর করে তোলার লক্ষ্যে সে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ও প্রতিপত্তি বজায় রাখার জন্য মাতব্বর আনসার আলী ও তার লোকেরা আরিফকে অপমানিত করে গ্রাম ছাড়া করে।উদ্দীপকের আরিফ 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- মকবুল তিন বিয়ে করেছে। তিন বউই বেঁচে আছে ওর। সবার ছোটো টুনি। গায়ের রং কালো। ছিপছিপে দেহ। আয়ত চোখ। বয়স তার তেরো-চৌদ্দের মাঝামাঝি। সংসার কাকে বলে সে বুঝে না। সমবয়সি কারও সঙ্গে দেখা হলে সবকিছু ভুলে গিয়ে মনের সুখে গল্প জুড়ে দেয়। আর হাসে। হাসাতে হাসাতে মেঝেতে গড়াগড়ি দেয় টুনি।উদ্দীপকের টুনির সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রটির সাদৃশ্য কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- 'দৃষ্টি প্রদীপ' কী ধরনের রচনা?
- 'আপনারা জাহেল, বে-এলেম, আনপাড়াহ্' এই উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- নিচু একটা জায়গা ভরাট করে গ্রামের ছেলেরা খেলার মাঠ বানাবে বলে চেয়ারম্যানকে প্রস্তাব করল। কিন্তু কিছুদিন পরে চেয়ারম্যান সাহেব সেখানে এক বিশাল মার্কেট তৈরি করল ।উদ্দীপকে চেয়ারম্যানের উদ্দেশ্য 'লালসালু' উপন্যাসেরকোন বিষয়টিতে প্রকাশিত হয়েছে?
- কিছু কিছু মানুষ তাদের চাওয়া-পাওয়ার প্রত্যক্ষ উৎস হিসেবে মাজারকে বেছে নেয়। হরেক রকম মানত করে। তেমনি এক অসহায় বৃদ্ধ সালাম মণ্ডল। তার রোগগ্রস্ত ছেলের জন্য মাজারে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি মানত করে। এতে ছেলের শারীরিক কোনো উন্নতি ঘটে না। ছেলে তার দিনকে দিন খারাপের দিকেই যায়। তার শেষ সম্বল টাকা-পয়সা যা ছিল তাও সে মাজারে ছুড়ে দিয়ে ছেলের জন্য রোগমুক্তির প্রার্থনা করে।"উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের মাজারভক্তির একই চিত্র ফুটে উঠেছে"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মজিদের আধ্যাত্মিক শক্তির ব্যাপারে অবিশ্বাস পোষণকারী চরিত্রের নাম-