‘আজও’ শব্দের 'ও' প্রত্যয় কোন অর্থে ব্যবহৃত?
A. অধিকন্তু অর্থে
B. নিশ্চয়াত্মক অর্থে
C. বিশেষণ
D. সমাসবদ্ধ
সঠিক উত্তরঃ
C.
বিশেষণ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- শোষকেরা জনমতের বিরুদ্ধে যেতে ভয় পায় কেন?
- নাসির সাহেব তাঁর যাবতীয় সম্পদ বন্ধক রেখে একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেন। টাকার লোভে জামাই মেয়েটির উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে দিকটি দৃশ্যমান-
- 'প্রাগৈতিহাসিক' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন ধরনের রচনা?
- "নিজেকে তার ছ্যাচড়া,নোংরা নর্দমার মত লাগে" -কে বলছে?
- বকুল যখন স্বামীহারা হয় তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেধ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন-সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগি পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যে কোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।"উদ্দীপকটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'মাসি-পিসি' গল্পের বক্তব্য ধারণ করে- তোমার মতামত দাও।
- ‘মাসি-পিসি’ গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। যখন জ্ঞান ফিরে আসে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝি'র এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয় অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে পাঠাবে না তারা। বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকীর কাছে বড় হয়েছে।"অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে- উদ্দীপকে ও 'মাসি-পিসি' গল্পে এ সত্যটি সন্দেহাতীতভাবে প্রকাশিত হয়েছে"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- সালমার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা অসহায় হয়ে পড়ে। একদিকে অর্থকষ্ট,অন্যদিকে ষোলো বছর বয়সী সালমার সামাজিক নিরাপত্তা, সব মিলিয়ে সালমার মা দিশেহারা হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় সালমার বিধবা খালা তাদের বাড়িতে এসে সালমার দেখাশুনার ভার নেয়। সালমার মা-খালা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে নিজেদের খাওয়া পরা চালায়। এভাবেই তারা জীবনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করে।উদ্দীপকের উপার্জনের পথ 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসির উপার্জনের পথ থেকে ভিন্নতর কেন?
- শফিক মিয়ার মেয়ে আমেনাকে বিয়ে দেয় অপেক্ষাকৃত দরিদ্র জমিরের সাথে। জমির সৎ, হৃদয়বানব, এবং স্ত্রীকে সে প্রাণাধিক ভালোবাসে কিন্তু আমেনা দরিদ্র জমিরের ঘর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসে।"উদ্দীপকের আমেনা ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির স্বামীর ঘর ছাড়ার কারণ এক নয়।" মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- 'দুর ছাই সয়ে আর কুড়িয়ে পেতে খেয়ে।' এর মানে-
- কানাই চৌকিদার চরিত্র কোন গল্পের ?
- "মরণ ঠেকাতেই ফুরিয়ে আসছে তাদের জীবনীশক্তি।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- রোজগার করে কিছু উপার্জন করলেই মানিক দোকানে যায়। চা-সিগারেট খায়, আড্ডা দেয়, আবার বিপদগ্রস্ত মানুষ দেখলে তাকে আরও বিপদে ফেলে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করতে চায়।উদ্দীপকের তাহের 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি?
- কৃৎ-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ নয় কোনটি?
- 'চায়ের দোকান না কীসের দোকান তা বুঝিছি কৈলাশ'- কথাটি দ্বারা যা বোঝানো হয়েছে-দোকানটি আসলে চায়ের দোকান ছিল নাদোকানটি ছিল নেশাজাতীয় দ্রব্যেরদোকানটি ছিল মনোহর জিনিসেরনিচের কোনটি সঠিক?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- ছুটি রাণী বিধবা ও নিঃসন্তান। এ বিধবার নিকট-সম্পর্কের কেউ নেই। একদিন বাড়ির আঙিনার মন্দিরের পাশে বিশ-ঊর্ধ্ব একটি মেয়েকে কাঁদতে দেখেন। সমস্ত ঘটনা শুনে মেয়েটিকে ঘরে নিয়ে আসেন। স্বামীর নির্দয়তায় ক্ষত-বিক্ষত মেয়েটিকে মায়ের স্নেহে আশ্রয় দেন। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ির লোক সংবাদ পেয়ে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে চান। মেয়েটি কোনোভাবেই ফিরে যেতে রাজি নয়। ছুটি রাণীও মেয়েটিকে যেতে দেননি। এজন্য ছুটি রাণীকে সামাজিক নেতিবাচকতার মুখোমুখি হতে হয়। ছুটি রাণী মেয়েটিকে তার স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত ধন-সম্পত্তি উইল করে দেন।"উদ্দীপকের ছুটি রাণী, এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি একে অপরের পরিপূরক।"- বিশ্লেষণ করো।
- ' সফিউর' চরিত্রটি কোন ঔপন্যাসিকের সৃষ্টি?
- পুরুষতন্ত্রের অমানবিকতার স্ফুরণ ঘটেছে কোন গল্পে?
- বহুত্ববাচক শব্দ