বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
A. ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত
B. ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত
C. ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত
D. ১৯৫২ সাল পর্যন্ত
সঠিক উত্তরঃ
A.
১৯৫৫ সাল পর্যন্ত
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘শিকারি বিড়াল গোঁফে চেনা যায়’ - এখানে ‘গোঁফে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- 'ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না'- কেন?
- আফ্রিকার জনমানুষের প্রিয় নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। বর্ণবাদ, বৈষম্য আর শোষণ নিপীড়নের প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকার কালো মানুষগুলোর দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্বের পুরোধা ছিলেন তিনি। তাঁকে সইতে হয়েছে নির্যাতন, খাটতে হয়েছে জেল, সাতাশ বছর সশ্রম কারাভোগ ও ত্যাগের বিনিময়ে আফ্রিকার মানুষদের মুক্তি তথা স্বাধীনতা অর্জিত হয়।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে "বায়ান্নর দিনগুলো" রচনার লেখকের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি তুলে ধর।
- মার্টিন লুথার কিং আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়ালে আড়াই লক্ষ জনতার সামনে এক অসাধারণ বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। বর্ণবাদ বিরোধী এ নেতা আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়ে তৎকালীন সরকারের দমন- পীড়নের শিকার হন। তিনি বৈষমহীন সমাজ প্রত্যাশা করে বিশবারেরও বেশি কারারুদ্ধ হন। তবুও তিনি তাঁর লক্ষ্যে অটল ও অবিচল ছিলেন। শেষে ঘাতকের হাতে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত জেনেও তিনি আদর্শচ্যুত হননি।
- 'রুগণ' বিশেষণের বিশেষ্য রূপ-
- ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুরে কোন দায়িত্বে ছিলেন?
- "সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়" কোন বর্তমান কালের উদাহরণ?
- 'সাধনায় সিদ্ধি লাভ হয়' -কোন কারক?
- বন্ধু, তোমার ছাড়ো উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ করো চিত্ত বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দূর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোতে রুখে, তন্দ্রাকে করোছিন্ন, একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে যাক নিশ্চিহ্ন। ঘরে তোলো ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়ান্তে।"উদ্দীপকটিতে 'বায়ান্নর দিনগুলো'র চেতনা, সার্থকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।'—উক্তিটির মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রের কোন পরিচয় পাওয়া যায়?
- 'জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায় |'___কেন? বুঝিয়ে দাও।
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।উদ্দীপকের ব্রিটিশ শাসকের নির্যাতন এবং 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় পাকিস্তানি শাসকদের নির্যাতনের তুলনা করো।
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' কী জাতীয় রচনা?
- জেলখানায় বসে বঙ্গবন্ধু মোট কয়টি চিঠি লিখেছেন?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমানের কোন জীবনের কথা বিবৃত হয়েছে?
- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ কার রচিত গ্রন্থ?
- সে মরাতেও শান্তি আছে।'- লেখক শেখ মুজিবুর রহমান কোন মৃত্যুকে শান্তির কথা বলেছেন।
- 'দেশের সব আলেমগণই উপস্থিত ছিলেন'- বাক্যটি কোন দোষে দুষ্ট?
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উদ্দীপকের আলোকে পলাশি যুদ্ধে পরাজয়ের পরকে জনমত গঠনের মাধ্যমে প্রতিরোধের শেষ চেষ্টাকরেছিলেন?
- মালিক পক্ষের নিপীড়ন আর শোষণ-বঞ্চনা বন্ধের দাবিতে'হাওলাদার কটন মিল'-এর শ্রমিকগণ আমরণ অনশন-ধর্মঘট শুরু করে। তাদের কথা— অত্যাচার ও শোষণেরঅবসান না হলে আমৃত্যু অনশন চালিয়ে যাবে ।উদ্দীপকের মূলভাব 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোনবাক্যে প্রতিফলিত হয়েছে?