মুন্না বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। হঠাৎ তার শিশুপুত্র সড়ক দুর্ঘটনায়
নিহত হয়। পুত্রশোকে সে ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে।
এমনকি ঈদের নামাজ পড়তেও যেতে পারেনি।
উদ্দীপকের মুন্না' 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার
কোন চরিত্রকে মনে করিয়ে দেয়?
A.
কবির পুত্র
B.
কবির স্বামী
C.
কবিভক্ত
D.
কবির
সঠিক উত্তরঃ
D.
কবির
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- জাতীয় দলের খেলোয়াড় মুন্না তিন বছরের শিশুপুত্রকেহারিয়ে শোকে মোহ্যমান। না ফেরার দেশে চলে যাওয়াপুত্রের শোক সামলাতে না পেরে সে খেলাধুলা ছেড়েদিয়েছে। তাইতো সে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ানগেমসে ফুটবল খেলায় অংশতো নেয়ই নি, এমনকি খেলাদেখতেও যায় নি।উদ্দীপকের মুন্না 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়?
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জ??, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকের সেঁজুতি জামানের মনোভাব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ‘তার পিঠে রক্তজবার মতো___ ছিলো’ শূন্যস্থানে কী হবে?
- "কলি সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি" কার কথা বলা হয়েছে?
- সাধারণত ঈদের দিন প্রচণ্ড আনন্দে মেতে ওঠেনীলিমা। সালামি নেওয়া, ঘোরাঘুরি করা এসব নিয়েইদিন কাটে তার। কিন্তু আজ মাকে মনে পড়ায় সেসবের কোনোটিই করতে ইচ্ছা হলো না তার । উদ্দীপকের নীলিমা ও 'তাহারেই পড়ে মনে'কবিতার কবি দুজনই—
- 'উত্তরী' শব্দের অর্থ কী?
- জীবনের সবক্ষেত্রে সফল আকাশ কিন্তু তার সাফল্য তার মাকে আলোড়িত করে না। মায়ের সমস্ত অন্তর জুড়ে অকালে হারিয়ে যাওয়া আবির । উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা উভয়ক্ষেত্রেই প্রকাশিত—প্রিয়জন হারানোর বেদনাব্যক্তিজীবনের রিক্ততাসাফল্যের প্রতি উদাসীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- "কুহেলী উত্তলী তলে মাঘের সন্ন্যাসী"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির নীরবতার কারণ কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কার আগমনী গানের কথা বলা হয়েছে?
- এ বসন্তে কবির পুষ্পসাজ না থাকার কারণ কী?
- 'পুস্প শয্যা ভেদ তুলি বিচিত্র বসন" এর পরের লাইন..
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি কাকে ব্যথা দিয়েছেন?
- কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও পিতা শামসুর রাহমান ও কবিতার কবি উভয়ের অন্তরে রয়েছে তীব্র বেদনা। 'তাহারেই পড়ে মনে' মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাকে কোন সুর আচ্ছন্ন করে আছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিতে নাটকীয় গুণসম্পন্ন কবিতা বলা হয়ে কেন?
- বসন্তের আগমন সত্ত্বেও কবির নীরব ভূমিকা পালনের কারণ কী?
- সালমা ও জামিল দাম্পত্য জীবনে সুখেই দিনাতিপাত করছিল। হঠাৎ এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল জামিল। ছন্দপতন ঘটল সালমার সুখময় জীবনে। যদিও পরবর্তীকালে শামীম নামের এক ভদ্রলোকের সাথে সালমার আবার বিয়ে হয়। কিন্তু প্রথম স্বামীর স্মৃতি সে এক দিনের জন্যেও ভুলতে পারেনি। কারণ, সে ছিল তার সকল কাজের প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে সালমা প্রথম স্বামীর কথা স্মরণ করে একদম উদাসীন হয়ে যায় এবং স্বামীর কবরের পাশে বসে নীরবে অশ্রুপাত করে। কেননা তার সেই ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালেই তাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে গেছে।উদ্দীপকের জামিরের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কার সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা করো।
- মনে পড়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি,লাখো বাঙালির কাতর চিত্তে করুণ আহাজারি,একুশ তুমি বাংলার মানুষের হৃদয়ভরা আশা,তোমার কারণে পেয়েছি আজ কাঙ্ক্ষিত মাতৃভাষা,রক্ত ঝরাল, সালাম, বরকত, রফিক, শফিক জব্বার,বায়ান্নর সেই করুণ কাহিনি মনে পড়ে বরাবর,স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে সে বিষণ্ণ দিনের কথা,যত ভাবি ততই যেন মনে পাই বড়ো ব্যথা।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মর্মবাণীকে পুরোপুরি ধারণ না করলেও আত্মত্যাগ ও অধিকার আদায়ের কথাই বলে।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।