জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘শুক্রবার স্কুল ছুটি’ । এখানে ‘শুক্রবার’-
- ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রতিবাদস্বরূপ মিছিল-মিটিং করে বিভিন্ন জায়গায়। ছাত্রদের মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করলে নূরুল হক নামে একজন। ছাত্র শহিদ হন।উদ্দীপকে পুলিশের-আচরণ 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার পুলিশের কোন আচরণকে নির্দেশ করে?
- মালিক পক্ষের নিপীড়ন আর শোষণ-বঞ্চনা বন্ধের দাবিতে'হাওলাদার কটন মিল'-এর শ্রমিকগণ আমরণ অনশন-ধর্মঘট শুরু করে। তাদের কথা— অত্যাচার ও শোষণেরঅবসান না হলে আমৃত্যু অনশন চালিয়ে যাবে ।উদ্দীপকের মালিকপক্ষের সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো'রচনার কীসে মিল রয়েছে?
- ‘আমার দেখা নয়াচীন’ কে লিখেছেন?
- কোনটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী-
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'সে মরাতেও শান্তি আছে'- লেখক শেখ মুজিবুর রহমান কোন মৃত্যুতে শান্তির কথা বলেছেন?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে বর্ণিত ঘটনাবলীর ব্যাপ্তি কোন পর্যন্ত ?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় লেখক কোন ভাষারীতি অবলম্বন করেছেন?
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উদ্দীপকের আলোকে পলাশি যুদ্ধে পরাজয়ের পরকে জনমত গঠনের মাধ্যমে প্রতিরোধের শেষ চেষ্টাকরেছিলেন?
- ঢাকায় ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে অর্ধমাইল দীর্ঘ শোভাযাত্রা বাহির হয়। শোভাযাত্রীগণ 'নূরুল আমিনের রক্ত চাই,' 'নাজিমুদ্দিন গদি ছাড়' প্রভৃতি ধ্বনি করিতে থাকে। শোভাযাত্রীগণ লালদীঘি ময়দানে জমায়েত হইয়া সভা করে।"বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বক্তার বিড়ম্বিত পারিবারিক জীবনের নানা তথ্য রয়েছে যা উদ্দীপকে নেই।"- যুক্তি দিয়ে বিচার করো।
- 'যদি এই পথে মৃত্যু এসে থাকে তবে তাই হবে'- কোন রচনার উদ্ধৃতি?
- ‘বাংলাদেশ যে আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু আশাকরে।'— 'বায়ান্নর দিনগুলো'তে এই 'অনেক কিছুহলো-
- ’সদা সত্য কথা বলবে’ বাক্যটি-
- শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব- এর ডাক নাম কী?
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উক্ত জনমত গঠনে ব্যর্থতার মূল কারণ কোনটি ছিল?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনালোকে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অবদান রেখেছেন কে?
- এই দেশের স্বাধীনতার পিছনে রয়েছে বহুকালের সংগ্রামী ইতিহাস। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের দিনগুলো আমাদের জাতীয় আন্দোলন সংগ্রামের আত্মমর্যাদার চেতনার বীজ পত্তন করেছে। এ দেশকে ভালোবেসে বহু প্রতিবাদী মানুষ জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, ইতিহাসে তাঁরা অমর।উদ্দীপকের মর্মার্থ 'বায়ান্নার দিনগুলো' রচনার চেতনার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে দীর্ঘ সাতাশ বছর জেলখানায় কাটিয়েছেন। সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। জেলখানায় বসেই তিনি। বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশন করেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি রিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। একসময় তার আদর্শের জয় হয়। অবসান ঘটে বর্ণবাদের, জয় হয় মানবতার।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? নিরূপণ কর।
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'জুলিও কুরি' পদকে ভূষিত হন কোন সনে?