তরুণ নামের জয়-মুকুট শুধু তাহারই, যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা,মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।
উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কবি কেন যৌবনশক্তির জয়গান করেছেন?
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- তারুণ্য হলো মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ বয়সে অনেক তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা থাকে। পড়াশোনা শেষ করে চাকরির জন্য ছোটা, অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করা; আবার যেকোনো অসৎ সঙ্গে নষ্ট হওয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা। এসকল প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে একজন তরুণকে পথ চলতে হয়। অর্থাৎ একজন তরুণকে বন্ধুর পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়।উদ্দীপকে উল্লিখিত 'তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা' 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? বুঝিয়ে লেখো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পিতার নাম কী?
- সুকান্ত ভট্টাচার্???ের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় এ বয়সে প্রাণ তীব্র আরপ্রখর।' বলতে বোঝানো হয়েছে—
- আঠারো বছর বয়স কোন ধরনের কবিতা?
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'- ব্যাখ্যা করো।
- 'এ দেশের বুকে আঠারো বছর আসুক নেমে' কবি এ চরণ কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ, ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচারক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করেপুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা।আয় দুরন্ত, আয়রে আমার কাঁচা।'আঠারো বছর বয়স" কবিতায় এবং উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই জয়গান গাওয়া হয়েছে- এ বিষয়ে তোমার যৌক্তিক মতামত দাও।
- আঠারো বছর বয়সে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে কেন?
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই-যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যরে মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে। তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদায়ী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অন্ত। যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থ পরিপূর্ণভাবে ফুটে উঠেছে কি না, তা বিশ্লেষণ করো।
- আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবির প্রত্যাশা কী?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম দুরন্ত দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করে বলেছেন, 'তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদারী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং হুড়াইতে ছড়াইতে আহার অন্ত'। কারণ, তাঁর কাছে যৌবন হলো অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। তা মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক। যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে। সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ওম ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। আর বিপন্ন মানবতার পাশে সে দাঁড়ায় সেবাব্রতী ভূমিকা নিয়ে। 'সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে' উদ্দীপকের এই উক্তির আলোকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব বিশ্লেষণ করো।
- আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?
- আঠারো বছর বয়স দুর্যোগে হাল ঠিক রাখতে পারে না কেন?
- মালিহা আর নীলা সহপাঠী। দুজনই লেখাপাড়ায় বেশ ভালো। স্কুলজীবন পার হতে না হতেই নীলা মিশে যায় কিছু বখাটে বন্ধুর সাথে। এখানে তার শিক্ষাজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে। তার নাম শুনলে মেয়েরা আঁতকে ওঠে। অপরদিকে মালিহা কলেজ পেরিয়ে মেডিকেল কলেজে পড়ে। বাংলাদেশের অবহেলিত নারীদের অধিকার আদায়ে সে এখন কাজ করে। আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়। সংগঠিত করে সহপাঠী মেয়ে বন্ধুদের, আর প্রতিজ্ঞা করে জীবন দিয়ে হলেও নারীদের যথাযথ অধিকার প্রতিষ্ঠা করবেই।'আত্মত্যাগ ও মানব-কল্যাণ আঠারো বছর বয়সের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য'- উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।
- কত বছর বয়সে কবি সুকান্তের মৃত্যু হয়েছিল?
- ’আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'-কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছেন?