রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য প্রকাশিত হয় কত সনে?
A. 1910
B. 1911
C. 1912
D. 1913
সঠিক উত্তরঃ
A.
1910
Explanation: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যে মোট ১৫৭টি কবিতা সংকলিত হয়েছে। ১৯১২ সালে কাব্যটির ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings' প্রকাশ পায়। তবে ইংরেজি অনুবাদে গীতাঞ্জলি কাব্যের মাত্র ৫০টি কবিতা স্থান পায়। এগুলোর সাথে অন্যান্য কাব্যের আরও কিছু কবিতার অনুবাদ প্রকাশিত হয়। অনুবাদ করেন কবি নিজেই তবে ভূমিকা লিখে দেন ইংরেজ কবি ইয়েটস। ১৯১৩ সাল পর্যন্ত যতগুলো ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয় সেগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করে নোবেল কমিটি ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি হিসেবে তাঁকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেন।
Related Questions (Any University/Year)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটক কোনটি?
- কনফুসিয়াস কে?
- জামিল' সাহেব তার সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে নিজগ্রামে দাতব্য। চিকিৎসালয়সহ নানা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। প্রায় দুই 'যুগ আগে তিনি মারা গেলেও মানুষ তাঁর কৃতকর্মের দ্বারা আজ উপকৃত হচ্ছে। উদ্দীপকের জামিল সাহেবের কীর্তি 'সোনার তরী' কবিতার কীসের প্রতীক
- শ্রাবণগগন ঘিরে কী ঘুরে ফিরে?
- প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আরএখনই সহস্র এসে গেছে বারবারশাজাহান আর তাঁর মহারাজ্যপাট'অশোকের সাম্রাজ্যের যত ঠাটবাটকিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসেনিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতেসময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতেমানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছে।নাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্মকর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সাথে উদ্দীপকের ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোর তুলনামূলক আলোচনা করো।
- 'আর আছে- আর নাই, গিয়াছি ভরে'- অন্তর্নিহিত কারণ ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও দ্রোহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষরা তাঁর লেখায় খুঁজে পান উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। অথচ তাঁর কবিতা ও গান আজও প্রতিটি মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস। তাইতো তিনি মরেও অমর হয়ে আছেন আপামর জনসাধারণের মাঝে।'কর্মী নয়, কর্মই অবিনশ্বর'-উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজী শিরােনাম কী?
- জামিল' সাহেব তার সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে নিজগ্রামে দাতব্য। চিকিৎসালয়সহ নানা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। প্রায় দুই 'যুগ আগে তিনি মারা গেলেও মানুষ তাঁর কৃতকর্মের দ্বারা আজ উপকৃত হচ্ছে।উদ্দীপকের মূলভাব প্রকাশক চরণ-এখন আমারে লহো করুণা করেসকলি দিলাম তুলে থরে বিথরেআমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরিনিচের কোনটি সঠিক?
- নিচের কোন জন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য-মুগ্ধ হয়ে অবাঙালি হওয়া সত্ত্বেও বাংলা ভাষা শিখেছিলেন?
- "সােনার তরী" কবিতায় 'বাঁকা জল' বলতে প্রতীকী অর্থে কী বােঝানাে হয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতার ছন্দ-
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণের শুরুতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অন্যায়ভাবে এবং বিনা করণে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার, নির্যাতন, গুলি ও রক্তপাত করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ই মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সমঝোতা না করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে হতাহত করেছে। এরূপ রক্তের করুণ ইতিহাস পুরো পাকিস্তানি শাসনকাল জুড়ে বিরাজমান ছিল। সর্বোপরি ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে জাতির পিতা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃক ২৩ বছর যাবৎ পাকিস্তানি শাসকদের বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক কিন্তু ভুলিনি পাকিস্তানি শাসক ও তার দোসরদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ভুলিনি জাতির পিতা ও লাখো শহিদের অবদান।'সোনার তরী' কবিতার বিষয়গত সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- 'আমায় নহে গো, ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গানবনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসানচাঁদের কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝে।'"উদ্দীপকটিতে 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাব ফুটে উঠেছে"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'চারদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।'- ব্যাখ্যা করো।
- ‘সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা’ রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?
- সোনার তরী কবিতার পংক্তিসংখ্যা -
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থ কোথায় বসে রচনা করেন?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কোথায় বসে লেখা?