'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ঋতুরাজকে উপেক্ষা করে কবি কী দেয়?
A.
ব্যথা
B.
অনুভূতি
C.
অর্ঘ্য
D.
স্মৃতিময়তা
সঠিক উত্তরঃ
A.
ব্যথা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘এ জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসাবে বড়, না গুণের হিসাবে।' উক্তিটি যে গদ্যের-
- 'এইটে একবার পরখ করিয়া দেখো।'- ব্যাখ্যা করো।
- কোনগুলো বর্গীয় বর্ণ নয়?
- প্রায় এক বছর হলো বাজিতপুর নিবাসী কেরামত আলীর ছোট মেয়ে বিজলীর সাথে মনোহরপুর গ্রামের হোসেন মিয়ার একমাত্র ছেলে হাশিমের বিয়ে হয়েছে। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই হাশিমের পরিবার বিজলীর উপর অমানবিক অত্যাচার ও নির্যাতন শরু করেছে। বিজলীর অপরাধ- বিয়ের সময় তার বাবা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যৌতুকের সমস্ত টাকা পরিশোধ করতে পারেনি। তাই বিজলীকে নীরবে সহ্য করতে হচ্ছে এ নির্যাতন।উদ্দীপকের বিজলীর সাথে 'অপরিচিত' গল্পের কল্যাণী চরিত্রের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য তুলে ধর।
- 'ঐহিক' শব্দের বিপরতি শব্দ হলো:
- নিরপরাধীকে শাস্তি দিও না বাক্যটির শুদ্ধ রূপ -
- অতুলনীয় মাতৃস্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃস্নেহের প্রাবাল্যে মানুষ আপনাকে হারাইয়া আসল শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। নিয়ত মাতৃস্নেহের অন্তরালে অবস্থান করিয়া আত্মশক্তির সন্ধান সে পায় না- দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।"উদ্দীপকের ইতিবাচক মর্মার্থ উপলব্ধির মানসিকতাই 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের পরিবর্তিত জীবনভাবনার উপায় হিসেবে কাজ করেছে।"- মন্তব্যটির সার্থকতা বিচার করো।
- 'রক্তকবরী' কোন ধরনের রচনা?
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
- ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত-
- 'আহ্বান' শব্দটির শুদ্ধ উচ্চারণ কোনটি?
- 'মানব-কল্যাণ কথাটা স্রেফ মানব অপমানে পরিণত হয়েছে।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'শেষের কবিতা' কোন ধরনের রচনা?
- সুকান্ত ভাচার্যের 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংগৃহীত?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতি স্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনায়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পুরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে যে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয় মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়ে যায়।"উদ্দীপকে বর্ণিত মাতৃস্নেহের আধিক্যে অনুপম চরিত্রের বিকাশ ব্যাহত হয়েছে ঠিকই কিন্তু গল্পের পরিণতিতে বৃত্তভাঙা ভিন্ন এক ব্যক্তি হিসেবে তাকে পাওয়া যায়।"-মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ যাচাই করো।
- ছোটবেলায় অনুপম পন্ডিতমশাইয়ের বিদ্রুপের পাত্র হয়েছিল কেন?
- সবেমাত্র ডাক্তারি পাশ করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগদান করেছে পরেশ। এর মধ্যেই তার বাবা তাকে না জানিয়ে পাশের গ্রামে সুন্দরী শিক্ষিত এক মেয়ের সাথে বিয়ের ব্যবস্থা পাকা করে ফেলেছেন। ঘটকের মাধ্যমে পরেশ জানতে পেরেছে, ঘর সাজিয়ে দেওয়া ছাড়াও বরপক্ষকে মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে। সবকিছু জানার পর, কোনো বিনিময় ছাড়াই পরেশ বিয়ের পক্ষে মত দেয় এবং শেষ পর্যন্ত তার কথা সবাই মেনে নেয়।'অপরিচিতা' গল্পের উদ্দিষ্ট চরিত্র যদি উদ্দীপকের পরেশের মতো হতো, তাহলে গল্পের পরিণতি কেমন হতো? বিশ্লেষণ করো।
- ‘ফল্গু' নদীর বৈশিষ্ট্য হলো-
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিস্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয়ে মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।'উদ্দীপকে বর্ণিত মাতৃস্নেহের আধিক্যে অনুপম চরিত্রের- বিকাশ ব্যাহত হয়েছে ঠিকই কিন্তু গল্পের পরিণতিতে বৃত্তভাঙা ভিন্ন এক ব্যক্তি হিসেবে তাকে পাওয়া যায়।'- মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ যাচাই করো।