আতঙ্কে পাঁশুটে মেরে যায়? কেন- উক্তিটির ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচারে দিশেহারা, পর্যুদস্ত দেশ। মাঠ-ঘাট পেরিয়ে মিলিটারি-রাজাকারের চোখ এড়িয়ে ভারতের আশ্রয় শিবিরের উদ্দেশ্যে ছুটে চলার প্রাণান্ত চেষ্টা বৃদ্ধা আদুরির। হঠাৎ খেতের মধ্যে গুলিবিদ্ধ মায়ের লাশের পাশে কান্নারত এক শিশুকে দেখে থমকে যায় আদুরি। নিঃস্ব কোলে তুলে নেয় অসহায় শিশুটিকে। আবারও ছুটতে থাকে আদুরি। শিশুটিকে যে বাঁচাতেই হবে-ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।উদ্দীপকে বর্ণিত শিশুটির সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির মিল কোন দিক থেকে? বুঝিয়ে দাও।
- এইখানে তোর বুজির কবর পরীর মতন মেয়ে, বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।এত আদরের বুজিরে যে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।উদ্দীপকে বুজির সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির অবস্থার তুলনা করো।
- ১/৪ এর সংখ্যাবাচক শব্দ নয় --
- সীমা শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে চাচার-আশ্রয়ে ছিল। সেখানে থাকাকালীন তার বাল্যবিবাহ হয়। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার তেমন সহযোগিতা না পেলেও দমেনি সীমা। টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। সীমা এখন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।"উদ্দীপকের সীমা এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি উভয়েই নির্যাতিত নারী সমাজের প্রতিনিধি।"- বিশ্লেষণ করো।
- বিধবা মরিয়ম সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করে। পনেরো বছরের একমাত্র সন্তান শাহানাকে নিয়ে তার ছোট সংসার। মরিয়মের এখন একটাই সংগ্রাম- মেয়েকে লেখাপড়া শিখিয়ে স্বাবলম্বী করানো। কিন্তু চতুর্দিকে বখাটেদের উৎপাত লেগেই আছে। তাইতো কাপড়ের আড়ালে ধারালো ছোট ছুরিটা নিতে 'কখনো ভুলে না সে। এতে বখাটেরা আজকাল আর সামনে এগুচ্ছে নাএবং অন্য নারীরাও এখন অনেক বেশি সচেতন। সংঘবদ্ধ মরিয়মরা এখন লাঞ্ছিত নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস।'সংঘবদ্ধ মরিয়মরা এখন লাঞ্ছিত নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস।' - উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে কথাটি বিশ্লেষণ কর।
- শেষবেলায় খালে তখন পুরো-
- দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। যখন জ্ঞান ফিরে আসে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝি'র এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয় অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে পাঠাবে না তারা। বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকীর কাছে বড় হয়েছে।"অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে- উদ্দীপকে ও 'মাসি-পিসি' গল্পে এ সত্যটি সন্দেহাতীতভাবে প্রকাশিত হয়েছে"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বাংলাদেশের নারীরা ব্যাপক ভূমিকারাখলেও ঘরের মধ্যে নারীর অবস্থা ভালো নয়। নারীসমাজের একটা অংশ স্বামীর দ্বারা নির্যাতনের শিকার।'তোমার পঠিত কোন গল্পের সঙ্গে উদ্দীপকটি সাদৃশ্যপূর্ণ?
- হাভাতে শব্দের অন্তর্গত হা কোন শ্রেণীর অন্তর্গত?
- রূপক কর্মধারয় সমাস ???োনটি?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যয়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- 'নিজের সবটুকু সম্বল বিক্রি করে ধুলু মিয়া মেয়ের বিয়ে দিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িটা তার জন্য সুখের হলো না। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে যে শ্বশুরবাড়ির নাম শুনলেই আঁতকে ওঠে।'উক্ত মূল উপজীব্যে 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তি কোনটি?
- 'অতসী মামী' নামক প্রথম গল্প লিখে কোন লেখক খ্যাতি অর্জন করেন?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে দুই বিধবার চরিত্রে মিল কিসে?
- মাসি-পিসি গল্পে ‘বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাইতো-বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচারে দিশেহারা, পর্যুদস্ত দেশ। মাঠ-ঘাট পেরিয়ে মিলিটারি-রাজাকারের চোখ এড়িয়ে ভারতের আশ্রয় শিবিরের উদ্দেশ্যে ছুটে চলার প্রাণান্ত চেষ্টা বৃদ্ধা আদুরির। হঠাৎ খেতের মধ্যে গুলিবিদ্ধ মায়ের লাশের পাশে কান্নারত এক শিশুকে দেখে থমকে যায় আদুরি। নিঃস্ব কোলে তুলে নেয় অসহায় শিশুটিকে। আবারও ছুটতে থাকে আদুরি। শিশুটিকে যে বাঁচাতেই হবে-ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।'ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।'-এ উক্তিটি দ্বারা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির চারিত্রিক দৃঢ়তা ব্যাখ্যা করো।
- তারাপুর গ্রামের মেয়ে রাবেয়া। শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন সইতেনা পেরে ফুফু সলিমা বেগমের কাছে পালিয়ে আসে । গ্রামেরমাতব্বর নারীলোভী জয়নালের কুদৃষ্টি পড়ে রাবেয়ার ওপর।কিন্তু সলিমা বেগম জননী সাহসিকা। তিনি দৃঢ়প্রত্যয়ী মা-পাখির মতো আগলে রাখেন অনাথ ভাইঝি রাবেয়াকে। সলিমা বেগম 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রেরপ্রতিনিধিত্ব করছেন?
- বাবা-মা হারা রাইনার শেষ আশ্রয় বুড়ো দাদু। কিন্তু সমস্যা হয় বাবার রেখে যাওয়া সম্পদের কারণে, তার প্রতি শকুনের চোখ পড়ে। সম্পত্তির সবটুকু গ্রাস করেও তৃপ্তি হয় না গ্রামের মাতব্বরের ছেলের। তার লোভ জাগে রাইনার উপর। কিন্তু রাইনার দাদু এই বৃদ্ধ বয়সেই রুখে দাঁড়ায় সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে।উদ্দীপকের রাইনার দাদুর সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির দায়িত্ববোধের সাদৃশ্যতা দেখাও।
- মাসি-পিসির মধ্যে ঐকান্তিক ভাব থাকার কারণ কী?